সব শ্রেণি-পেশার নাগরিককে পেনশনের আওতায় আনার নির্দেশনা অর্থ সচিবের

সংগৃহীত ছবি
টেকসই সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলা সময়ের দাবি। একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের সব শ্রেণি-পেশার নাগরিককে আনতে হবে পেনশন কাঠামোর আওতায়।
সম্প্রতি জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব কথা বলছিলেন অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।
এ সময় অর্থ সচিব আশা প্রকাশ করছিলেন, ১৮ বছরের বেশি বয়সী জনগোষ্ঠীকে সর্বজনীন পেনশন স্কিম যেমন: প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতায় অন্তর্ভুক্ত করা গেলে প্রতিষ্ঠিত হবে সুসংগঠিত সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা। এ বিষয়ে প্রচার কার্যক্রম জোরদার, সভা, সেমিনার আর ওয়ার্কশপ আয়োজনে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনাও দিচ্ছিলেন তিনি।
এ ছাড়া কার্যকর যোগাযোগ কৌশল তৈরির প্রয়োজনীয়তাও উল্লেখ করছিলেন মো. খায়েরুজ্জামান। পাশাপাশি দিচ্ছিলেন অর্থ বিভাগ থেকে সহযোগিতার আশ্বাসও।
‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম’ বাস্তবায়নে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জসমূহ চিহ্নিতকরণ এবং নিরসনের লক্ষ্যে আয়োজিত হয় এ কর্মশালাটি। আলোচিত হয় বিভিন্ন স্কিমসমূহ, স্কিমের যৌক্তিকতা, বৈশিষ্ট্য, বিনিয়োগ ও নিবন্ধন তথ্য, চ্যালেঞ্জসমূহ আগামী দুই মাসের কর্মপরিকল্পনা, বিধিমালা সংশোধনসহ বিভিন্ন বিষয়।
অনুষ্ঠানে কম আয়ের জনগোষ্ঠীকে পেনশন স্কিমে যুক্ত করার প্রতি গুরুত্বারোপ করছিলেন অংশগ্রহণকারীরা। এ লক্ষ্যে দেশ-বিদেশে সরকারি অফিস এবং মিশনগুলোকে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার তাগিদও দিচ্ছিলেন অনেকে। পেনশন স্কিমগুলো আরও জনবান্ধব করতে প্রয়োজনীয় বিধি সংশোধনের সুপারিশও দিচ্ছিলেন কেউ কেউ।
জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব দিলরুবা শাহীনা, যুগ্ম সচিব ড. মো. ফেরদৌস আলম, শরীফ নজরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এতে আলোচক ছিলেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য শেখ কামরুল হাসান এবং মহাব্যবস্থাপক ড. মো. আশরাফুজ্জামান।




