Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসুস্থদের ঠিকানা তাজুলের বৃদ্ধাশ্রম
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

ইরাজ আহমেদ

ইরাজ আহমেদ

লেখক ও সাংবাদিক

অচেনা মানুষ আনিস রহমান

অচেনা মানুষ আনিস রহমান

আশির দশকের শুরুর দিকে তিনি হঠাৎ সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের আলোচিত ‘আমি আরব গেরিলাদের সমর্থন করি’ উপন্যাসের কপি হাতে ঘুরতে শুরু করলেন। মাঝে মাঝে আড্ডায় বলে উঠতেন এই লাইনটি। তখনই তাকে গলায় জড়াতে দেখা যেত ফিলিস্তিন গেরিলাদের স্কার্ফ ‘কুফিয়া’। তখন যে কোনো যুদ্ধক্ষেত্রে যোগ দেয়ার তীব্র ইচ্ছা কাজ করত তার মধ্যে। চে গুয়েভারা তার কাছে ছিল সাচ্চা বিপ্লবী আর স্পার্টাকাস পৃথিবীতে প্রথম বিদ্রোহী। খুব ভালো হাত দেখতে পারতেন আবার শেক্সপিয়ারের হ্যামলেটের বহু সংলাপ ছিল তার মুখস্ত। তিনি ছিলেন আনিস রহমান। ছিলেন ঢাকা বি...
বিশেষ লেখা•২ ঘণ্টা আগে
একা রুদ্র

একা রুদ্র

কোন পথে ফিরতে চেয়েছিলেন রুদ্র? যে পথ সবার তা কোনোদিনই তার হয়ে ওঠেনি। কবিতায় শব্দ বেছে নেওয়া, বিশ্বাসের গভীর দীক্ষার কাছে নিজেকে সমর্পণ করার মধ্য দিয়ে নিজের সময়ে তিনি পৃথক হয়ে উঠেছিলেনআমার কেন জানি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর মৃত্যুদিনটা শীতকাল বলে মনে হয়। চোখ বন্ধ করলে টের পেতে শুরু করি খুব ভোরবেলা কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকা ফোনটা জেগে উঠেছিল ভয়ংকর এক সংবাদ প্রেরণ করতে। অথচ তার মৃত্যু হয়েছিল ১৯৯১ সালের জুন মাসে; আশ্চর্য! জন্মদিনে তার চলে যাওয়ার দিনের দৃশ্যগুলো ভাঙা ভাঙা সাদাকালো ছবি হয়ে ফুটে উঠতে শ...
কাজললেখা•২ দিন আগে
শীতকাল কবে আসবে সুপর্ণা

শীতকাল কবে আসবে সুপর্ণা

আশ্বিন ফুরিয়ে এলো। হেমন্তকাল খুব কাছে। গ্রামে ডোবা আর পুকুরের পানিতে এখন টান ধরবে, সেখানে মরা পানির ঘ্রাণ ভেদ করে ভেসে উঠবে গত বর্ষায় ভেঙে পড়া গাছের ডাল, পুরনো টিনের চাল, কারো ফেলে যাওয়া বড়শি।আরও কিছুদিন আগে থেকে গ্রামগুলো ছোট করে চিঠি লিখতে শুরু করেছে শহরকে। মফস্বলের চিঠিও এসেছে শহরের ডাকবাক্সে। সেসব চিঠি থেকে জানা গেছে, আজকাল ভোরবেলা মাঠের ওপর কুয়াশার চাদর ছড়িয়ে পড়ছে। বিকেলে অদ্ভুত এক উদাসী হলুদ আলো মশারির মতো নেমে আসে চারপাশে। পায়ের তলায় ভেজা ঘাসের স্পর্শ এখনো পাওয়া না গেলেও কোনো বাড়ির দরজার...
বিশেষ লেখা•৫ দিন আগে
কে জানে এখন কোথায় তরঙ্গ তুলছেন ‘মাখনা ভাই’

কে জানে এখন কোথায় তরঙ্গ তুলছেন ‘মাখনা ভাই’

