আমিরাতে অ্যাওয়ার্ড পেল ফান্ডেডনেক্সট

সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রোপ্রাইটারি ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান ‘ফান্ডেডনেক্সট’ লাভ করেছে মর্যাদাপূর্ণ ‘বেস্ট ফিনটেক ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড’। ব্যবসায়িক সাময়িকী যুক্তরাষ্ট্রের ‘এন্টারপ্রেনার’ ম্যাগাজিনের আঞ্চলিক ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘এন্টারপ্রেনিয়ার মিডল ইস্ট’ এই পুরস্কার প্রদান করেছে।
দুবাইয়ের আল হাবতুর প্যালেসে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে ফান্ডেডনেক্সটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সৈয়দ আবদুল্লাহ জায়েদ এই সম্মাননা গ্রহণ করেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির চিফ প্রোডাক্ট অ্যান্ড গ্রোথ অফিসার ডানা ম্যাসি ও চিফ লিগ্যাল অফিসার আনাক্লদিয়া ফিলাদোরোসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পুরস্কার গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় সিইও সৈয়দ আবদুল্লাহ জায়েদ বলেন, ‘বিশ্ব জুড়ে বহু দক্ষ ট্রেডার থাকলেও প্রয়োজনীয় মূলধনের অভাবে আমরা নিজেদের কৌশল কাজে লাগাতে পারি না। সেই আর্থিক ব্যবধান দূর করতেই ফান্ডেডনেক্সটের সূচনা। বর্তমানে প্ল্যাটফর্মটি কেন্দ্র করে একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলে লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি আমরা।’
২০২২ সালে যাত্রা শুরু করা ফান্ডেডনেক্সট মূলত ফিনটেক গ্রুপ ‘নেক্সট ভেঞ্চারস’-এর একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রোডাক্ট। বর্তমানে বিশ্বের ১৭০টিরও বেশি দেশে বিস্তৃত রয়েছে তাদের সেবা। সংযুক্ত আরব আমিরাতে মূল সদর দপ্তর হলেও মালয়েশিয়া, সাইপ্রাস ও শ্রীলঙ্কায় প্রতিষ্ঠানটির আঞ্চলিক অপারেশনাল হাব রয়েছে। আর এর মূল ব্যাক-অফিস হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশে অবস্থিত ‘নেক্সট বাংলাদেশ লিমিটেড’-এ এরই মধ্যে পাঁচ শতাধিক কর্মীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। দেশের আইটি খাতে বৈদেশিক রেমিট্যান্স আনয়নে অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটি স্বীকৃতি পেয়েছে এবং সম্প্রতি অর্জিত হয়েছে ‘গ্রেট প্লেস টু ওয়ার্ক’ সম্মাননাও।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ধারাবাহিক সাফল্যের আলোকেও আলোচনায় এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত ডেলয়েট টেকনোলজি ফাস্ট ৫০ (মধ্যপ্রাচ্য ও সাইপ্রাস অঞ্চল) তালিকায় দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান দখল করে ফান্ডেডনেক্সট, যা ফিনটেক ক্যাটাগরিতে ছিল সর্বোচ্চ স্থান। একই সঙ্গে ডেলয়েটের ইএমইএ টেকনোলজি ফাস্ট ৫০০ তালিকায় এটি ১১তম স্থান অর্জন করে, যেখানে প্রতিষ্ঠানটির চার বছরের রাজস্ব প্রবৃদ্ধি উল্লেখ করা হয় ৪ হাজার ৫৫৩ দশমিক ০২ শতাংশ। এর আগে ২০২৫ সালের ফাইন্যান্স ম্যাগনেটস অ্যাওয়ার্ডসে প্রতিষ্ঠানটি ‘গ্লোবাল প্রপ ফার্ম অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হয়েছিল।



