কৃত্রিম ডিমে আসল ছানা...

জুল ভার্ন, এইচ জি ওয়েলস কিংবা আইজ্যাক আসিমভের কল্পনার কোনো গল্প নয়। নয় আর্থার সি ক্লার্কের তুমুল পাঠকপ্রিয় কোনো কল্পকাহিনি। বিজ্ঞানের উৎকর্ষের এ যুগে শতভাগ বৈজ্ঞানিক কিছু কাজও মনে হয় কল্পকথার মতো। কৃত্রিম ডিম থেকে ছানা ফোটার ঘটনা তেমনই কল্পকথার মতো এক বৈজ্ঞানিক সত্য ঘটনা।
অডিটি সেন্ট্রাল নামের সংবাদমাধ্যমে সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে কল্পকাহিনির মতো সেই বৈজ্ঞানিক সফলতার গল্প।
যুক্তরাষ্ট্রের ‘কলোসাল বায়োসায়েন্স’ নামে একটি বায়োটেক প্রতিষ্ঠানের দাবি, তারা এমন একটি ‘কৃত্রিম ডিম’ তৈরি করেছে, যা কি না বিলুপ্ত পাখিকেও পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার পথ খুলে দিতে পারে। এরই মধ্যে প্রযুক্তিটি নিয়ে শুরু হয়েছে বেশ আলোচনা।
অডিটি সেন্ট্রাল বলছে, কলোসাল বায়োসায়েন্সের অন্যতম বড় লক্ষ্য হলো নিউজিল্যান্ডের বিলুপ্ত বিশালাকৃতির পাখি সাউথ আইল্যান্ড জায়ান্ট মোয়াকে ফিরিয়ে আনা। প্রায় ৩ মিটার লম্বা এই পাখিটি বিলুপ্ত হয় চতুর্দশ শতকে।
মজার বিষয় হলো, কৃত্রিম ডিমটি দেখতে অনেকটা সাধারণ প্লাস্টিকের কাপের মতো। তবে ভেতরের প্রযুক্তিই অসাধারণ করে তুলেছে একে। ডিমটির ভেতরে রয়েছে বিশেষ ধরনের সিলিকন মেমব্রেন বা পাতলা আবরণ, যা প্রাকৃতিক ডিমের খোলসের মতো অক্সিজেন প্রবেশ করতে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে ভ্রূণ।




