চট্টগ্রাম বন্দর
জরুরি সহায়তা চান ব্যবসায়ীরা

চট্টগ্রাম বন্দর। ছবি: সংগৃহীত
বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বন্দর সুরক্ষিত এলাকায় থাকা ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের দায় নির্ধারণ করে ক্ষতিপূরণ চাইল ব্যবসায়ীদের শীর্ষ চার সংগঠন। জলাবদ্ধতার কারণে দীর্ঘসময় আটকে থাকা পণ্যের বিভিন্ন ধরনের মাশুল মওকুফ চেয়েছে তারা। একই সঙ্গে অ্যাক্ট অব গডের অজুহাতে চট্টগ্রাম বন্দর ক্ষতিপূরণ দাবির আবেদন প্রত্যাখ্যান করে যে ভাষায় বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে, তার কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে।
এসব বিষয়ে দ্রুত প্রতিকার চেয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে চিঠি দিয়েছে সংগঠনগুলো। তাতে স্বাক্ষর করেছেন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, নিটওয়্যারস ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, টেক্সটাইলস মিলগুলোর সংগঠন বিটিএমইএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল ও চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক।
চিঠিটির অনুলিপি অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
‘বৃষ্টিতে আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ক্ষতি; দায় এড়াতে চায় বন্দর, ব্যবহারকারীদের অসন্তোষ’ শীর্ষক প্রতিবেদন গত শনিবার আগামীর সময় অনলাইন এবং গতকাল রবিবার ছাপা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এরপরই ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো এমন বিবৃতি দিল। যৌথ স্বাক্ষরিত চিঠিতে সংগঠনগুলো বলেছে, অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণে বন্দরের ভেতর পণ্যের ক্ষতি হয়ে থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায় নির্ধারণ করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় চট্টগ্রাম বন্দরের প্রতি ব্যবহারকারীদের আস্থা ক্ষুণ্ন হবে।
সংকট উত্তরণে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর ৯ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বন্দরসহ সড়ক ও রেল যোগাযোগ সচল করে আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহনে অগ্রাধিকার দেওয়া। প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে একটি বিশেষ মূল্যায়ন কমিটি গঠন। এ ছাড়া বন্দরে আটকে থাকা কনটেইনার ও পণ্যের আর্থিক ক্ষতিপূরণ, পোর্ট রেন্ট, স্টোরেজ চার্জ সম্পূর্ণ বা আংশিক মওকুফ করাসহ নতুন চার্জ স্থগিত রাখা। জরুরি ও পচনশীল পণ্যের দ্রুত খালাসে বিশেষ ফাস্ট ট্র্যাক ব্যবস্থা চালু।




