অভিজ্ঞতার আলো
বেসিক ফিজিকস বোঝার সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ

মুনতাসির হক, কমার্শিয়াল পাইলট
দেশে অ্যাভিয়েশন খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হওয়ায় দক্ষ পাইলটের চাহিদা বেড়েছে। তাই যারা এই পেশায় আসতে চান, তাদের জন্য এইচএসসির পরই প্রস্তুতি নেওয়ার উপযুক্ত সময় বলে মনে করেন কমার্শিয়াল পাইলট মুনতাসির হক। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি তার পরামর্শ হলো, পাইলট হওয়ার সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ— দুই দিকই আগে ভালোভাবে বুঝে নিতে হবে। এরপর কোন দেশে বা কোন ফ্লাইং স্কুলে প্রশিক্ষণ নেবেন, সে বিষয়ে পরিকল্পনা করে আবেদন সম্পন্ন করা উচিত। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আর্থিক ও মানসিক প্রস্তুতিও নিশ্চিত করতে হবে।
শুধু জিপিএ ৫ অর্জনই সাফল্যের একমাত্র মানদণ্ড নয়; বরং বেসিক ফিজিকস বোঝার সক্ষমতা এবং দ্রুত বিশ্লেষণ ও হিসাব করার দক্ষতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
মুনতাসিরের মতে, পাইলট হওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা। নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুম দীর্ঘমেয়াদে ফিটনেস ধরে রাখতে সাহায্য করে। চোখের দৃষ্টি নিয়ে প্রচলিত একটি ভ্রান্ত ধারণার কথা উল্লেখ করে তিনি বললেন, চশমা বা কারেক্টিভ লেন্স ব্যবহার করলেও নির্ধারিত মেডিকেল মানদণ্ড পূরণ করা গেলে পাইলট হওয়া সম্ভব। চাকরির সুযোগ নিয়েও অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে। পাইলট শুধু পুরুষের নয়; নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই সমান সম্ভাবনাময় একটি ক্যারিয়ার।
ককপিটে বসার প্রস্তুতি
২৬ জুলাই ২০২৬
মুনতাসির হকের মতে, এইচএসসি পরীক্ষার আগেই ফ্লাইং স্কুল সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, বাজেট পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নির্ধারণ করে রাখা ভালো। প্রশিক্ষণের সময় কোনো ইনস্ট্রাক্টরের সঙ্গে শেখার পরিবেশ অনুকূল না হলে প্রয়োজন অনুযায়ী ইনস্ট্রাক্টর পরিবর্তনের সুযোগও শিক্ষার্থীদের বিবেচনায় রাখা উচিত।





