হয়তো

‘আরব্য রজনী’র সেই ‘আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ’ এখন মানুষের হাতে— প্রযুক্তি। তখন এক ঘষাতেই হাজির হতো বিরাট চেহারার ‘সব সম্ভব’-এর দৈত্য। এখন তা এক তুড়িতেই করে দেখায় বিজ্ঞানের আধুনিক প্রযুক্তি। বিস্ময়কর সে ‘বিজ্ঞান দৈত্য’ই নাকি ভবিষ্যদ্বাণী করেছে— আসছে ৫০ বছর পর মরুভূমি হবে পৃথিবী! প্রযুক্তির সে জাদুকরী আয়নায় ভেসে উঠেছে— কেমন হবে ২০৭০ সালের পরের পৃথিবীর চেহারা! জলবায়ুর হাল! উদ্ভাবন করেছে তা যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাইমেট সেন্টার। দেশটির ‘প্রোসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস’ জার্নালের এক গবেষণায় ২০২০ সালেই তা তুলে ধরেছে ক্লাইমেট সেন্টার। স্মার্টফোনে মানুষের থুড়থুড়ে বুড়ো বয়সের চেহারা তৈরির অ্যাপ থেকে এ ধারণা পায় সংস্থাটি। ২০২৪ সালে এ নিয়ে এক প্রতিবেদনও প্রকাশ করে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি। সেখানে বলা হয়, ‘২০৭০ সালে অসহনীয় হারে বৃদ্ধি পাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা। গোটা বিশ্ব তখন পরিণত হবে সাহারা মরুভূমিতে।’ আরও বলা হয়, প্রায় ৩৫ লাখ মানুষ বসবাস করবে গড়ে ৮০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছানো তাপমাত্রায়! তবে এখন থেকে পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম শুরু করলে অনেকটা কমিয়ে আনা যাবে ক্ষতি।
প্রযুক্তিটি ব্যবহার করে পৃথিবীর দুই ধরনের ভবিষ্যৎ যাচাই-বাছাই করেছে ক্লাইমেট সেন্টার।
তাপমাত্রার ক্রমবর্ধমান গতির সঙ্গে তাল রেখে ও গবেষণা ফুটেজে দেখা গেছে, ৫০ বছর পর পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়েছে গড়ে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পুড়ে খাক হয়ে গেছে সবুজ বনভূমি। আরেক ছবিতে দেখা গেছে, তাপমাত্রা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। দ্বিতীয় এই ফুটেজটি ছিল উষ্ণায়ন হ্রাসের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে। যদি এখন থেকে কাজ শুরু করে মানুষ, তাহলে এমন পৃথিবী হবে ২০৭০ সালে।




