দেখা যাক

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
আমার দেশ, পরদেশি কালচার বা অন্য দেশের সংস্কৃতি বলে কিছু থাকবে না ভবিষ্যৎ পৃথিবীর শিশুদের! সকালের নাশতায় খাবে এক দেশের খাবার। স্কুলে শিখবে অন্য দেশের ইতিহাস। আর গান, বিনোদন জগৎ অনুসরণ করবে আরেক দেশের। পুরো বিশ্ব হবে তার দেশ। সে হবে সব দেশের নাগরিক। ঠিক গ্রিক দার্শনিক ডাইওজিন্সের সেই, ‘আমি কোনো এথেনীয় বা গ্রিক নই, বরং বিশ্বের একজন নাগরিক’— উক্তির মতোই। যেটি গ্লোকালাইজেশন হিসেবেও পরিচিত, যা এমন একটি কৌশল যেখানে বৈশ্বিক ধারণা, সংস্কৃতি স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া হয়। অর্থাৎ প্রতিটি সংস্কৃতির একটি মিশ্রণ ঘটে। ইন্টারনেট এবং অভিবাসনের কারণে বর্তমানে বিশ্বের অনেক জায়গায় কিছুটা মিশ্রিত সংস্কৃতি দেখা যায়। ২০৫০ সালের পুরো পৃথিবী যে একক সংস্কৃতি এবং মনোভাব ধারণ করবে— ২০২৫ সালে সে পূর্বাভাসই দিয়েছেন ভারতের নৃবিজ্ঞানী সুজয় রাও মান্ডাভিলি যুক্তরাষ্ট্রের জার্নাল এসএসআরের এক গবেষণাপত্রে।
২০৫০ সালের পৃথিবী নিয়ে মান্ডাভিলি বেশ কিছু পূর্বাভাস দিয়েছেন। সেগুলোর মধ্যে একটু ভিন্নধর্মী ভবিষ্যতে রয়েছে সব দেশের সংস্কৃতির মিশ্রণ। বিশ্ব জুড়ে শান্তি স্থাপন এবং নিওসেন্ট্রিজম (সুনির্দিষ্টভাবে একটি মাত্র রাজনৈতিক বা দার্শনিক তত্ত্ব) প্রতিষ্ঠা। তার মতে পুরনো মতাদর্শগুলো ধীরে ধীরে বিদায় নেবে। এর মধ্যে বামপন্থী ও ডানপন্থী, উভয় ধরনের মতাদর্শই অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বিশ্ব জুড়ে গড়ে শিক্ষার হার বৃদ্ধি এবং অনেকেই উচ্চশিক্ষায় বেশি গুরুত্ব দেওয়ায় এমনটা হবে বলে ধারণা মান্ডাভিলির।




