আসছে ‘ফিউচারমেকার্স ২০২৬’

দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) আইডিয়া প্রতিযোগিতা ‘ফিউচারমেকার্স’-এর দ্বিতীয় সংস্করণ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে। ‘সামাজিক কল্যাণে এআই’ প্রতিপাদ্য নিয়ে এ বছর স্টেম ও নন-স্টেম উভয় খাতের সব অ্যাকাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন।
তরুণদের দায়িত্বশীল ও সৃজনশীলভাবে এআই ব্যবহার করে সমাজ ও সম্প্রদায়ের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার নতুন সমাধান খুঁজে বের করতে উৎসাহিত করতেই মূলত এ আয়োজন।
ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও মানসিক সুস্থতা, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ, লিঙ্গ সমতা ও অন্তর্ভুক্তি, পরিবেশের ভারসাম্য ও জলবায়ু মোকাবিলা এবং নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও তথ্যের গোপনীয়তা— এ ছয়টি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে অভিনব আইডিয়া আহ্বান করা হয়েছে। নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীরা ব্যক্তিগতভাবে অথবা সর্বনিম্ন এক থেকে সর্বোচ্চ তিনজন সদস্যের একটি দল গঠন করে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত নিবন্ধনের সুযোগ রয়েছে।
এবারের প্রতিযোগিতায় জমা করা আইডিয়াগুলো মূল্যায়নের জন্য বিভিন্ন শিল্প খাত, প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপ এবং গ্রামীণফোনের অভিজ্ঞ প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ বিচারক প্যানেল গঠন করা হয়েছে। নির্ধারিত নিয়মাবলি মেনে সময়সীমার মধ্যে নিজেদের উদ্ভাবনী প্রস্তাবনা জমা দিয়ে শিক্ষার্থীরা এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
নির্বাচিতরা পরবর্তী ধাপে কনসেপ্ট পিচ এবং পরামর্শক-নির্দেশিত ‘ইগনিশন চেম্বার’-এ অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন, যেখানে তারা ধারণাগুলো আরও পরিমার্জিত করতে পারবেন। পরে চূড়ান্ত পর্বে গালা অনুষ্ঠানে তারা উদ্ভাবনী সমাধান উপস্থাপন করবেন এবং প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা অর্থ পুরস্কারের পাশাপাশি গ্রামীণফোনের ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রামগুলোয় অংশগ্রহণে অগ্রাধিকার পাবেন।
প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে গ্রামীণফোনের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার (সিএইচআরও) সৈয়দা তাহিয়া হোসেন বললেন, ‘‘এআই যেভাবে আমাদের শেখা, সৃষ্টি, উদ্ভাবন এবং সমস্যা সমাধানের পদ্ধতিকে ক্রমেই পরিবর্তন করছে, তাতে এ প্রযুক্তিকে বুঝে কার্যকরভাবে ব্যবহার করার সক্ষমতা আজকের ডিজিটাল অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফিউচারমেকার্স এবং এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সামাজিক কল্যাণে এআই’-এর মাধ্যমে আমরা তরুণদের শুধু এআই ব্যবহারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে, বাস্তব সমস্যার সমাধান ও ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে কীভাবে দায়িত্বশীলভাবে এটি প্রয়োগ করা যায়, তা খুঁজে বের করতে অনুপ্রাণিত করতে চাই।”





