Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
কেঁচো সারে বগুড়ার লিমার বাজিমাত
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় পরবাসে

ইরানের শঙ্কার মেঘে আটকে প্রবাসীর জীবন

বাবা, তুমি কবে আসবে!

সজল মিত্র রিচার্ড, আয়ারল্যান্ড থেকে
agamir somoy
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:১০
বাবা, তুমি কবে আসবে!

তেহরান থেকে ঢাকা —একটি আকাশপথের গল্প এখন যেন অপেক্ষার দীর্ঘশ্বাস। “বাবা, তুমি কবে আসবে?”

তালহা আর রোদসীর এই ছোট্ট প্রশ্নের উত্তর হয়তো একদিন খুব সহজ ছিল। বাবা বলতেন “শিগগিরই আসব।” তারপর ক্যালেন্ডারে একটি তারিখ গোল করে দিতেন। দূরদেশের আকাশ পেরিয়ে, বিমানবন্দরের কাঁচের দরজা ঠেলে, একদিন তিনি ফিরে আসতেন আপন ঘরে।

কিন্তু এখন সেই উত্তরটি আর সহজ নয়। ইরানের আকাশে যুদ্ধের কালো ছায়া, তার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞার জাল। তেহরানের বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা কোনো প্রবাসী বাংলাদেশির কাছে তাই আজ আকাশ শুধু আকাশ নয়—আকাশ যেন একটি প্রশ্ন। এই আকাশ কি তাকে একদিন সন্তানদের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে? ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান আক্রমণের পর মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে যে বিপর্যয় শুরু হয়েছিল, তার অভিঘাত এখনো কাটেনি। যুদ্ধের প্রথম দিনগুলোতেই ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশের আকাশসীমা কার্যত শূন্য হয়ে পড়ে। দুবাই, দোহা, আবুধাবির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিমান চলাচল কেন্দ্রগুলোও বন্ধ বা কঠোরভাবে সীমিত হয়েছিল। রয়টার্সের হিসাবে, যুদ্ধ শুরুর পরপরই বিশ্বজুড়ে ২১ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল।

সময়ের সঙ্গে কিছু আকাশপথ খুলেছে, কিছু ফ্লাইট ফিরেছে। কিন্তু ইরানের জন্য সংকটটি যেন অন্য রূপ নিয়েছে। যুদ্ধের ধোঁয়া সরে যাওয়ার আগেই নিষেধাজ্ঞার মেঘ আরও ঘন হয়েছে। ইউরোপীয় বিমান নিরাপত্তা সংস্থাও তেহরানের আকাশসীমাকে উচ্চ ঝুঁকির এলাকা হিসেবে বিবেচনা করে সতর্কতা জারি রেখেছে, যার মেয়াদ ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে নতুন করে সামনে এসেছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কঠোরতম অধ্যায়। ৮ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিমান চলাচল খাতের সঙ্গে যুক্ত ৩৬টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনে। এর মধ্যে ছিল আগে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় না থাকা ২৭টি ইরানি বিমান সংস্থাও। তারপর ২১ সেপ্টেম্বর এলো আরও বড় ধাক্কা। ইরানের অন্যতম প্রধান বিমান সংস্থা মাহান আকাশ তেহরান থেকে ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারার ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে তেহরান-মাসকাট পথও বন্ধ হয়েছে। জর্জিয়ার পথও স্থগিত হয়েছে। ফলে ইরান থেকে তৃতীয় কোনো দেশে গিয়ে সেখান থেকে নিজ দেশে ফেরার যে বিকল্প পথগুলো ছিল, সেগুলো দ্রুত সংকুচিত হচ্ছে।

তুরস্কের তিনটি বড় বিমান সংস্থা, টার্কিশ এয়ারলাইন্স, পেগাসাস ও আজেট—ইরানের সঙ্গে তাদের ফ্লাইটও স্থগিত করেছে। টার্কিশ এয়ারলাইন্স ও আজেটের সূচিতে অন্তত ২০২৭ সালের মার্চের আগে ইরানের কোনো ফ্লাইট দেখা যাচ্ছে না। পেগাসাসের ক্ষেত্রে ইরানের ফ্লাইটগুলো বুকিং ব্যবস্থা থেকেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একটি পথ বন্ধ হলে মানুষ আরেকটি পথ খোঁজে। কিন্তু পথ যখন একে একে বন্ধ হতে থাকে, তখন ভ্রমণ আর ভ্রমণ থাকে না, তা হয়ে ওঠে বেঁচে ফেরার হিসাব। মাসকাট নেই। ইস্তাম্বুল নেই। আঙ্কারা নেই। জর্জিয়ার পথও অনিশ্চিত। বাগদাদের পথ নিয়েও নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বর আল-জাজিরা জানিয়েছে, বাগদাদ ও মাসকাটগামী ইরানি ফ্লাইটও বাতিল হয়েছে। তবে ছবিটি পুরোপুরি একরঙা নয়। ইরানের জাতীয় বিমান সংস্থা জানিয়েছে, ইস্তাম্বুল, বাকু ও নাজাফের কয়েকটি ফ্লাইট তখনও চলছিল এবং সংশ্লিষ্ট দেশের বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষ থেকে তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক স্থগিতাদেশ আসেনি। অর্থাৎ পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে এবং সব রুট একই সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায়নি। কিন্তু এখানেই রয়েছে মূল আশঙ্কা। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যত সতর্ক করেছেন, ইরানি বিমান সংস্থাকে জ্বালানি, অবতরণ-সংক্রান্ত সুবিধা, ভূমিসেবা কিংবা টিকিট বিক্রির সহায়তা দিলে তারা মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

এটি সরাসরি বিশ্বের সব দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা নয়। যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশের আকাশসীমা নিজের আদেশে বন্ধ করতে পারে না। কিন্তু একটি বিমান আকাশে উড়লেই তো তার কাজ শেষ হয় না। তাকে নামতে হয়, জ্বালানি নিতে হয়, যাত্রী উঠাতে হয়, ভূমিসেবা নিতে হয়, টিকিট বিক্রি করতে হয়। সেই সহায়তার শিকড়েই যদি নিষেধাজ্ঞার কুঠার পড়ে, তবে আকাশ খোলা থাকলেও বিমান চলাচল অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে। আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বিশ্লেষকেরাও এ ঝুঁকির কথাই বলেছেন। আর এই হিসাবের সবচেয়ে মানবিক দিকটি কোথায়? সেটি কোনো বিমান সংস্থার হিসাবের খাতায় নেই। সেটি আছে তেহরানের কোনো ছোট্ট বাসায়। কোনো ছাত্রের বইয়ের পাশে। কোনো শ্রমিকের পুরোনো সুটকেসে। কোনো বাংলাদেশি বাবার মুঠোফোনে যেখানে প্রতিদিন সন্ধ্যায় দুটি শিশু অপেক্ষা করে।

বাংলাদেশের জন্য এই উদ্বেগ নতুন নয়। মার্চে যুদ্ধের শুরুতেই সরকার ইরান থেকে নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ । ১৯ মার্চ আজারবাইজানের মাধ্যমে ১৮৬ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুও ছিল। অনেককে ইরান থেকে সীমান্তপথে দীর্ঘ ও ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা করতে হয়েছিল। এপ্রিলেও তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাস আরও ১৪ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করে। তাদের মধ্যে ইরানের বন্দর আব্বাসে আটকে পড়া মানুষ, জেনাভেহ বন্দরে আটকে থাকা নাবিক এবং চিকিৎসার জন্য ইরানে গিয়ে যুদ্ধের কারণে আটকে পড়া নাগরিক ছিলেন। তাদের একটি দল আর্মেনিয়ার ইয়েরেভান হয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসে। এই ঘটনাগুলো বলে দেয়, বাড়ি ফেরার পথ ইতিমধ্যেই কতটা কঠিন হয়ে উঠেছিল। ইরানে বাংলাদেশিদের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সরকারি হিসাবে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। মার্চে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রায় দুই হাজার বাংলাদেশি নাগরিকের কথা বলেছিলেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থীও রয়েছেন। অর্থাৎ, ইরানের আকাশে যে সংকট জমছে, সেটি কয়েকটি বিমানের সময়সূচির সংকট নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজারো মানুষের জীবনের স্বাভাবিক গতি—চাকরি, পড়াশোনা, চিকিৎসা, ব্যবসা, পরিবার এবং সবচেয়ে বড় কথা, প্রয়োজনে দেশে ফিরে যাওয়ার অধিকার।

একজন প্রবাসী মানুষ বিদেশে যত দূরেই থাকুন, তার হৃদয়ের একটি দরজা সবসময় দেশের দিকে খোলা থাকে। সেই দরজার ওপারে থাকে মায়ের মুখ, বাবার কণ্ঠ, স্ত্রীর অপেক্ষা, সন্তানের ছোট্ট হাত। তাই তেহরানের আকাশে যদি একটি বিমানও উড়তে না পারে, তার শব্দহীনতা শুধু বিমানবন্দরের নীরবতা নয়। সেই নীরবতা পৌঁছে যায় ঢাকার কোনো মহল্লায়, গ্রামের কোনো উঠানে, কোনো মায়ের জানালায়। তালহা হয়তো আবার জিজ্ঞেস করবে—

“বাবা, তুমি কবে আসবে?” রোদসী হয়তো আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকবে।

আর দূর তেহরানে বসে বাবা হয়তো জানালার বাইরে তাকিয়ে বলবেন না কিছুই। কারণ কখন ফ্লাইট চলবে, কোন পথ খোলা থাকবে, কোন সীমান্ত পার হওয়া যাবে—তার অনেকটাই এখন নির্ভর করছে যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা এবং রাষ্ট্রগুলোর সিদ্ধান্তের ওপর। তবু আশার একটি দরজা এখনো বন্ধ হয়নি। ইরান থেকে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট এক মুহূর্তে থেমে যায়নি। কিছু পথ এখনো চালু রয়েছে, কিছু বিকল্পও রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ও তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাস এর আগে নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে।

তাই আজকের প্রশ্ন “অবসরের কাজ শেষে দেশে ফিরতে পারব না? এর উত্তর এখনই চূড়ান্তভাবে না’ নয়। কিন্তু এটুকু সত্য, আগের মতো সহজে হয়তো ফেরা যাবে না। ফেরার পথ আরও দীর্ঘ হতে পারে। আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। কখনো স্থলপথ, কখনো তৃতীয় কোনো দেশ, কখনো দূতাবাসের সহায়তা—বেছে নিতে হতে পারে একাধিক দরজা। আর সেই কারণেই ইরানের আকাশের দিকে আজ শুধু প্রবাসী বাংলাদেশিরাই তাকিয়ে নেই। তাকিয়ে আছে তাদের ঘর। একটি বিমান যখন আকাশে ওঠে, তার সঙ্গে শুধু কয়েকশ মানুষ ওঠেন না, উঠে যায় কয়েকশ পরিবারের আশা। আর একটি বিমান যখন উড়তে পারে না, তখন শুধু একটি যাত্রা বাতিল হয় না, কোনো কোনো ঘরে অপেক্ষার রাত আরও দীর্ঘ হয়।

তেহরানের আকাশে আজ সেই দীর্ঘ অপেক্ষারই ছায়া।তালহা আর রোদসীর প্রশ্নের উত্তর তাই এখনো আকাশের কাছেই “বাবা, তুমি কবে আসবে?”

 

ইরানপ্রবাস জীবন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

    চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    মা হারানো ছেলেটি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে

    মা হারানো ছেলেটি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে

    বিদায় নেবেন কর্মীরা, ৩৭০ বিষধর সাপের কী হবে

    বিদায় নেবেন কর্মীরা, ৩৭০ বিষধর সাপের কী হবে

    সিটি নির্বাচনে জামায়াতের ১৩ প্রার্থী চূড়ান্ত, কে কোথায়

    সিটি নির্বাচনে জামায়াতের ১৩ প্রার্থী চূড়ান্ত, কে কোথায়

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    ডোবায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

    ডোবায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    মাধবপুরে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার, বৈষম্যবিরোধী মামলায় কারাগারে

    মাধবপুরে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার, বৈষম্যবিরোধী মামলায় কারাগারে

    বেকারদের ‘শেষ আশ্রয়েও’ ভেরিফিকেশন বাধা, হতাশায় হাজারো তরুণ

    বেকারদের ‘শেষ আশ্রয়েও’ ভেরিফিকেশন বাধা, হতাশায় হাজারো তরুণ

    প্রশাসকরাই পাচ্ছেন বিএনপির সবুজ সংকেত

    প্রশাসকরাই পাচ্ছেন বিএনপির সবুজ সংকেত

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়

    কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পঞ্চগড়ে

    কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পঞ্চগড়ে