স্বাস্থ্য টিপস
নবজাতকের হাইড্রোনেফ্রোসিস হলে কী করবেন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
গর্ভাবস্থায় আলট্রাসনোগ্রাম করতে গিয়ে অনেক সময় শিশুর এক বা দুই কিডনিতে পানি জমার বিষয়টি ধরা পড়ে। এমন খবর পেয়ে মা-বাবার দুশ্চিন্তা হওয়া স্বাভাবিক। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘হাইড্রোনেফ্রোসিস’। সহজ কথায়, কিডনির ভেতর পানি জমা হয়ে তা ফুলে ওঠাকেই হাইড্রোনেফ্রোসিস বলে।
কেন হয়?
জন্মগত ত্রুটি, জেনেটিক ফ্যাক্টর, মা-বাবার অধিক বয়সে সন্তান নেওয়া, টিউমার, সিস্ট বা পরিবেশগত কারণে শিশুদের এই সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া পানিশূন্যতা, প্রস্রাবের রাস্তায় পর্দা থাকা বা কিডনি ও মূত্রনালির সংযোগস্থলে প্যারালাইসিসের কারণেও পানি জমতে পারে।
করণীয় ও চিকিৎসা
এমন সংবাদে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত একজন শিশু সার্জন বা শিশু ইউরোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ডাক্তার সাধারণত নবজাতকের আলট্রাসনোগ্রাম দেখে জমা পানির পরিমাণ, এক নাকি দুই কিডনি আক্রান্ত, কিডনি টিস্যুর অবস্থা এবং হাইড্রোনেফ্রোসিসের গ্রেড নির্ণয় করবেন। ঘন ঘন প্রস্রাবে ইনফেকশন হচ্ছে কি না, তাও খেয়াল রাখা জরুরি।
চিকিৎসা মূলত নির্ভর করে সমস্যার কারণ ও তীব্রতার ওপর। যদি প্রস্রাবের রাস্তায় পর্দা থাকে বা প্যারালাইসিসজনিত জটিলতা হয়, তবে অপারেশনের প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখবেন, এ ধরনের সমস্যায় সাধারণত শিশুকে আজীবন ফলোআপে থাকতে হয়। সঠিক সময়ে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকলে শিশুর কিডনি সুস্থ রাখা সম্ভব।
লেখক : শিশু বিশেষজ্ঞ, আলোক হেলথকেয়ার, মিরপুর।







