Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
২১০০ কবর খুঁড়েছেন জাকির
শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

ইরাজ আহমেদ

ইরাজ আহমেদ

লেখক ও সাংবাদিক

বাপু, কেন এসেছ আমার কাছে? বলতেন ড. এমাজউদ্দীন

বাপু, কেন এসেছ আমার কাছে? বলতেন ড. এমাজউদ্দীন

বিদ্বান ও পণ্ডিত মানুষ ছিলেন ড. এমাজউদ্দীন আহমদ। বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং একুশে পদকে সম্মানিত। দীর্ঘকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়িয়েছেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ওপর বই লিখেছেন ও সম্পাদনা করেছেন। রাষ্ট্রচিন্তা, সমাজের গঠন এবং যেকোনো রাজনৈতিক সংকটে তার মতামত অন্যদের ভাবনার প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করেছে।ড. এমাজউদ্দীন আহমদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার সরাসরি শিক্ষক ছিলেন না। করিডরে মাঝে মাঝে দূর থেকে তাকে হেঁটে যেতে দেখতাম; চলতে চলতেই নিমগ্ন হয়ে কিছু ভাবছেন।...
কলাম•৩ ঘণ্টা আগে
বর্ষাকালের কাছে লেখা দ্বিতীয় চিঠি

বর্ষাকালের কাছে লেখা দ্বিতীয় চিঠি

এই চিঠিটা বর্ষাকালের কাছে লেখা দ্বিতীয় চিঠি। তাহলে প্রথম চিঠি কে লিখেছিল? সে তো লিখেছিলেন কবি কালিদাশ এখন থেকে প্রায় ‘ষোল শ’ বছর আগে। আর তৃতীয় চিঠিটা ভবিষ্যতের কোন বর্ষাকালের ডাকবাক্সে পৌঁছাবে তা বলা শক্ত।বৃষ্টি ঝরছে। কখনো অবিশ্রান্ত, কখনো ঝিরঝির করে। আকাশ এক ধূসর খামের মধ্যে গুটিয়ে ফেলেছে সব আলোর রেখা। গাছপালাগুলো আবিশ্রান্ত বর্ষণে ভিজে গিয়ে জবুথবু। বৃষ্টি পেয়ে পাতার শরীরে চকচক করছে সবুজ অন্ধকার। কোথাও ছাতা মাথায় পথ চলতে চোখে পড়ে ফুটেছে রক্তজবা আর স্পাইডার লিলি। বর্ষায় বাঙালির ইলিশ মাছ আর খিচুড়...
চিঠি•৬ দিন আগে
রাজনীতি কি আমারে ভাত দিব?

রাজনীতি কি আমারে ভাত দিব?

‘সন্তোষ, আপনার বয়স কত?’ ‘ঠিক জানি না। সত্তরের মতো হইতে পারে।’ ধূসর দৃষ্টি সন্তোষের চোখে; জীবনে বেঁচে থাকার প্রত্যেকটি রেখা যেন স্পষ্ট দেখা যায় ভীষণ শীর্ণ শরীরে। চারপাশে ধাবমান উন্মত্ত শহর। দানবের মতো মাথা তোলা ঘরবাড়ি, বাণিজ্যিক কার্যালয়গুলোর দরজায় আছড়ে পড়া ঢেউয়ের মতো মানুষ। এই শহরের কত কী বদলে গেছে তার চোখের সামনে। শহরের ভৌগোলিক সীমানা পাল্টেছে, মানুষের শ্রেণি-চরিত্র বদলেছে। বৃক্ষকে বিদায় দিয়ে তৈরি হয়েছে ঝকঝকে ফুটপাত। দিনের বেলা ব্যস্ত শহর থেকে সন্ধ্যায় আলো জ্বেলে বেঁচে থাকা শহরটা মনে হয় পা...
ঢাকা ১০০০•১২ দিন আগে
জীবনানন্দের যুগে যদি সেলফি থাকত!

জীবনানন্দের যুগে যদি সেলফি থাকত!

জীবনানন্দ দাশের ‘শ্যামলী’ কবিতার প্রথম লাইন ‘শ্যামলী তোমার মুখ সেকালের শক্তির মতো’। কবিতাটি পাঠ করতে গিয়ে আচমকা মনে হলো, জীবনানন্দের যুগে সেলফি তোলার সুযোগ থাকলে মন্দ হতো না। সেকালের শক্তির মতো কোনো এক অজানা নারীর রূপ দেখা হয়ে যেত। কবি নিজে কোথায় দেখেছিলেন শ্যামলীর মুখ? হয়তো কোনোদিন দেখেননি। কল্পনায় জেগে ওঠা এক মুখ হয়তো তার চেতনাকে তাড়িত করেছে শুধু। মানব-মানবীর মুখ আসলে এমনই। মুখের রেখায় কত অনুভূতি, না-বলা কথার রেখাচিহ্ন, অনুরাগ, কামনা, কত যাত্রার ক্লান্তি, প্রাপ্তির আনন্দ! ৪৩টি পেশি আর ১৪টি হাড়...
কলাম•১৫ দিন আগে
‘আমার টোকাই আমার মতোই আছে’

‘আমার টোকাই আমার মতোই আছে’