মানুষের মনের মধ্যে সময় আরও অনেক মানুষকে হুড়মুড় করে প্রবেশ করিয়ে দেয়। মানুষের মনের মধ্যে অসংখ্য দরজা, অসংখ্য ঘর আছে। সেই দরজা দিয়ে কেউ ঢোকে, কেউ আবার বের হয়ে যায়। সেখানে প্রবেশ করে কেউ চুপ করে বসে থাকে। আবার কখনো অনেকের কলস্বরে প্লাবিত হয় মনভূমি। সকলের আসা-যাওয়ার পথের ধারে মন চুপ করে বসে থাকে আর দেখে। কখনো যত্নে কুড়িয়ে নেয় নুড়ি পাথরের মতো স্মৃতিখণ্ড। প্রয়াত কবি বিষ্ণু দে তার একটি কবিতার বইয়ের নাম রেখেছিলেন ‘আমার হৃদয়ে বাঁচো’। মনের মধ্যে খুঁজতে খুঁজতে বইয়ের নামটা ভেসে এলো। খুঁজতে খুঁতে এত দূর এসে...
বিশেষ লেখা•৭ দিন আগে
নিজের থেকেও দূরে কবি হেলাল হাফিজ

নিজের থেকেও দূরে কবি হেলাল হাফিজ

দূরেই ছিলেন কবি হেলাল হাফিজ। ভৌগালিক অবস্থানে, মানসিক দূরত্বে নিজের আত্মার সঙ্গেই নিঃশব্দে ব্যবধান তৈরি করে আলগোছে এক সমান্তরাল জীবনের মধ্যে বেঁচে ছিলেন। কবিতার ভিতরে সেই সমান্তরাল জীবন কবিদের হাতছানি দেয় চিরকাল। রাত্রির শাখা-প্রশাখা থেকে, পথ থেকে, ঘুম থেকে জীবনযাপনের একটি সম্পূর্ণ পদ্ধতির পাশাপাশি অন্য এক জীবনের গল্প তার কবিতায় জন্ম নিয়েছিল। রাজনৈতিক-সামাজিক নানা ঘটনায় আলোড়িত বাংলা কবিতার উত্তেজনাময় ষাট থেকে আশির দশকের প্রেক্ষাপটে হেলাল হাফিজ নিজ হাতে, নিজস্ব ভাষায় নির্মাণ করেছেন সেই সমান্তরাল...
স্মরণ•১০ দিন আগে
ঢাকা শহর ফেলে অন্য কোথাও থাকতে ইচ্ছে করে না

ঢাকা শহর ফেলে অন্য কোথাও থাকতে ইচ্ছে করে না

জীবনের দীর্ঘ একটা সময় তার কেটেছে নাক টেনে নতুন বই আর কাগজের ঘ্রাণ নিয়ে। লেটার প্রেসের মেশিন চলার শব্দ আজও যেন তার কানে লেগে আছে। ঢাকার বাংলাবাজারের বইপাড়ার অলিগলি, পুরনো শহরের পথঘাট যেমন তাকে চেনে, তেমনি তিনিও চেনেন সেই যাত্রাপথকে নিজের হাতের তালুর মতো। ঢাকা শহরটা তার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে উঠেছে হাতে হাত রেখে। তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা খান ব্রাদার্সের কর্ণধার ফিরোজ খান। ‘কেমন লাগল এ শহরের জীবন, বেঁচে থাকা আর মানুষের গল্প?’ প্রশ্নটা শুনে একটু হেসে উত্তর...
ঢাকা ১০০০•১৩ দিন আগে
যুদ্ধ আর পর্নোগ্রাফির নতুন আগ্রাসন

যুদ্ধ আর পর্নোগ্রাফির নতুন আগ্রাসন

যুদ্ধ নিজেই তো এক নগ্ন দানব। তার রক্তচক্ষু, তার ধারালো নখ, ধারালো দাঁতের আগ্রাসন পৃথিবীর মানুষকে উৎক্ষিপ্ত, উদ্বাস্তু করেছে যুগ যুগ ধরে। গণমাধ্যমে খবর মিলছে, এবার সেই ভয়ংকর ও প্রলম্বিত যুদ্ধে কোনঠাসা হয়ে পড়া ইউক্রেন যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে ভর করবে পর্নোগ্রাফির ওপর। এ ধরণের যৌন-ছবির ওপর কর আরোপ করে তারা সেই অর্থ নিজেদের সামরিক ব্যয়ে যোগ করার কথা চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের আগুনে তারা পুড়ছে বহুদিন ধরেই। অস্ত্র, গোলাবারুদ, ভাড়াটে সৈন্য এবং বিশেষ করে ড্রোনের মতো আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম ক...
বিশেষ লেখা•১৩ দিন আগে
মানুষ এত অস্থির না হইলে শহরটা সুন্দর হইত

