স্বপ্ন সাহস আর সৃষ্টির নাম নুরুল ইসলাম বাবুল
আগামীর সময় প্রতিবেদন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
১৯৭৪ সালে একটিমাত্র বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানা দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল যমুনা গ্রুপের। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে দূরদর্শী বিনিয়োগ, অদম্য সাহস আর বৈচিত্র্যকরণ নীতির মাধ্যমে সেই গ্রুপ আজ রূপ নিয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম এবং শক্তিশালী বহুমুখী শিল্প গ্রুপে
প্রোফাইল
- নাম: মো. নুরুল ইসলাম বাবুল
- পরিচয়: বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।
- জীবনকাল: ৩ মে ১৯৪৬ – ১৩ জুলাই ২০২০।
- জন্মস্থান: কামালখোলা, নবাবগঞ্জ, ঢাকা।
- বিশেষত্ব: ১৯৭১ সালের ‘ক্র্যাক প্লাটুন’ বা গেরিলা স্বাধীনতা যুদ্ধের সম্মুখ সমরের যোদ্ধা এবং দেশের আমদানিবিকল্প শিল্পায়নের রূপকার।
সংখ্যায় যমুনা গ্রুপ
- ৪২টি - বড় ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান।
- ৫০,০০০+ - সরাসরি কর্মরত জনবল (কর্মসংস্থান)।
- লাখ লাখ - পরোক্ষ সুবিধাভোগী (সাপ্লাই চেইন ও রিটেল)।
- ৪ দশক - দেশের শিল্প খাতে সরাসরি অবদানের সময়কাল।
শিল্পায়নের মাইলফলক: টাইমলাইন
- ১৯৭১
বীরত্বের সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ (গেরিলা যোদ্ধা)। - ১৯৭৪
যমুনা গ্রুপের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু। - ১৯৭৫
‘যমুনা ইলেকট্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমদানি বিকল্প শিল্পের সূচনা। - ১৯৮০-র
দশক
আবাসন, প্রকৌশল ও কেবলস খাতে ব্যবসার সম্প্রসারণ। - ১৯৯০-র
দশক
শামীম স্পিনিং ও যমুনা নিটিং প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতে বড় বিপ্লব। - ১৯৯৯
মুক্ত গণমাধ্যমের স্বার্থে জাতীয় দৈনিক ‘যুগান্তর’ প্রকাশ। - ২০০০-এর
দশক
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম শপিং মল ‘যমুনা ফিউচার পার্ক’, ‘যমুনা টেলিভিশন’, ‘যমুনা ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড অটোমোবাইলস’ এবং ‘যমুনা পেপার মিলস’-এর সফল যাত্রা।
প্রধান খাতসমূহ
টেক্সটাইল ও পোশাক
- শামীম স্পিনিং, শামীম কম্পোজিট, যমুনা নিটিং (রপ্তানি খাত)
ভারী ও ভোক্তা ইলেক্ট্রনিকস
- যমুনা রেফ্রিজারেটর, এসি, টিভি ও মোটরসাইকেল (আমদানি সাশ্রয়)
আবাসন ও মেগা প্রজেস্ট
- যমুনা ফিউচার পার্ক ও যমুনা বিল্ডার্স
গণমাধ্যম ও শিক্ষা
- দৈনিক যুগান্তর, যমুনা টেলিভিশন এবং যমুনা ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি
অন্যান্য
- কেমিক্যাল, লেদার, বেভারেজ, কসমেটিকস ও টয়লেট্রিজ