‘আপনার সৃষ্টি টোকাই কেমন আছে এখন?’ ‘টোকাই নামটাকেই তো অনেকে এখন খারাপ অর্থে ব্যবহার করে। তবে আমার টোকাই আমার মতোই আছে; সহজ, সরল আর মাথামোটা।’ ‘কী করে টোকাই এখন?’ ‘সে শহর দেখে, মানুষের কথা শোনে। কখনো দার্শনিক হয়ে যায় আবার কখনো রাজনীতিবিদদের মতো কথা বলে।’ কথা বলতে বলতে স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে সামান্য হাসলেন দেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী রফিকুন নবী বা সংক্ষেপে রনবী। ঢাকায় প্রথম এসেছিলেন ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিকে। তখন একুশে ফেব্রুয়ারির রক্তাক্ত অধ্যায় ঘটে গেছে। দেশ জুড়ে তার রেশ...
ঢাকা ১০০০•১৯ দিন আগে
বাস্তবতার এই দিনগুলিতে শহীদুল জহির

বাস্তবতার এই দিনগুলিতে শহীদুল জহির

প্রয়াত কথাসাহিত্যিক শহীদুল জহিরের সাহিত্য রচনার অমসৃণ মানচিত্রে যারা ভ্রমণ করতে ভালোবাসেন অথবা বাসেন না—উভয়পক্ষের সামনেই আজকের বাংলাদেশে তার লেখা ভিন্ন এক বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে। তাতে দুটো লাভ হয়েছে। প্রথমত, অপেক্ষাকৃত কম চর্চিত শহীদুল জহির আবারও নিজস্ব আলোয় উদ্ভাসিত হয়েছেন। তার লেখা নতুন করে পাঠ করার আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে পাঠকের মনে। দ্বিতীয়ত, এই সময়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটের সঙ্গে তার লেখার বাস্তবতাকে মিলিয়ে নেওয়ার একটা ঝোঁক তৈরি হয়েছে। তাকে নিয়ে অথবা তার লেখালেখির...
মতামত•২০ দিন আগে
যেতে যেতে একলা পথে নিভেছে মোর বাতি...

যেতে যেতে একলা পথে নিভেছে মোর বাতি...

অন্তিমে এসে জ্যৈষ্ঠ মাস নিঃশ্বাস ফেলছে ড্রাগনের মতো। যতদূর চোখ যায় চিকচিক করছে রোদ। ধুলো উড়ে যাচ্ছে ঢাকা নগরীর উত্তরা মেট্রো স্টেশনের দিকে। আকাশের দিকে মুখ বাড়ানো রেলপথের ৭০ নম্বর পিলার পার হয়ে একটু ডানে ঢুকলেই দোকানটা। রাস্তা ঘেঁষে টিন দিয়ে ঘেরা লম্বামতো একটা দোকান। বইয়ের দোকান। শেলফে প্র...
ঢাকা ১০০০•এক মাস আগে
প্রেমে-বিপ্লবে চে গুয়েভারা

প্রেমে-বিপ্লবে চে গুয়েভারা

একটি রণাঙ্গন কি ভালোবাসার জন্মকে আটকে দিতে পারে? নির্মম যুদ্ধ কি দূরে সরিয়ে দিতে পারে প্রেমের বিস্তার? পারে না বোধ হয়। আর তাই এলিয়েদা মার্চ আর চে গুয়েভারা একে-অপরের হৃদয়ের কাছে এসেছিলেন কিউবা যুদ্ধের দিনগুলোতে। চে গুয়েভারার জন্ম আর্জেন্টিনায় ১৯২৮ সালের ১৪ জুন। আজ পৃথিবীতে আলোচিত এই মার্ক্সবাদী গেরিল...
কলাম•এক মাস আগে
প্রিয়তমার গালের তিলের বদলে

প্রিয়তমার গালের তিলের বদলে

প্রিয়তমার গালের একটি তিলের বদলে সমরকন্দ আর বোখারা বিলিয়ে দিতে চেয়েছিলেন ইরানের কবি হাফিজ। তখন নিশ্চয়ই সুন্দর ছিল সেই দুটি শহর। সেখানে সড়কে নিশ্চয়ই আবর্জনা পড়ে থাকত না, লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণা ছিল না, বাজারে সবজি অগ্নিমূল্য ছিল না, মানুষ মব ভায়োলেন্সের শিকার হতো না, নদী দূষিত হতো না, ভূগর্ভস্থ পানির...
কলাম•এক মাস আগে
শূন্য শহরের গান...

শূন্য শহরের গান...

এ শহর এখন শূন্যতার উৎসব। দীর্ঘ ছুটির অবসরে নাগরিকরা তাদের প্রতিদিনের আবাসস্থলকে একা করে দিয়ে চলে গেছে নিজস্ব ঠিকানায়। পড়ে আছে শূন্য পথ। শাটার টানা দোকানপাট যেন রূপকথার গল্পে ঘুমের রাজ্য। বিশাল বিশাল অট্টালিকা, অফিস বাড়ি আলস্যে হাই তুলছে। দিনেরবেলা শূন্য শহরের পথে পাগলের মতো একা একা আছড়ে পড়ছে রোদ অথব...
মতামত•২ মাস আগে
সেই সময় ঈদ আসত আনন্দের পতাকা উড়িয়ে

সেই সময় ঈদ আসত আনন্দের পতাকা উড়িয়ে

ষাট-সত্তরের দশকে ঢাকা শহরে হাতের শিরার মতো ছড়ানো অসংখ্য সংকীর্ণ অলিগলি বেয়ে ঈদের দিনটা আসত আনন্দের ঝলমলে পতাকা উড়িয়ে। আমাদের দলবেঁধে থাকা, আতরের উষ্ণ ঘ্রাণ মাখা আমাদের সফেদ পাঞ্জাবি-পায়জামা, জড়াজড়ি করে থাকা বাড়িগুলো থেকে ভেসে আসা পোলাও, মাংসের সুঘ্রাণ সেই বিশেষ দিনগুলোকে যেন অন্য রঙে এঁকে দিত।যে সময়...
মতামত•২ মাস আগে