মানুষ এত অস্থির না হইলে শহরটা সুন্দর হইত

জীবনানন্দ দাশের কবিতার সেই মহীনের ঘোড়াগুলো এখন ঘাস খায় ঢাকার পুরনো ফুলবাড়িয়া মোড়ের ওভারপাসের নিচে। পায়ের তলায় ভীষণ উৎক্ষিপ্ত এক শহরের পথ। এখানে বেঁচে থাকে প্রতিদিন মানুষের ভিড়-চিৎকার, যানজট আর পেটের ধান্দার লড়াই। মাঝেমধ্যে এক অদ্ভুত অরণ্য বলে মনে হতে পারে এই শহরকে। সেখানেই পুরান ঢাকার বিস্ফোরক ভিড়ের রাস্তার পাশে নির্বিকার দাঁড়িয়ে শীর্ণ ঘোড়াগুলো। তারা নিওলিথ জ্যোৎস্নায় নয়, গুলিস্তান থেকে সদরঘাট অবধি ঘোড়ার গাড়ি টেনে নিয়ে যায়। কিন্তু জীবনানন্দের কবিতায় সেই ঘোড়ার সঙ্গে জুড়ে আছে জনৈক মহী...
ঢাকা ১০০০•২০ দিন আগে
শতবর্ষে অগ্নিশিখা ইলা মিত্র

শতবর্ষে অগ্নিশিখা ইলা মিত্র

তার হাতে ধরা ছিল না কোনো শক্তিশালী মারানাস্ত্র। কিন্তু তার সঙ্গে ছিল কৃষকের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হাজার হাজার মুষ্টিবদ্ধ হাত। এই দেশের মাটি থেকে তিনি উত্থিত হয়েছিলেন, কৃষকের ফসলের অধিকার নিশ্চিত করার এক ভীষণ সংগ্রামে লিপ্ত হয়েছিলেন চল্লিশের দশকে। ক্ষমতার একচক্ষু দানবের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিলেন, নির্যাতন সহ্য করেছিলেন; কিন্তু কৃষকের অধিকার আদায়ের যুদ্ধের যে মাঠ সেখান থেকে কখনো সরে আসেননি। বন্দুক, লাঠি, থানার লক-আপে রাতের পর রাত অবর্ণনীয় নির্যাতন সেই অশম্পিত অগ্নিশিখাকে এক ফুঁয়ে নিভিয়ে দ...
বিশেষ লেখা•২২ দিন আগে
আমি স্বপ্নের মধ্যেও এ শহরটাকেই দেখি

আমি স্বপ্নের মধ্যেও এ শহরটাকেই দেখি

তার প্রিয় গ্রহ বৃহস্পতি। পৃথিবী থেকে প্রায় ৯৬ কোটি ৮০ লাখ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এ গ্রহে অসংখ্য ঝড় বয়ে চলেছে বহু বছর ধরে। সে গ্রহটিই মশহুরউল আমিনের প্রিয়। কিন্তু এ নামে তাকে এখন কাছের মানুষরা ছাড়া অন্যরা সহজে চিনতে পারবে না। তিনি পরিচিত মহাকাশ মিলন নামে। মহাকাশ নিয়ে তার ভাবনা আর কৌতূহলের শুরু এখন থেকে ৩৮ বছর আগে। সময়টা ছিল ১৯৮৮ সাল। সেই কৌতূহল আর আগ্রহ থেকেই তিনি সংগঠিত করেছেন অ্যাসট্রোনমিক্যাল সোসাইটি। এখন তার কাজই হচ্ছে আগ্রহী মানুষদের, বিশেষ করে ছোটদের মহাকাশের সঙ্গে পরিচয় কর...
ঢাকা ১০০০•এক মাস আগে
আজও বৃষ্টি ঝরছে সেপ্টেম্বর অন যশোর রোডের শরীরে

আজও বৃষ্টি ঝরছে সেপ্টেম্বর অন যশোর রোডের শরীরে

পৃথিবী জুড়ে যুদ্ধের আগুন কি নেভাতে পেরেছে কবিতা? আগ্রাসন আর যুদ্ধবাজীর নিদারুণ বাণিজ্যের মাঠে কবিতায় সংগঠিত কয়েকটি লাইন কি পরাক্রমশালী অন্যায়ের বিরুদ্ধে শীতের বাতাসে ঝরে পড়া পাতার মতো উড়ে যায় কোনো প্রান্তরে? না, কবিতা শেষ পর্যন্ত দাঁড়ায় রক্তপাতের বিরুদ্ধে, যুদ্ধের মাঠে বোমায় তছনছ হয়ে যাওয়া মাটিতে নিজের পা গেঁথে নিয়ে কবিতা কথা বলে অনেক বছর পরেও; এক নিমেষে দেখিয়ে দেয় তার অর্থছবিকে। বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশক পৃথিবীর ইতিহাসে এক উত্তাল সময়। পরিবর্তনকামী এক সময়। রাজনৈতিক অস্থিরতা আর অন্যায় যুদ্ধের বির...
বিশেষ লেখা•এক মাস আগে
হকিংয়ের বাবার ডায়েরি

হকিংয়ের বাবার ডায়েরি

আলোচিত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং একবার বলেছিলেন, ‘মানুষের উচিত নিজের পায়ের পাতার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ না রেখে আকাশের নক্ষত্রের দিকে তাকানো।’ তিনি নিজেও তাই করেছিলেন বলেই মহাবিশ্বের জটিল বিকাশ, কৃষ্ণগহ্বর আর তার গাণিতিক প্রমাণ তার গবেষণার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ২১ বছর বয়স থেকে মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হন তিনি। রোগের প্রভাবে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হকিংসের হুইলচেয়ারে বসেই কেটে গেছে জীবনের বেশিরভাগ সময়। কিন্তু আশ্চর্য ভাবে সচল তার মস্তিষ্ক খনন করেছে জ্ঞানের গভীর তলদেশ। আলো ফেলেছে রহস্যময় এলাকাগুলোর ওপ...
বিশেষ লেখা•এক মাস আগে
একা এবং একসঙ্গে আমীরুল ইসলাম

একা এবং একসঙ্গে আমীরুল ইসলাম

মানুষের ভিড়ের মধ্যে আমীরুল ভাই পৃথক এক গ্রহের মতো ছিলেন। তার চিন্তার রাজ্যে সেই ভিড়ের কোনো প্রবেশাধিকার ছিল না। দূর থেকে তাকে মুড়ির মতো ছটফটে অনেক কলরবের ভিতরে আবিষ্কার করলেও অন্তর্গত চলাচলে ছিলেন একা। সেই এক পৃথক গ্রহের মতো উপস্থিতি। বলয়ের ভেতরে অবর্তিত হচ্ছে অনেক উপগ্রহ, কিন্তু গ্রহের ওপর তারা ছায়াপাত করে না। সেই ভ্রমণে শিশু সাহিত্যিক, ছড়াকার আমীরুল ইসলাম ছিলেন একা। হয়ত মৃত্যু তাকে বয়ে নিয়ে গেল এই কোলাহল থেকে নৈঃশব্দের সমুদ্রে।এই লেখা যখন লিখছি আমীরুল ভাই তখনও হাসপাতালের বেডে জীবনমৃত্যুর সন্ধি...
বিশেষ লেখা•এক মাস আগে
সবাই ফিরতে চাইছেন ৮০-৯০ এর দশকে, কেমন ছিল সেই সময়

সবাই ফিরতে চাইছেন ৮০-৯০ এর দশকে, কেমন ছিল সেই সময়

অতীতের ওপর মানুষের এক ধরনের অধিকার বোধ থাকে। সেই অধিকারের বোধ তাকে অতীতে ফিরিয়ে নিয়ে যায় কখনো। যদি ধরে নেই অতীত কয়েকটি ছবির সমষ্টি, তাহলে সেই ফেলে আসা জীবনের ছবিগুলো কখনো খুব অদ্ভুত, অথচ সরল আচরণ করে। মরুভূমির বুকে হারিয়ে ফেলা একদা নিজেরই পদচিহ্ন মানুষ খুঁজতে খুঁজতে পেছনের দিকে ফিরে যায়। কোনো একান্ত হাতবাক্সে তুলে রাখা লালচে রঙ ধরে যাওয়া ছবিগুলো ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখে নিজেকে দেখতে চায়। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহু নেট-বাসিন্দা নিজেদের মুখাবয়বকে আট অথবা নয়ের দশকের অবয়বে পরিণত করে ছবি পোস্ট করছ...
বিশেষ লেখা•এক মাস আগে
যে টেলিফোন আসার কথা…

যে টেলিফোন আসার কথা…

কোনো এক মধ্য দুপুরে ল্যান্ডফোন বেজে ওঠে। রিসিভার ওঠাতেই অপরপ্রান্ত থেকে মিহি কন্ঠে কথা বলে ওঠেন এক নারী-‘আপনাদের দোতলা থেকে সাজ্জাদকে একটু ডেকে দেবেন?’‘দোতলায় তো এই নামে কেউ থাকে না...’‘তাহলে কে থাকে?’‘আপনি কে বলছেন?’‘সরি, রং নম্বর...’তারপরই ফোনের রিসিভার নামিয়ে রাখার শব্দ হয়। সংযোগটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অথবা কোনো এক মধ্য রাতের গল্প। নৈঃশব্দ ভেঙে ফোন বাজে। রিসিভার কানে ধরতেই কারো উদ্বিগ্ন কন্ঠস্বর শোনা যায়-‘ভাই, আমি রাজশাহী থেকে বলছি। আপনাদের পাশের বাসায় একটা খবর দেবেন, আতিক সাহেবের বাবা কিছুক্ষণ...
বিশেষ লেখা•এক মাস আগে
সঙ্গ নিঃসঙ্গের উত্তম

সঙ্গ নিঃসঙ্গের উত্তম

সিনেমার দর্শক কাকে মনে রাখতে চান, একজন তারকা না একজন অভিনেতাকে? অভিনেতা যখন পর্দায় নিজের ইমেজকে বহু ব্যবহারের সিলমোহর বানিয়ে ফেলেন, তখন তিনি হয়ে ওঠেন তারকা। লাখো দর্শকের কুর্নিশ তখন তার পায়ে আছড়ে পড়ে। কিন্তু একজন অভিনেতা যখন তার গণ-ইমেজের মুখোশটাকে সরিয়ে দিয়ে নির্দিষ্ট চরিত্রের ভেতরে মিশে যান তখনই তিনি একজন অভিনেতা অথবা নিঃসঙ্গ চরিত্রের প্রতিকৃতি। বাঙালি দর্শকদের কাছে উত্তম কুমার ছিলেন তারকা। কিন্তু তার সাফল্য সমৃদ্ধ অভিনয় জীবনের ট্র্যাজেডি সম্ভবত একটাই—অভিনেতার প্রবল প্রতিভা নিয়ে তিনি বাংলা সিন...
বিশেষ লেখা•এক মাস আগে
দিন যায়...

দিন যায়...

অধীর বাবুর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসালয়ের বাইরে চক চক করছে ভাদ্র মাসের রোদ, আকাশে কেমন দুধের মতো সাদা রঙ। বারান্দার কোনায় যথারীতি মাকড়সায় জাল বুনে চলেছে আগামী শীতের কথা ভেবে। ভাদ্রের দিন একটু একটু করে এগোয় কচ্ছপের মতো। বাড়ইপাড়ার কাছে পুকুরের টান ধরা সবুজ পানিতে মাছেদের শরীরের ছায়া ভেসে ওঠে; গ্রামের পর গ্রামের আকাশ একমনে সেই ছায়া দেখে। এলোমেলো বাতাস ভেদ করে ঘুঘু ডেকে ওঠে কাছেই কোথাও। অধীর বাবুর চিকিৎসালয়ে এখন তেমন রোগী আসে না, সন্ধ্যাবেলা গ্রামের কয়েকজন বৃদ্ধ আসেন পত্রিকা পড়তে। কোনোদিন হ্যারিকেন জ্বলে ব...
বিশেষ লেখা•২ মাস আগে
প্রেমে-অপ্রেমে শিবরাম চক্রবর্তী

প্রেমে-অপ্রেমে শিবরাম চক্রবর্তী

শিবরাম চক্রবর্তীর সাহিত্য সম্পর্কে যাদের অল্প-বিস্তর ধারণা আছে, তারা নিশ্চিতভাবে জানেন, ফেলে-ছড়িয়ে যাপন করা এক জীবনের মধ্যে প্রেমের মৌমাছির যাতায়াত ছিল অবাধে। কিন্তু তাদের গল্পের শেষটা কোনো মীমাংসা ছাড়াই শেষ হয়েছে, আর পরিবর্তে লেখা হয়েছে অনেক গল্প, যার মূল বিষয় নারী এবং প্রেম। গল্প উপন্যাসের সীমানা টপকে আত্মস্মৃতি ‘ঈশ্বর-পৃথিবী-ভালোবাসা ও ভালোবাসা-ঈশ্বর-পৃথিবী’ বই দুটিতেও সেই প্রেম অথবা ভালোবাসা কল্পনা আর বাস্তবে মিলেমিশে আরেক গল্প তৈরি করেছে। প্রথম কৈশোরের প্রেমিকা রিনি, প্রথম যৌবনের সঙ্গিনী না...
বিশেষ লেখা•২ মাস আগে
ঝড়ের পাখির জীবন কাটালাম এই শহরে

ঝড়ের পাখির জীবন কাটালাম এই শহরে

ঝড়ের গতিতে বেড়ে উঠছে শহর ঢাকা। কংক্রিটে মোড়া এক শহর। সেখানে অসংখ্য মানুষ বেঁচে থাকে প্রতিদিন। কারও মন শিকড় ছড়িয়ে গেঁথে বসেছে এ শহরে। আবার কেউ এখানে থেকেও উন্মূল। নব্বইয়ের দশকের কবি টোকন ঠাকুর ১৯৯৪ সাল থেকে ঢাকায় বসবাস করেন। কবিতা লেখেন, এ শহরে ভিড় অথবা নির্জনতার ভেতর দিয়ে পথ হাঁটেন। শহরকে দেখেন, নাগরিকদের দেখেন; শীত, গ্রীষ্ম কেটে যাচ্ছে তার এ শহরে বহুদিন ধরে। এ শহর একজন কবিকে কী দিল এতগুলো বছরে? প্রশ্ন করেছিলাম টোকনকে। উত্তরে টোকন বললেন, ‘এ শহরে এসে চারুকলায় পড়াশোনা করেছি। এখানেই শিল্পী...
ঢাকা ১০০০•২ মাস আগে
কবিদের ফুরফুরে পোশাক-আশাক

কবিদের ফুরফুরে পোশাক-আশাক

কোনো এক ফুরফুরে সকালে দরজায় কড়া নাড়া শুনে খুলতেই দেখি ঝকঝকে চেহারার একজন মানুষ সামনে দাঁড়িয়ে। পরনে বাটিক প্রিন্টের হাফ হাতা শার্ট, কালো ট্রাউজার। তাঁর এক মাথা চুল বসন্তের বাতাসে উড়ছে। কানের দুপাশ দিয়ে নেমেছে মোটা জুলপি, চোখে মোটা ফ্রেমের চমশা, ঠোঁটে কেমন এক বিব্রত হাসি। তিনি বাংলা সাহিত্যের কবি শামসুর রাহমান। বাড়িতে যখনই আসতেন তাঁর প্রথম প্রশ্নটা হতো, ‘তোমার বাবা বাড়িতে আছেন?’কখনো কখনো তাঁকে সাদা অথবা লাল রঙের পাঞ্জাবিতে দেখা যেত। শীতে পরতেন নীল ব্লেজার আর সঙ্গে টকটকে লাল বর্ণ টাই। আবার ষাট বা স...
বিশেষ লেখা•২ মাস আগে