Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
অরক্ষিত রেলক্রসিং পাহারায় ইসলাম
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মতামত

সেই সময় ঈদ আসত আনন্দের পতাকা উড়িয়ে

ইরাজ আহমেদ
ইরাজ আহমেদ
agamir somoy
প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৬, ১১:২১
সেই সময় ঈদ আসত আনন্দের পতাকা উড়িয়ে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

ষাট-সত্তরের দশকে ঢাকা শহরে হাতের শিরার মতো ছড়ানো অসংখ্য সংকীর্ণ অলিগলি বেয়ে ঈদের দিনটা আসত আনন্দের ঝলমলে পতাকা উড়িয়ে। আমাদের দলবেঁধে থাকা, আতরের উষ্ণ ঘ্রাণ মাখা আমাদের সফেদ পাঞ্জাবি-পায়জামা, জড়াজড়ি করে থাকা বাড়িগুলো থেকে ভেসে আসা পোলাও, মাংসের সুঘ্রাণ সেই বিশেষ দিনগুলোকে যেন অন্য রঙে এঁকে দিত।

যে সময়ের কথা লিখছি, তখন সেই শহরটা এত শক্তিশালী হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়েনি। তার বাড়িগুলো আকাশ ছুঁয়ে ফেলার ভীষণ স্বপ্ন দেখতে শুরু করেনি, দেয়ালগুলো উঁচু হয়নি, পথে ভিড় উপচে পড়েনি। সেই নিরিবিলি দিনগুলোতে উৎসবের জামা গায়ে ঈদ আসত বিশেষ আনন্দের গল্প বলতে। তখন ঢাকার নতুন এবং পুরনো অংশে ছোট ছোট অসংখ্য মেলা হতো। এখনকার ফকিরেরপুলের যে বিশাল রাস্তাটা মতিঝিলের ঘাড়ের ওপর নিঃশ্বাস ফেলে, স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে সেটা তৈরি হয়নি।

মাটির রাস্তার পাশে বিশাল লোহার কাঠামো নিয়ে বিশাল পানির ট্যাংকটা সবে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। সেখানেই ঈদের সময়ে মেলা বসত। মাটির তৈরি পুতুল ঝুড়িতে সাজিয়ে বিক্রেতারা আমাদের জন্য অপেক্ষা করত। নিপুণ তুলির টানে রঙ করা হাঁস, মাথা ঝাঁকানো বুড়ো, ঘোড়া, হাতি, বাঘ, বিচিত্র পোশাকে নভোচারী, মাছ, কী থাকত না সেই মেলায়! তখনো মেলায় বিক্রি হতো মুরালী, চিনিতে মাখামাখি ছোট ছোট এক ধরনের সন্দেশ আর জিলাপি। সেই মেলায় বন্ধুরা দলবেঁধে গেলে আমাদের হাতের মুঠোয় থাকত সামান্য কয়েকটা পয়সা। কখনো ঘামে ভিজে উঠত মুঠোবন্দি পয়সাগুলো। কী কিনব, কী কিনব না ভাবতে ভাবতে রুদ্ধশ্বাস সময় বয়ে যেত। কাঠের নাগরদোলার একটানা ঘুরে চলার শব্দ আমাদের মনের মধ্যে ঈদের আনন্দকে তীব্র করে তুলত।

আরও একটু বড় হয়ে এই শহরে ঈদের দিন সার্কাস দেখাতে আসত বিভিন্ন দল। সন্ধ্যাবেলা রীতিমতো তাবুর তলায় বসে যেত জমজমাট সার্কাসের আসর। পুরান ঢাকার বাইরে ক্রমে বেড়ে ওঠা শহরের খালি জায়গায় সার্কাসের আয়োজন করা হতো। গান বাজত মাইকে। রঙিন কাটা কাগজের নিশান উড়ত। মাইকে বারবার সার্কাসে নানা ধরনের খেলার ঘোষণা দেওয়া হতো। সন্ধ্যাবেলা সেই আয়োজনগুলো নিষিদ্ধ আবরণে মোড়া থাকত আমাদের জন্য। কিন্তু সেই তীব্র আকর্ষণ বাধা মানতে মনকে অনাগ্রহী করে তুলত। সার্কাসের আলো, ছুরির খেলা, ‘মৃত্যুকূপে’ মোটরসাইকেলের দুর্ধর্ষ ঝুঁকি আমাদের ঠিক টেনে নিয়ে যেত তাঁবুর নিচে।

তখন এই শহরে রিকশায় ভ্রমণ ছিল ঈদের আনন্দের অংশ। পকেটে খুব বেশি অর্থযোগ ঘটত না। কোনো কোনো গুরুজনকে সালাম করে পাওয়া সামান্য কয়েক টাকা ব্যয় হতো রিকশা ভ্রমণে। ফাঁকা শহরে রিকশায় চড়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়ানো ছিল আমাদের ঈদের বিলাসিতার বড় অংশ। অবশ্য দুপুরবেলা টাকা বাঁচিয়ে সদ্য মুক্তি পাওয়া সিনেমা দেখতে যাওয়াটাও সেই ঈদের দিনগুলোর আনন্দের স্মৃতি হয়ে আছে আজও।

আনন্দের সংজ্ঞা পাল্টে যায়। এই শহরে একদা উৎসবের মতো বয়ে যাওয়া ঈদের দিনের সময়টা এখনো মনের মধ্যে ফ্রেমে বাঁধাই হয়ে আছে। স্মৃতি বেঁচে থাকে এক ধূসর পর্দার আড়ালে। এখন এই শহরে উৎসবের, আনন্দের কাঠামোটা নিজেকে বদলে নিয়েছে। তাতে নতুন রঙ লেগেছে, নতুন সুর লেগেছে। তবু পেছনে ফেলে আসা এক শহরে ঈদের আনন্দের সুর, কত পাওয়া-না-পাওয়ার হাসি-কান্না ছায়াছবির মতো বয়ে যায় চোখের সামনে দিয়ে। ঈদ আসে আনন্দ নিয়ে। আবার দিনটা চলেও যায়। কিন্তু সেই আতরের উষ্ণ ঘ্রাণ, দলবেঁধে থাকা ফুরফুরে দিন, খাবারের সরস আয়োজন মনের মধ্যে মগ্ন হয়ে বাঁশি বাজাতেই থাকে।

ঈদবিশেষ লেখা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    বনমালী

    বনমালী

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া

    পদ্মা যমুনায় এক সেতু রেললাইন ছাড়া

    সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি

    সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি