Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় মানুষের পাশে সরোয়ার
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় টো টো কোম্পানি

শরৎকে খুঁজতে গিয়ে

রওনক ফেরদৌস রাকা
agamir somoy
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৪৫
শরৎকে খুঁজতে গিয়ে

আফতাবনগরে কাশফুলের রাজ্যে

আমরা যারা শহরে থাকি, ঋতু বদলের খবর অনেক সময় প্রকৃতির চেয়ে ক্যালেন্ডার আর সোশ্যাল মিডিয়ার নিউজফিডেই যেন আগে পাই। তবু প্রতিটি ঋতুকে একটু কাছ থেকে ছুঁয়ে দেখার, নিজের মতো করে উপভোগ করার একটা চেষ্টা আমাদের থাকেই। কারণ জীবনে আনন্দ পাওয়ার উপকরণ খুব বেশি নয়। তাই ছোট ছোট উপলক্ষগুলোকে আনন্দে পরিণত করে নেওয়াটাও একধরনের বেঁচে থাকা।
আমি চেষ্টা করি, বছরের প্রথম দিন থেকে বর্ষার প্রথম বৃষ্টি—সবকিছুই একটু আলাদা করে উপভোগ করার। বর্ষার পর যখন শরৎ আসে, তখন সেই চেষ্টাটা যেন আরও সহজ হয়ে যায়।
আমার চোখে শরৎ খুব নরম একটা ঋতু। কড়া রোদ নেই, আকাশটা স্বচ্ছ, বাতাসে একটা হালকা কোমলতা। আর শরতের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ—কাশফুল। শহরের মানুষ হিসেবে চলতে ফিরতে কাশফুল দেখার সুযোগ আমাদের খুব একটা হয় না। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে শরৎ এলেই নিউজফিড ভরে যায় সাদা সাদা কাশের ঢেউয়ে। আর সেই ছবি দেখতে দেখতে একসময় মনে হয়—ছবিতে নয়, এবার সামনে থেকে দেখি।
এমন ইচ্ছে আর বন্ধুদের সঙ্গে প্ল্যান অনেকবার হয়েছে। শেষ পর্যন্ত বহুমাত্রিক বন্ধুরাই যোগ দিল এ যাত্রায়। মানুষের ভীড় এড়াতে ছুটির দিন প্লান করিনি। প্রতি দিনের মত সেদিন সকালে অফিস। পড়লাম আমার ভীষণ পছন্দের এক শাড়ি। কিন্তু কাজের ফাঁকে ফাঁকে মনটা যেন অন্য কোথাও। কখন অফিস শেষ হবে, কখন বের হব, কখন সেই কাশফুলের শুভ্রতায় নয়ন জুড়াবো।
অবশেষে অফিস শেষ হলো। মহাখালী থেকে রওনা দিলাম আফতাবনগরের উদ্দেশে। আমাদের গন্তব্য—আফতাবনগরের সান ভ্যালি। সেখানে পৌঁছে আমার সঙ্গে দেখা হলো আমার শাহিন কাকার। অনেকদিন পর দেখা। এরপর ধীরে ধীরে আমাদের দলের অন্যরাও এসে জড়ো হতে শুরু করল।


প্রথমে এলো আমাদের শিমুল ভাই আর ইমরান। কিছুক্ষণ পর যোগ দিল পরী এবং মনিরা আপু। তবে তখনও একজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষ অনুপস্থিত—আমাদের ফটোগ্রাফার নিবির। আমরা অপেক্ষা করছি, আর এদিকে সূর্য ধীরে ধীরে পশ্চিমে হেলে পড়ছে। মনে হচ্ছিল, যেন নিবির না এলে আমাদের গল্পটাই শুরু হচ্ছে না!
অবশেষে অনেকক্ষণ পর নিবির এসে হাজির। তারপর আর দেরি নয়। আমরা রিকশায় চেপে আফতাবনগরের ভেতরে, সান ভ্যালির দিকে এগিয়ে গেলাম। আর কিছুদূর যেতেই হঠাৎ মনে হলো—এই তো, শরৎ!
দুই পাশে উঁচু উঁচু কাশফুল। মাঝখান দিয়ে পাকা রাস্তা। শহরের ভেতর, আবাসিক এলাকার রাস্তা—আর তার দুপাশে এত বিশাল কাশবন, সত্যি ভাবনার বাহিরে। প্রায় বছর তিনেক পর চোখে পড়ল এত্ত বড় কাশফুলের ঝাড়।
কাশফুলের ঝাড় এর ফাঁকে একটা ছোট্ট উঁচু ঘরের মতো কাঠামো নজর কাড়ল। দূর থেকে দেখে মনে হচ্ছিল, একটা ছোট্ট মাচা। আমার ভীষণ ইচ্ছে হচ্ছিল সেখানে উঠে বসার। কিন্তু কাদা, পানি আর পোকামাকড়—সব মিলিয়ে শেষ পর্যন্ত আর যাওয়ার সাহস হলো না। কিছু কিছু ইচ্ছে অপূর্ণ থাকলেই হয়তো পরে আবার সেখানে যাওয়ার একটা কারণ তৈরি হয়।
আর একটু এগিয়ে আমরা পৌঁছালাম একটা গোলচক্করের মতো জায়গায়। সেখান থেকে যতদূর চোখ যায়, শুধু কাশফুল আর কাশফুল। নিজের মতো একটু ঘুরে বেড়ানো, ছবি তোলা আর মুহূর্ত উপভোগ করার জন্য বেশ আরামদায়ক একটা পরিবেশ।
আমরা ঘুরলাম, গল্প করলাম, টুকটাক ছবি তুললাম। তারপর এল দিনের সবচেয়ে সুন্দর সময়—সূর্যাস্ত। চারপাশে কাশফুল, দূরে নরম হয়ে আসা আলো, আর দিনের শেষ রোদটাও যেন ধীরে ধীরে মিশে যাচ্ছে সন্ধ্যার সঙ্গে। কোথাও চায়ের দোকানে মানুষ চা খাচ্ছে। কোথাও ঘোড়া দাঁড়িয়ে আছে। দুজনকে ঘোড়ায় চড়তেও দেখলাম।
ঘোড়া দেখেই হঠাৎ আমার মনে পড়ে গেল সুনামগঞ্জের শিমুল বাগানের কথা। কিছুদিন আগেই সেখানে গিয়ে ঘোড়ায় চড়েছিলাম। মনে হলো, একটা জায়গা কখনো কখনো অন্য একটা জায়গার স্মৃতির দরজা খুলে দেয়।
সেদিনের সূর্যাস্তের আলোয় নিবির আমার কয়েকটা ছোট্ট ছবি তুলে দিল—আলো আর ছায়ার খেলা। খুব সাধারণ কিছু মুহূর্ত। কিন্তু ছবিগুলো আমার এতটাই ভালো লেগে গেল যে মনে হলো, এই ছোট্ট ভ্রমণের স্মৃতিটা হয়তো ছবির মধ্যেই থেকে যাবে।
এরপর আমাদের ফেরার পালা। তখন আমাদের সঙ্গে যোগ দিল আরও তিনজন—খেয়া, আপসানা আপু আর সোহান ভাইয়া। হঠাৎ করে দলটা আবার একটু বড় হয়ে গেল। সবাই মিলে একসঙ্গে ফিরতে ফিরতে গল্প, হাসাহাসি—সব মিলিয়ে ফেরার পথটাও নিজের মতো একটা সময় হয়ে উঠল।
পথে আমরা একসঙ্গে চা খেলাম। শরতের সন্ধ্যায় কাশবন ঘুরে ফেরার পর এক কাপ চায়ের যে আলাদা একটা স্বাদ থাকে, সেটা হয়তো শুধু চা দিয়ে বোঝানো যায় না। তার সঙ্গে মিশে থাকে সারাদিনের ঘোরাঘুরি, বন্ধুদের গল্প আর একটা সুন্দর দিনের ক্লান্তি। চা খাওয়ার পর আপসানা আপু আর সোহান ভাইয়া সেখান থেকেই বিদায় নিলেন। বাকিরা আবার নিজেদের মতো করে এগিয়ে এলাম আফতাবনগরের দিকে।
আফতাবনগরে এসে আবার শুরু হলো আমাদের নিজেদের গল্প। কে কোথায় যাবে, কে কীভাবে ফিরবে—এসবের মাঝেই কথায় কথায় সামনে চলে এল নতুন নতুন পরিকল্পনা। একটা ভ্রমণ শেষ হতে না হতেই আরেকটা ভ্রমণের আভাস। একটা আড্ডা শেষ হতে না হতেই আরেকটা আড্ডার পরিকল্পনা। এটাই আমাদের সবচেয়ে পরিচিত অভ্যাস।
আমরা কোথাও ঘুরতে যাই, ফিরে আসি, তারপর সেই ভ্রমণ শেষ হওয়ার আগেই পরের ভ্রমণের প্ল্যান শুরু হয়ে যায়। তবে সেদিনের একটা আফসোস থেকেই গেল—ছবি নিয়ে। আমরা কেউই সেদিনের ছবিগুলো নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারিনি। আমরা ভালোবাসি ছবি তুলতে, ঘুরতে, মুহূর্তকে ধরে রাখতে। এমন কিছু ছবি চাই, যেগুলো বহুদিন পর দেখলেও মনে হবে—“এই দিনটার কথা মনে আছে?” তাই আমাদের অল্পতে মন ভরল না।
সিদ্ধান্ত হলো—কাশফুলের বাড়িতে আবার যাব। আরও সময় নিয়ে। আরও সুন্দর করে। শুধু ছবি তোলার জন্য নয়, এই শরৎটাকে একটু ভালো করে ধারণ করার জন্য। হয়তো পরেরবার আলোটা আরও সুন্দর হবে। হয়তো আকাশটা আরও নীল থাকবে। হয়তো ছবিগুলোও মনের মতো হবে। অথবা হয়তো আবারও কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটবে, আর সেই ঘটনাটাই হয়ে উঠবে গল্পের সবচেয়ে সুন্দর অংশ।
কারণ আমরা হয়তোবা শুধু ঘুরতে যাই না। আমরা যাই—আরেকটা গল্প তৈরি করতে। আর সেই গল্পের শেষ কোথায়, সেটা আমরা আগে থেকে জানি না।

শুধু জানি, কাশফুল যতদিন আছে, শরৎ যতদিন নরম হয়ে আমাদের পাশে আছে—ততদিন যে কোনো সময় মন চাইলে আবার যাওয়া যায়। আবার দেখা যায় সাদা কাশের ঢেউ। আবার সূর্যাস্ত দেখা যায়। আবার বন্ধুদের সঙ্গে বসে চা খাওয়া যায়।
আর আবার বলা যায়—“চলো, আরেকবার যাই।”

ভ্রমণআফতাব নগরকাশফুল
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বিদায় নেবেন কর্মীরা, ৩৭০ বিষধর সাপের কী হবে

    বিদায় নেবেন কর্মীরা, ৩৭০ বিষধর সাপের কী হবে

    কোন দেশের আপত্তিতে আটকাল রূপপুরের জ্বালানি

    কোন দেশের আপত্তিতে আটকাল রূপপুরের জ্বালানি

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    সিটি নির্বাচনে জামায়াতের ১৩ প্রার্থী চূড়ান্ত, কে কোথায়

    সিটি নির্বাচনে জামায়াতের ১৩ প্রার্থী চূড়ান্ত, কে কোথায়

    চাকরি আজ আছে কাল নেই, ৭ কোটি বেসরকারির ঝুঁকির জীবন

    চাকরি আজ আছে কাল নেই, ৭ কোটি বেসরকারির ঝুঁকির জীবন

    প্রশাসকরাই পাচ্ছেন বিএনপির সবুজ সংকেত

    প্রশাসকরাই পাচ্ছেন বিএনপির সবুজ সংকেত

    দুই কিডনি ছিল অকেজো, মায়ের স্বপ্ন পূরণে মৃত্যুকে হারিয়ে জজ হলেন তাইজুল

    দুই কিডনি ছিল অকেজো, মায়ের স্বপ্ন পূরণে মৃত্যুকে হারিয়ে জজ হলেন তাইজুল

    কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পঞ্চগড়ে

    কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পঞ্চগড়ে

    সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর

    সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর

    বান্দরবানের ৪ প্রধান পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ ফ্রি

    বান্দরবানের ৪ প্রধান পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ ফ্রি

    তাদের জন্মই হয়নি তবু জন্মনিবন্ধন, মৃত্যুসনদ

    তাদের জন্মই হয়নি তবু জন্মনিবন্ধন, মৃত্যুসনদ

    জাসদ কার্যালয় থেকে সাংবাদিক নেতা আবু জাফর সূর্যসহ আটক অর্ধশতাধিক

    জাসদ কার্যালয় থেকে সাংবাদিক নেতা আবু জাফর সূর্যসহ আটক অর্ধশতাধিক

    বরিশালে নাশকতার বৈঠকের অভিযোগে আ.লীগের ১২ নেতাকর্মী আটক

    বরিশালে নাশকতার বৈঠকের অভিযোগে আ.লীগের ১২ নেতাকর্মী আটক

    মধ্যরাতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, মামলা বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

    মধ্যরাতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, মামলা বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

    পুলিশে ‘ফ্যাসিবাদের’ চর, কড়া হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    পুলিশে ‘ফ্যাসিবাদের’ চর, কড়া হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর