Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
পরিবেশবান্ধব চুলা ছড়িয়ে দেন কবুলজান
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ঢাকা ১০০০

নগর চরিত্রের খোজে

কেমনে কমু কেমন আছি?

ইরাজ আহমেদ
ইরাজ আহমেদ
agamir somoy
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ২৩:০৬
শেয়ার করুন:
কেমনে কমু কেমন আছি?

কাজের ফাঁকে লেখকের ক্যামেরাবন্দি চানু মিয়া

কবে এসেছিল তারা এই শহরে? ঢাকা শহরের গোড়াপত্তনের সময়ে নাকি তারও আগে? কোথায় কোন পথের মোড়ে দাঁড়িয়ে হাঁক দিয়েছিল— এই, দা-ছুরি ধার করাইবেন? তখনো কি তাদের কাঁধে থাকত অনেকটা সাইকেলের মতো দেখতে প্যাডেলযুক্ত একট যন্ত্র? যন্ত্রের মাথায় বসানো ধার দেওয়ার পাথর?

হয়তো না। সময়ের সঙ্গে পাল্টেছে কাজ করার প্রক্রিয়া। কিন্তু এ ভ্রাম্যমাণ পেশাজীবীরা কি ইতিহাসের ধারাবাহিক মানুষ হয়েই থেকে গেছে? চানু মিয়ার জীবনের খোঁজখবর নেওয়ার সময় এ প্রশ্নটাই ঘুরেফিরে চিন্তার ভেতরে একটা প্যাটার্ন তৈরি করে দিচ্ছিল। মনে হচ্ছিল, অনেক বছর আগে শোনা একটা গল্পই আবার শুনছি।

চানু মিয়া মধ্যবয়সী। কত হবে তার বয়স? তিরিশের ঘরের সঙ্গে সময় হয়তো যোগ করেছে আরও দু-এক বছর। সে নিজেই ঠিক করে বলতে পারল না জন্মের সন-তারিখ। বলতে পারার কথাও নয়। চানু মিয়া আমার কাছে তখন এক ধারাবাহিক মানুষ। বারো বছর বয়সে চাচার কাছ থেকে দা-ছুরি ধার দেওয়ার কাজটা শিখেছিল। হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামের বাসিন্দা চানু তখনো চাষাবাদের কাজে সহযোগী কর্মী। তারপর একদিন গ্রাম থেকে এ শহরে। ছুরি ধার দেওয়ার শেখা বিদ্যা কাজে লাগিয়ে ভাত-কাপড় জোগাড়ের চেষ্টা।

টঙ্গী শহরে ছোট একটা ঘরে থাকে চানু মিয়া। সেই ঘরে আরও কয়েকজনের বসবাস। তারাও একই পেশার মানুষ। একটা অন্ধকার ঘর, সেখানে একটা চৌকি ফেললেই পুরো ঘর ভরাট হয়ে যায়। কয়েকজন মানুষ গাদাগাদি করে রাতে ঘুমায়। ভোরে যন্ত্র ঘাড়ে করে বের হয়ে পড়ে; শহরের নানা গলির মাথায় দাঁড়িয়ে হাঁক দেয়— দা-ছুরি ধার করাইবেন?

জানতে চাইলাম কী খেয়ে জীবন বাঁচে চানু মিয়ার, তার কামাই-রোজগার কেমন? প্রথমে উত্তর আসে হাসি দিয়ে। তারপর বলছিল, ‘এই কুনুদিন একশ-দুইশ আবার কুনুদিন এক টাকাও না। মাইনষে তো সবসময় ধার দেওনের কাজ করায় না।’

ধার দেওয়ার যন্ত্রটা তৈরি করাতে পাঁচ হাজার টাকা লাগে। মাঝেমধ্যে মেরামতে যায় পাঁচশ। তারপর গ্রামে টাকা পাঠাতে হয়। হাতে কিছুই থাকে না।

‘গ্রামে কে থাকে আপনার?’

‘বাপ-মা, বউ আর তিন সন্তান।’

‘গ্রামে যান?’

‘যাই ধানের টাইমে কাজ করতে। এইবার পানিতে সব ধান ডুইবা গেছে। কাজ নাই তাই চইলা আসছি।’

‘এখানে কাজের শেষে কী করেন?’

‘ঘুমাই। সারা দিন পথে পথে ঘুরলে শরীলে জ্বর আইসা পড়ে। বাড়ি গিয়া ভাত রাইন্ধা খাই; তারপর ঘুমাইয়া থাকি।’

জানতে ইচ্ছা করল চানু মিয়া কী খায়? তার খাবারে দৈনিক ক্যালরির পরিমাণ কত?

‘শুধু ভাত খান, আর কিছু খান না?’

‘খাইতো, কুনুক দিন আলু ভর্তা নাইলে পেঁপে ভর্তা। আর সবজির অনেক দাম; কিনতে পারি না।’

‘কবে শেষ মাংস খেয়েছেন?’

গত কোরবানির ঈদে। একজন দিছিল, বাড়িতে নিয়া গেছি। পোলাপান মাংস খাইতে পায় না অনেক দিন...।’

নগরচরিত্রপেশাজীবীচানু মিয়া
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    নিজের এক টাকাও নেই আইএফআইসি ব্যাংকের

    নিজের এক টাকাও নেই আইএফআইসি ব্যাংকের

    ঢাকা মেট্রোরেলে উঠে বসতে চেয়ে জায়গা পাননি, পরে স্ট্রোকে মৃত্যু

    ঢাকা মেট্রোরেলে উঠে বসতে চেয়ে জায়গা পাননি, পরে স্ট্রোকে মৃত্যু

    কথা ঘুরিয়ে রুমি এখন বললেন, কেন দেশ ছাড়ব?

    কথা ঘুরিয়ে রুমি এখন বললেন, কেন দেশ ছাড়ব?

    মেট্রোরেলে হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

    মেট্রোরেলে হাজার কোটি টাকার কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান

    বাসায় তালা, শাহজালাল রুমি কোথায় জানে না কেউ

    বাসায় তালা, শাহজালাল রুমি কোথায় জানে না কেউ

    জামায়াত এমপি মাসুদ সাঈদীর পাঁচ তারকা হোটেলের নির্মাণকাজ বন্ধ করল প্রশাসন

    জামায়াত এমপি মাসুদ সাঈদীর পাঁচ তারকা হোটেলের নির্মাণকাজ বন্ধ করল প্রশাসন

    সিলভিয়া প্লাথের বিক্ষত হৃদয়ের প্রতিধ্বনি

    সিলভিয়া প্লাথের বিক্ষত হৃদয়ের প্রতিধ্বনি

    আইজিপিকে কি সরানো হবে? উপদেষ্টা বললেন, প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনা

    আইজিপিকে কি সরানো হবে? উপদেষ্টা বললেন, প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনা

    হ্যারি কেইনের হাতে ব্যালন ডি’অর ট্রফি

    হ্যারি কেইনের হাতে ব্যালন ডি’অর ট্রফি

    ডেঙ্গুতে অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু, মাকে খুঁজছে চার বছরের মৈত্রী

    ডেঙ্গুতে অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু, মাকে খুঁজছে চার বছরের মৈত্রী

    নির্মলেন্দু গুণ বলেছিলেন, সৌন্দর্যের সুষম বিকাশ আছে পরীমনির দেহাবয়বে

    নির্মলেন্দু গুণ বলেছিলেন, সৌন্দর্যের সুষম বিকাশ আছে পরীমনির দেহাবয়বে

    শ্যালিকাকে বিয়ে, চুনকালি মাখিয়ে গ্রামছাড়া করা হলো টিকটকারকে

    শ্যালিকাকে বিয়ে, চুনকালি মাখিয়ে গ্রামছাড়া করা হলো টিকটকারকে

    জাপানি বিনিয়োগেই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনের করতে চায় সরকার

    জাপানি বিনিয়োগেই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনের করতে চায় সরকার

    ঢাকা ও চট্টগ্রামের একাংশ হঠাৎ বিদ্যুৎহীন

    ঢাকা ও চট্টগ্রামের একাংশ হঠাৎ বিদ্যুৎহীন

    মাকে ভিডিওতেও এনে বাবার বিরুদ্ধে ১৮ বিয়ের অভিযোগ তাশরীফের

    মাকে ভিডিওতেও এনে বাবার বিরুদ্ধে ১৮ বিয়ের অভিযোগ তাশরীফের


    জীবনের বারো বছর সময় এ শহরেই কেটে গেছে চানু মিয়ার যন্ত্র কাঁধে হাঁটতে হাঁটতে। তার কোনো আত্মীয়স্বজনও নেই এখানে। একা একা এরকম আরও অনেক চানু মিয়ার বেঁচে থাকার সঙ্গে তার বেঁচে থাকার প্রক্রিয়ারও কোনো পার্থক্য নেই। এই আলোহীন, কীর্তিহীন পরাজয়ের মধ্যে তাদের বেঁচে থাকা নিজের মতো করে। কোনো একদিন একটু কাজ পেলেই খুশি সে। জীবনকে সুস্বাদু মনে হয়। ভালো করে কানে শুনতে পায় না চানু মিয়া। যন্ত্রের একটানা ঘড়ঘড় শব্দে একটা সময়ে তার শ্রবণযন্ত্র বিকল হয়ে গেছে। চিৎকার করে হাঁক দিতে দিতে গলায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। খেতে গেলে কষ্ট হয়। তবুও বেঁচে আছে সে দা-ছুরি ধার দিয়ে।

    ‘লেখাপড়া তো জানি না। জানলে, অন্য কিছু কইরা চাইট্টা ভাত খাইতে পারতাম।’

    কাজ করতে করতে খেদোক্তির মতোই কথাটা বলে চানু মিয়া। এ জীবনের কাছে তার আর কোনো চাওয়া নেই। আছে শুধু মাথা গুঁজে কাজ করে যাওয়া।

    ‘সব মিলিয়ে কেমন আছেন এই শহরে?’

    আবারও হাসে চানু মিয়া।

    ‘কেমনে কমু কেমন আছি? বাঁইচা আছি।’