‘শিঙাড়া খাইতেছি, বনরুটি আর খামুই না’

বনরুটির দাম ৫টাকা বেড়ে যাওয়ায় তৃণমূল বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। ছবি: আগামীর সময়
বনরুটির খুচরা মূল্য ১০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৫ টাকা। ঢাকার বিভিন্ন চায়ের দোকান এবং মুদির দোকান ঘুরে দেখা গেছে এই চিত্র। গত শনিবার থেকেই দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন দোকানদাররা। বিভিন্ন পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে বনরুটির দামও বেড়েছে বলে ধারণা করছেন তারা। রাজধানী ছাড়াও দেশের অন্যান্য স্থানেও বেড়েছে বনরুটি ও কেকের দাম।
কারওয়ান বাজারে শিঙাড়া দিয়ে বিকালের নাশতা করছিলেন ভ্যানচালক গিয়াস মিয়া। তিনি বলেন, ‘রুটির দাম বাড়ার কারণে শিঙাড়া খাইতেছি। বনরুটি আর খামুই না। অন্যদিন একটা কলা আর বনরুটি খাইতাম। ১৫ টাকা হওয়ার পরে থিকা আর খাই না।’
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খরচও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বেকারি মালিকরা। বনরুটি তৈরির মূল উপাদান আটার দাম বেড়েছে। বেড়েছে তেলের দামও। গম আমদানির খরচ বাড়ার কারণকেও দায়ী করছেন। আবার চিনির দামও বেড়েছে। এসবের বৃদ্ধিকেই কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন তারা।
দোকানদার সেলিম হোসেন বলেন, ‘রুটি আগের চাইতে বিক্রিও হচ্ছে কম। তাই বেকারির কাছে থেকে রাখতেছিও কম। কাস্টমার প্রথমে ১৫ টেকা শোনার পর মনে হয় আকাশ থেকে পড়ে। অন্তত তিনবার বলতে হয় যে বনরুটির দাম ১৫ টাকা। অনেকের সঙ্গে তো কথা-কাটাকাটিও হয়েছে কয়েকবার।’
জাভেদ বলেন, ‘যেহারে জিনিসপত্রের দাম বাড়তেছে। তাতে গরিব মানুষের বাইচা থাকাই দিনে দিনে কষ্ট হইয়া যাইতেছে। প্রতিদিনই বিকালে কিছু না কিছু নাশতা করা লাগে। তাই বনরুটি খাইতাম। কিন্তু ৫ টাকা বাড়া তো আমগো জন্যে অনেক টেকা বাইড়া যাওয়া।’



