হয়তো

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
চন্দ্র। পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ এবং সৌরজগতের পঞ্চম বৃহত্তম চাঁদ। গল্প, কবিতা বা গান— এই চাঁদকে নিয়ে মানুষ রচনা করেছে হাজারো সৃজনশীল লেখা। শুধু সাহিত্যিকদেরই নয়; গবেষক, মহাকাশচারীসহ সবারই অনেক পছন্দের এই চন্দ্র। এতটাই যে ২১৭০ সালে চাঁদের ভূপৃষ্টের পাশাপাশি মানবজাতি আবাসন গড়বে এই প্রাকৃতিক উপগ্রহের ভূগর্ভস্থেও! আজ থেকে ১৪৪ বছর পর বাড়ি খুঁজতে বের হয়ে মানুষ আর ‘লেক ভিউ’ বাড়ি খুঁজবে না, হয়তো তারা চাঁদের নিচে খুঁজবে পছন্দের ‘মুনভিউ’ অ্যাপার্টমেন্ট। ভিন্নধর্মী, মজার এমন পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎভিত্তিক ওয়েবসাইট ফিউচার টাইমলাইন। সেখানে আসছে বছরগুলোর ভবিষ্যৎদ্বাণী দিয়ে থাকেন একই দেশের ভবিষ্যৎবিদ জেমস ফক্স।
২১৭০ সালে পৃথিবীর বিষাক্ত বায়ু, রেডিয়েশন এবং উচ্চ তাপমাত্রা থেকে সুরক্ষা পেতেই মূলত বসবাসের জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠবে চাঁদের ভূগর্ভস্থল। সেখানে মানুষের বেঁচে থাকার উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলায় ব্যবহার হবে ‘স্কাইলাইট’। এটি এমন একটি শক্ত বাইরের আবরণ, যেটি প্রাকৃতিক প্রবেশপথগুলো বন্ধ হয়ে সৃষ্টি করে সুরক্ষার একটি স্তর। এর মাধ্যমে বায়ুর চাপযুক্ত ও শ্বাস-প্রশ্বাসের উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলা অনেকটাই সম্ভব। একটি নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি, চাঁদের নিচের এই গভীর স্তরগুলো থেকে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় সম্পদ আহরণ করা সম্ভব। ভবিষ্যতে বাড়তে থাকবে চাঁদের ভূগর্ভস্থে বসতিগুলোর সংখ্যা। খাদ্য, পানি, অক্সিজেন উৎপাদন ও মানুষের বেঁচে থাকা এবং বসবাসের জন্য অতি প্রয়োজনীয় উপাদান নিয়ে গড়ে ওঠা প্রাথমিক বসতিগুলো ধীরে ধীরে রূপান্তরিত হবে নিজস্ব সংস্কৃতি ও পরিচিতি-সমৃদ্ধ শহরে। ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবী থেকে দূরে জীবনযাপন এবং একটি নতুন সমাজ গঠনের আশায় চাঁদ ক্রমশ বেশিসংখ্যক বাসিন্দাকে আকৃষ্ট করতে শুরু করবে।



