টিপস
অনলাইন শপিংয়ে প্রতারিত হলে

অনলাইন শপিং মানুষের জীবনকে সহজ করলেও ভুয়া অনলাইন শপ, পণ্য না দেওয়া, নিম্নমানের বা ভিন্ন পণ্য সরবরাহ এবং অগ্রিম টাকা নিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ার মতো প্রতারণা দিন দিন বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে ভোক্তার আইনগত প্রতিকার সম্পর্কে জানা জরুরি।
বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা, ২০২১ গুরুত্বপূর্ণ। এতে পণ্যের বিবরণ, মূল্য, ডেলিভারি, ক্রয়, ফেরতের শর্তসহ প্রয়োজনীয় তথ্য স্পষ্টভাবে প্রকাশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রতারণার শিকার হলে প্রথমেই অর্ডারের স্ক্রিনশট, বিক্রেতার পেজ/ ওয়েবসাইটের লিংক, কথোপকথন, ইনভয়েস, মোবাইল নম্বর এবং বিকাশ/ নগদ/ ব্যাংক লেনদেনের প্রমাণ সংরক্ষণ করতে হবে। এরপর জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করা যেতে পারে।
অন্যদিকে, প্রতারণার উদ্দেশ্যে অনলাইনে অর্থ গ্রহণের ঘটনা ফৌজদারি অপরাধও হতে পারে। দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১৫ ধারায় প্রতারণার সংজ্ঞা এবং ৪২০ ধারায় প্রতারণার মাধ্যমে সম্পত্তি বা অর্থ গ্রহণের শাস্তির বিধান রয়েছে। ৪২০ ধারায় সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
এ ছাড়া বর্তমানে সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ কার্যকর রয়েছে। সংঘটিত প্রতারণার প্রকৃতি
অনুযায়ী এ আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানও প্রযোজ্য হতে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী থানায় জিডি বা মামলা করা এবং সব ধরনের ডিজিটাল প্রমাণ তদন্তকারী সংস্থাকে দেওয়া উচিত।
লেখক: শিক্ষানবিশ আইনজীবী



