এজেডইসির অনলাইন সামিট
জ্বালানি সংকটে ২ বিলিয়ন ডলার চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়
চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২ বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ এশিয়া জিরো ইমিশন কমিউনিটি প্লাসের (এজেডইসি) অনলাইন সামিটে বক্তব্য দেন সরকারপ্রধান। সেখানেই চান এই সহায়তা।
দুপুর ১২টার দিকে সংসদ ভবনের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে এই সম্মেলনে অংশ নেন তারেক রহমান। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ।
‘বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা করা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি’, বলছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশ তাৎক্ষণিক জ্বালানি চাহিদা পূরণ এবং অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে সংগ্রহ করতে চায় ২ বিলিয়ন ডলার তহবিল। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার আহ্বান সরকারপ্রধানের।
‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট দেখিয়ে দিয়েছে সব দেশ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। একা এই সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না কোনো দেশ। এজন্য প্রয়োজন সমন্বিত আঞ্চলিক উদ্যোগ।’
সংকট মোকাবিলায় ইতোমধ্যে কিছু স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী । এর মধ্যে আছে — সরকারি অফিস ও কেনাকাটার সময় কমানো, জরুরিভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি, বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ এবং জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা।
‘এই সংকট ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও বড় আকার নিতে পারে, যা একসময় উন্নয়ন থামিয়ে দিয়েছিল’, উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য কমাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে জানিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, ‘বর্তমান সংকট হুমকির মুখে ফেলছে সেই অর্জন। শুধু বাংলাদেশ নয়, অনেক দেশই ঝুঁকির মুখে। এ সমস্যা সমাধানে বৈশ্বিক সমন্বিত পদক্ষেপ জরুরি।’
বক্তব্যে এমন একটি সম্মেলনের আয়োজন করায় জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান।
সম্মেলনে অংশ নেন ভারত, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও প্রতিনিধিরা। এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি এবং এডিবির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

