Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় প্রাণী থেকে মানুষ, সবার পাশেই বাচ্চু
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় রাজধানী

স্কুলে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে দশম শ্রেণির ছাত্রীর ‘আত্মহত্যা’

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ১৫:০৯
স্কুলে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে দশম শ্রেণির ছাত্রীর ‘আত্মহত্যা’

ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। ছবি: আগামীর সময়

রাজধানীর কদমতলীতে স্কুলে মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে সাবিকুন নাহার (১৬) নামের এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল বুধবার বিকালে ঘটনাটি ঘটে দনিয়া নাসির উদ্দীন সড়ক এলাকায়। সেখান থেকেই তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত সাবিকুন রাজধানীর ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবার নাম খলিলুর রহমান। গ্রামের বাড়ি নরসিংদীতে।

এদিকে এ ঘটনার পর রাজধানীর দনিয়া এলাকার ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা।

তাদের অভিযোগ, স্কুল কর্তৃপক্ষের ‘চাপ ও দুর্ব্যবহারের কারণে’ স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী সাবিকুন নাহার আত্মহত্যা করেছে।

সাবিকুন নাহারের সহপাঠী দশম শ্রেণির মানবিক বিভাগের এক ছাত্রী গণমাধ্যমকে বলেছেন, বুধবার তাদের বাংলা ও অর্থনীতি বিষয়ের মডেল টেস্ট ছিল। সাবিকুন নাহারের অর্থনীতি পরীক্ষার প্রিপারেশন হয়ত ভালো ছিল না, সে পরীক্ষায় চুপচাপ বসে ছিল।

‘একপর্যায়ে সে খাতায় কিছু একটা আঁকা শুরু করে। সেটা দেখতে পেয়ে ইকোনোমিকস মিস ওর খাতাটা নিয়ে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ হাসান লিটনের কাছে পাঠান। তিনি অনেকটা সময় ধরে সাবিকুনকে বকাঝকা ও তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।’

ওই শিক্ষার্থীর ভাষ্য, ‘সাবিকুনের অভিভাবককে ডেকেও গালাগাল ও দুর্ব্যবহার করা হয়। পরে সাবিকুন বাসায় ফিরে গিয়ে আত্মহত্যা করে।’

সাবিকুনের আত্মহত্যার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও কয়েকজন শিক্ষিকার বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অপমান, ভয়ভীতি এবং মানসিক চাপে রেখে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে করা হচ্ছিল দুর্ব্যবহার।

এক অভিবাবকের দাবি, প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মাসুদ রানা লিটন এবং শিক্ষিকা মাহমুদা, সানজিদা ও রিফাত বিভিন্নভাবে মানসিক চাপে রাখতেন শিক্ষার্থীদের। সামান্য বিষয়েও অভিভাবকদের স্কুলে ডেকে এনে সবার সামনে অপমান করা হতো।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, তাদের কারণে-অকারণে মারধর এবং প্রায়ই দেওয়া হতো টিসি দেওয়ার হুমকি। এসব ঘটনায় অনেক শিক্ষার্থী ভেঙে পড়ত মানসিকভাবে।

সাবিকুনের মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে এখনো স্কুল কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কদমতলী থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বলেছেন, ‘দুপুরেও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলছিল। তারা অভিযোগ করছে, তাদের সহপাঠী সাবিকুন নাহার স্কুলের চাপ ও দুর্ব্যবহারের কারণে আত্মহত্যা করেছে।’

বিক্ষোভআত্মহত্যাব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজশিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: