দিনভর বিক্ষোভ-সংঘর্ষ, থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা
- গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সাভার, আশুলিয়া ও মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ; আহত ৩০
- ৩০৬ কারখানায় উৎপাদন বন্ধ, ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
- গাজীপুরে শ্রমিক নন—এমন সাতজনকে নাশকতার অভিযোগে গ্রেপ্তার
- নাশকতা ঠেকাতে মাঠে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল

ছবি: আগামীর সময়
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে টানা চতুর্থ দিনের মতো আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন পোশাকশ্রমিকেরা। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও সাভার-আশুলিয়াসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গাজীপুরে থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টাও করেছেন আন্দোলনকারীরা। কোথাও কোথাও সড়কে আগুন জ্বালিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন আন্দোলনকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে। শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোতায়েন করা হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের।
দিনভর আন্দোলনের প্রভাবে এসব শিল্পাঞ্চলের ৩০৬টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ছিল বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
গাজীপুরে সংঘর্ষ, থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা; আহত অন্তত ৩০
সকালে গাজীপুরের নাওজোড় ও ভোগড়া এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মহানগরীর নাওজোড় এলাকায় দিগন্ত সোয়েটার ও প্যানিসিয়া লিমিটেডের শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে সড়কে বর্জ্য ফেলে আগুন ধরিয়ে দেন তারা। এতে জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে নাওজোড় মোড় পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
একই সময়ে বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে সড়কে নামেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তৎপর হন। পরে ভোগড়া ও নাওজোড় এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।
আগামীর সময়ের গাজীপুরের প্রতিবেদক জানিয়েছেন, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা সংঘর্ষে পুলিশ ও শ্রমিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। শ্রমিক অসন্তোষের কারণে জেলার অন্তত ৬০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয় গতকাল। গাজীপুর শিল্প-পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলছেন, শ্রমিক নন—এমন সাতজনকে নাশকতার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে শ্রমিকদের অবরোধের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। প্রায় চার ঘণ্টা পর দুপুর সোয়া একটার দিকে মহাসড়ক দুটিতে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আমজাদ হোসাইন জানিয়েছেন, কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা সকালে কাজে যোগ দিতে গেলেও পরে কাজ না করে বেরিয়ে আসেন। এ কারণে কারখানাগুলোতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
স্থানীয় থানা-পুলিশ জানিয়েছে, শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে কোনাবাড়ী, বাসন ও কালিয়াকৈর থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় কয়েক হাজার শ্রমিককে আসামি করা হয়েছে।
এদিকে বিকালে গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) কাশিমপুর থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেছেন আন্দোলনরত পোশাকশ্রমিকেরা। তবে পুলিশ বলছে, শ্রমিকদের সঙ্গে দুষ্কৃতকারীরা ছিল। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর এলাকায় ডিবিএল গ্রুপের একটি কারখানার শ্রমিকেরা আন্দোলন করছিলেন। ওই সময় কাশিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মোহাম্মদ খালিদ হোসেনসহ পুলিশের সদস্যরা শ্রমিকদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যান। তখন শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন এবং ধাওয়া করেন।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশ সদস্যরা দৌড়ে থানায় ফিরে যান। পরে শ্রমিকেরা থানার আশপাশে জড়ো হয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা থানা ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে।
এ ঘটনার পর থানা ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরে পুলিশের একাধিক টিম যুক্ত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে; আন্দোলনকারীরাও ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান।
আশুলিয়ায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ৪০ কারখানায় ছুটি
সাভারের আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলেও গতকাল সকাল থেকে উত্তেজনা শুরু হয়। আবদুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের নিশ্চিন্তপুর, নরসিংহপুর ও আশপাশের এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
আগামীর সময়ের সাভার প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিশ্চিন্তপুর এলাকায় একটি গলিতে অবস্থান নিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন শ্রমিকেরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি বিবেচনায় অন্তত ৪০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয় তখন।
অন্যদিকে দুপুরে হেমায়েতপুর থেকে সিংগাইর সড়কের পদ্মার মোড়ে শ্রমিকেরা জড়ো হন। পরে তারা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর অংশ অবরোধ করেন। সাভার হাইওয়ে থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরানোর চেষ্টা করে, যাতে যান চলাচল স্বাভাবিক করা যায়। বিকাল পৌনে ছয়টার দিকে শ্রমিকেরা সড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল শুরু হয়।
নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, বেশ কয়েকজন আহত
আগামীর সময়ের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সেখানে দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ফতুল্লার পোশাকশ্রমিকেরা। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে শিবু মার্কেট, ফতুল্লা স্টেডিয়াম ও জালকুড়ি এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বিকাল সাড়ে ৪টার পর শিবু মার্কেট, ফতুল্লা স্টেডিয়াম ও জালকুড়ি এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় শ্রমিকেরা সড়কের পাশে পড়ে থাকা ঝুটের বর্জ্য জড়ো করে আগুন ধরিয়ে দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিপেটা করে এবং কয়েক দফা কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানিয়েছেন, শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও আগুন জ্বালিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেন। পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।
বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে শিবু মার্কেট এলাকা থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে দিলে লিংক রোডে যান চলাচল শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকায় পুলিশ ও বিজিবির সদস্যদের মোতায়েন রাখা হয়।
মিরপুরে সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড
রাজধানীর মিরপুরেও গতকাল নতুন করে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সকাল ১০টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে জড়ো হন পোশাকশ্রমিকেরা।
পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। জবাবে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। পরে আন্দোলনকারীরা আশপাশের গলিতে সরে যান।
সংঘর্ষের কারণে পল্লবী-মিরপুর-১০ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যান চলাচল শুরু হয়। এ ঘটনায় অন্তত চারজনকে আটক করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
মিরপুরে সংঘর্ষের মধ্যে কালশী রোডে এক পুলিশ সদস্যকে কয়েকজন মিলে ব্যাপক মারধর করেন। এ ঘটনার খবর ও ভিডিও দ্রুত বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ডিএমপির পিওএম দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ তৌহিদুল আরিফ জানিয়েছেন, তারা ভিডিওটি দেখেছেন এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৩০৬ কারখানায় উৎপাদন বন্ধ, মোতায়েন ১২ প্লাটুন বিজিবি
স্বাভাবিকভাবেই শ্রমিক অসন্তোষের প্রভাব পড়েছে দেশের পোশাকশিল্পের উৎপাদনেও। বিজিএমইএর প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বেলা ১১টা পর্যন্ত মিরপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, আশুলিয়া ও জিরানী এলাকার ৩০৬টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ আশপাশের শিল্পাঞ্চলে ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম।
নাশকতা ঠেকাতে মাঠে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল
শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর, সাভার-আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। গতকাল সকাল থেকে এসব এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, কারখানার প্রবেশপথ, মহাসড়কের পাশ ও বিভিন্ন মোড়ে তাদের অবস্থান করতে দেখা গেছে। মিরপুরে স্ট্যাম্প ও লাঠিসোঁটা হাতে যুবদল-ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিছিল করেছেন।
গাজীপুরে ভোগড়া বাইপাস, চান্দনা চৌরাস্তা, কোনাবাড়ী ও বোর্ডবাজার এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। গাজীপুর বিএনপির সভাপতি ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ভোগড়া বাইপাস ও চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থান নেন।
একইভাবে আশুলিয়ায় নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের পাশে বিভিন্ন কারখানার সামনে এবং নারায়ণগঞ্জে পঞ্চবটি, চাষাঢ়া, শিবু মার্কেট, জালকুড়ি, ভূইগড় ও সাইনবোর্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পাহারা ও সতর্ক অবস্থান নেন বিএনপিদলীয় নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনকে পুঁজি করে একটি মহল নাশকতা ও সহিংসতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। শিল্প-কারখানা, শ্রমিক ও জননিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি আন্দোলনের নামে ভাঙচুর ও নৈরাজ্য ঠেকাতেই তারা মাঠে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।
শ্রমিকদের দাবি ৩০ হাজার টাকা
বর্তমানে দেশের পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা। শ্রমিকেরা তা বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানাচ্ছেন। তাদের বক্তব্য, বাড়িভাড়া, খাবার, যাতায়াত, চিকিৎসাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান মজুরিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
শ্রমিকদের এই অসন্তোষের পেছনে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতি ও নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে শ্রমিকদের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে।
মজুরি বোর্ডকে স্বাগত জানাল ৩৫ শ্রমিক সংগঠন
গতকাল দুপুরে গাজীপুর প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ৩৫টি শ্রমিক সংগঠন নিয়ে গঠিত ‘শ্রমিক মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ’। সংগঠনটির সভাপতি তমিজ উদ্দিন তমু শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, দেশের অর্থনীতি ও শ্রমিকদের জীবিকা রক্ষায় কারখানার উৎপাদন চালু রাখা জরুরি। মজুরি বোর্ড গঠন করায় সরকারকে স্বাগত জানিয়ে সংগঠনটির নেতারা আলোচনার মাধ্যমে ন্যায্য মজুরি নির্ধারণের দাবি জানান। একই সঙ্গে শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ও দমন-পীড়ন বন্ধের আহ্বান জানান তারা।






