Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
কেঁচো সারে বগুড়ার লিমার বাজিমাত
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

মিড ডে মিল শুধু খাবার নয়, অনেক কিছু...

শম্পা বিশ্বাস
শম্পা বিশ্বাস
agamir somoy
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪০
মিড ডে মিল শুধু খাবার নয়, অনেক কিছু...

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

কথা ছিল মধ্য দুপুরের কড়া রোদটা যখন ক্লাসরুমের মাথার ওপর এসে পড়বে, তখন তৃতীয়, চতুর্থ আর পঞ্চম শ্রেণির শিশুরা খাবারের জন্য লাইন ধরবে। কিন্তু রূপগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের কামতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেল ভিন্ন ছবি। নুন শিফটের পাঁচজন শিক্ষার্থী হাজির। কারণ একটাই, স্কুলে গেলে খাবার পাওয়া যায়। সকাল সকাল গেলে মিড ডে মিল ছাড়াও সকালের বেঁেচ যাওয়া মিল থেকে কিছু খাবার মেলে। ক্ষুধা পেটে কখনো একটা আবার কখনো অর্ধেক পাউরুটি বা কয়েকটা বিস্কুট তাদের বাড়তি পাওয়া।

নারায়ণগঞ্জের এই স্কুলটি মর্নিং এবং নুন— দুই শিফটে চলে। মর্নিং শিফটে সকাল ৯টায় প্রাক, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির ক্লাস শুরু।

আর নুন শিফটে দুপুর ১২টা থেকে বিকাল সোয়া ৪টা পর্যন্ত চলে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস।

গত ১০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল সোয়া ৯টার দিকে বিদ্যালয়টিতে গিয়ে কথা হলো সকাল সকাল হাজির হওয়া পাঁচ শিক্ষার্থীর একজন ফাবিহা আরেকজন মাহিমার সঙ্গে। আধা ঘণ্টা হেঁটে বহুদূর থেকে স্কুলে আসে তারা। আসতে আসতে ক্ষুধা পেয়ে যায়। ফাবিহার বাবা একটি খাবারের দোকানে কাজ করেন। আর মাহিমার বাবা নেই। কক্ষের মেঝেতে বসে তারা খানিকটা লজ্জা আর ভীতি নিয়েই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা শুরু করে। বাসাবাড়িতে কাজ করেন মাহিমার মা। একবেলার খাবার দেওয়ায় ওর মায়ের কিছুটা টাকাপয়সা সাশ্রয় হয় বলে জানাল। কথা বলতে বলতে একটা সময় ফাবিহার লজ্জা-ভয়মিশ্রিত মুখও কিছুটা স্বাভাবিক হলো। দুপুরের খাবার পাওয়ায় তার বাবার ওপর থেকেও কিছুটা চাপ কমেছে বলে মাথা নাড়ে। কথা হয় অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও। প্রতিবেদককে কর্তৃপক্ষ মনে করে তার কাছে শুকনো খাবারের বাইরে এক-দুদিন ভাত-খিচুড়ির আবদার করল কয়েকজন।

শিশুদের অভিভাবকরাও জানালেন মিড ডে মিলের কারিশমার কথা। শিশুশ্রেণির হাবিবুর রহমানকে স্কুলে দিতে এসেছে তার মা পারভীন। চটিবিহীন পায়ে তখনো খানিকটা কাদামাটি মাখা তার। অন্যের জমিতে সবজিচাষি এই মা জানালেন, আগে সন্তানকে টিফিন দিতে হতো; এখন লাগে না। ফলে টাকা খরচ কম হয়। আরেক শিশু আবু বকর সিদ্দিকের মা ফাহিমা আক্তার একগাল হেসে বললেন, টিফিনের লোভে বাচ্চারা স্কুলে চলে আসে। আগে চকলেট, এটা-সেটার জন্য বায়না করত। এখন নিজে থেকে স্কুলে চলে আসে।

প্রধান শিক্ষিকা রীনা আক্তার আগামীর সময়কে বলেছেন, ‘গত ৯ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকালে তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম শ্রেণির ১০ জন শিশু এসেছে। এর মধ্যে পাঁচজনই ছিল অনাহারী। ওদের শিফট দুপুরে, দেড়টায় খাবার পায়। তবে সকালে আসে অর্ধেক রুটির লোভে। উপস্থিতি কম হলে খাবার বেঁচে যায়, তখন ওদের বেশি খাবার দিয়ে দেওয়া হয়।’

বিদ্যালয়টির আশপাশ ঘুরে দেখা গেছে, জনবসতি নেই বললেই চলে। শিক্ষার্থীও কম। উপস্থিতিও বেশি ছিল না এক বছর আগে। তবে মিড েড মিল চালুর পর উপস্থিতি বেড়েছে জানালেন প্রধান শিক্ষিকা। বললেন, ‘এখানে ভাসমান শিশুরা বেশি পড়ে। তাদের জন্য এটা শুধু খাবার নয়, আরও অনেক কিছু...।’

কামতা বিদ্যালয় ছেড়ে প্রতিবেদক পথ ধরেন রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভার ৪৭ নম্বর কেন্দুয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। শিশু শিক্ষালয়টির প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মাহবুব আলমও আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, দুপুরের খাবার দেওয়ার কারণে স্কুলে উপস্থিতি বেড়েছে। এ স্কুলটিতে প্রাক প্রাথমিকের চার বছর (পাইলটিং) এবং পাঁচ বছরের শিশুরা পড়ে। ছোট প্রাকদের বেলা সাড়ে ১১টায় এবং পাঁচ বছরের প্রাকদের দুপুর ১২টায় মিড ডে মিল দেওয়া হয়। বাকি প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির টিফিন বিলিবণ্টন হয় ১টায়।

বেলা সাড়ে ১১টা বাজতেই ছোট প্রাকের খাবার বিতরণের সময় হলো। বারান্দায় তখন ২০-২২ জনের সার বেঁধে লাইনে দাঁড়ানোর ধুম। বাড়ি ফেরার তাড়া নেই বরং লোলুপ দৃষ্টি সংযত করে লাইন ধরে অপেক্ষা। শিক্ষক খাবার নেওয়ার অনুমতি দিতেই একগাল হেসে খুশির জানান দিল এসব শিশু। সিদ্ধ ডিম আর পাউরুটি। রাজকীয় ভোজের আয়োজনের নয়, কিন্তু এ খাবারের মূল্য ওই শিশুদের কাছে কোনো উৎসবের চেয়ে কম নয়।

খাবার হাতে পেয়ে ছুট দেওয়া আফরানকে আর আলাদা করে জিজ্ঞেস করতে হয়নি তার অনুভূতি। ক্লান্ত মুখটিতে হঠাৎ করে যে খুশির পরিবর্তন দেখা গেল, তাতে হার মানবে সব ভাষার শব্দভাণ্ডার। মাথা নেড়ে জানাল, রুটি দেওয়া বন্ধ হলে আর স্কুলে আসবে না সে। বলার পরেই আশপাশের সবার অট্টহাসিতে কিছুটা ভড়কে গেল আফরান।

চৌধুরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও রূপগঞ্জ উপজেলায়। তবে বেশ প্রত্যন্ত এলাকার। স্কুলটির বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই অসচ্ছল। মিড ডে মিলের খাবার শুধু এসব শিক্ষার্থীরই পেট ভরায় না, অনেকের বাড়ির লোকদেরও একবেলার খাবার বাঁচায়। ‘রুটির প্যাকেটটা বাড়িতে নিয়ে যাই। একটা মাকে দিই। আরেকটা আমি আর বাবা ভাগ করে খাই’— এভাবেই জানাল মাহি নামে এক শিশুশিক্ষার্থী। মাটির দিকে চোখ তার, গলাটা কাঁচুমাচু। কথা বলার সময় শান বাঁধানো মেঝেতে পায়ের বুড়ো আঙুল দুটি দিয়ে নিঃশব্দে আঘাত করছিল। যেন ওর গলার স্বরে প্রকাশ না পাওয়া ক্ষুধার কষ্টের মাপ ওই মেঝে অন্তত টের পায়। সিয়ামও এ স্কুলের শিক্ষার্থী। তার প্রত্যাশা সপ্তাহে একদিন স্কুলে ভাত দেবে। সঙ্গে গরুর মাংস।

স্কুলটির প্রধান শিক্ষক হরিকান্ত সরকার দীপক বলেছেন, খাবারের কারণে আগের চেয়ে উপস্থিতি বেড়েছে। বিশেষ করে কন্যাশিশুদের উপস্থিতি। মাঝেমধ্যে খাবারে টানও পড়ে। তখন রুটি ভাগ করে একটা দিতে হয়। বাচ্চারা খাবার ভাগ করে খেতে ইচ্ছুক বলেও জানালেন তিনি।

দারিদ্র্য ও ক্ষুধা প্রাথমিক শিক্ষার অন্যতম বড় বাধা। সেটি বিবেচনায় নিয়ে গত বছর সেপ্টেম্বরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয়। বর্তমানে দেশের ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি বিদ্যালয়ে প্রায় ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে এ কর্মসূচির আওতায় খাবার দেওয়া হচ্ছে। তবে সরকারের লক্ষ্য আরও অনেক বড়। শিগগিরই এ স্বপ্নের ক্যানভাস ছড়াবে পুরো বাংলাদেশে।

মিড ডে মিল আজ আর শুধু ‘ক্ষুধা মেটানোর’ কোনো গতানুগতিক সরকারি বিতরণ কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ নেই বলে মনে করছেন সমাজবিজ্ঞানীরা। এটি হয়ে উঠেছে বিদ্যালয়ে শিশুদের ধরে রাখার সবচেয়ে বড় চৌম্বক আকর্ষণ। একটু গভীরে তাকালে বোঝা যায়— এটা শুধু একবেলার খাবার নয়, বরং একটি পুরো প্রজন্মের অপুষ্টি, সামাজিক বৈষম্য আর ঝরে পড়ার আশঙ্কার বিরুদ্ধে লড়াই।

আগামী বছরের মধ্যেই দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১ কোটি ৬ লাখ শিক্ষার্থীর ঘরে ঘরে এ পুষ্টির বার্তা পৌঁছে যাবে। তেমনটাই পরিকল্পনা করেছে সরকার। দেশে বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১ লাখ ১৮ হাজারের বেশি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আগামীর সময়কে বলেছেন, দরিদ্র পরিবারের শিশুদের স্কুল থেকে ঝরে পড়া, অপুষ্টিসহ অন্য অনেক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতে পাইলটিং হিসেবে স্কুলগুলোতে কুক ফুড (রান্না করা খাবার) দেওয়ারও চিন্তা করছে সরকার।

সরকার থেকে মিড ডে মিলে যেসব খাবার দেওয়া হয় তার একটি তালিকা আছে। সারা দেশের স্কুলে একদিন একই খাবার দেওয়ার জন্যই এ তালিকা। এর মধ্যে রবি, বুধ, বৃহস্পতিবার স্কুলগুলোতে দেওয়া হয় দুটি পাউরুটি ও একটি সিদ্ধ ডিম। সোমবার দুটি পাউরুটি এবং ২০০ মিলি ইউএইচটি দুধ (আলট্রা হাই টেম্পারেচার— এই দুধ প্যাকেট খুলে সরাসরি পান করা যায়)। এ ছাড়া মঙ্গলবার দেওয়া হয় একটি কলা এবং বিশেষ পুষ্টিগুণসম্পন্ন এক প্যাকেট ফর্টিফাইড বিস্কুট।

দিন যায় কথা থাকে। কতশত খারাপের ভিড়ে অপেক্ষায় থাকে ‘ভালো কিছু’।

সাম্যের বার্তাও দিচ্ছে মিড ডে মিল। গমগম করছে শ্রেণিকক্ষ। সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্যটি দেখা যায় খাবার খাওয়ার সময়। ধনী-দরিদ্র, ধর্মীয়-সামাজিক পরিচয়ের কোনো দেয়াল থাকে না তখন। একই সারি, একই খাবার— সব শিশুকে এক সুতোয় বেঁধে ফেলে। শৈশব থেকেই সামাজিক সহমর্মিতা, ভেদাভেদহীন মনোভাব এবং সৌহার্দ্য গড়ে তোলার মানসিকতার শিক্ষা এখান থেকেই তৈরি হচ্ছে শিশুরা।

প্রতিবেদকের কানে ভাসে কামতা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কথা— এ শুধু খাবার নয়, আরও অনেক কিছু...

নারায়ণগঞ্জক্লাসরুম
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

    চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

    হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভারতের

    হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভারতের

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    মা হারানো ছেলেটি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে

    মা হারানো ছেলেটি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    বেকারদের ‘শেষ আশ্রয়েও’ ভেরিফিকেশন বাধা, হতাশায় হাজারো তরুণ

    বেকারদের ‘শেষ আশ্রয়েও’ ভেরিফিকেশন বাধা, হতাশায় হাজারো তরুণ

    মাধবপুরে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার, বৈষম্যবিরোধী মামলায় কারাগারে

    মাধবপুরে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার, বৈষম্যবিরোধী মামলায় কারাগারে

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়

    শেয়ার পার্কিং সফটওয়্যারে কারসাজি

    শেয়ার পার্কিং সফটওয়্যারে কারসাজি

    আমার শরীরে ৭০-৮০টি ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে : গাজী সালাউদ্দিন

    আমার শরীরে ৭০-৮০টি ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে : গাজী সালাউদ্দিন

    বিশ্বযুদ্ধের ছাই থেকে যেভাবে জাতিসংঘের জন্ম

    বিশ্বযুদ্ধের ছাই থেকে যেভাবে জাতিসংঘের জন্ম

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি করছে সরকার, অভিযোগ নাহিদের

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি করছে সরকার, অভিযোগ নাহিদের

    বরিশাল নগরীতে বালু সরবরাহের পাইপ অপসারণের নির্দেশ

    বরিশাল নগরীতে বালু সরবরাহের পাইপ অপসারণের নির্দেশ