অভিজ্ঞতার আলো
প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত দুটোই জরুরি

আমি স্নাতক করেছি সমাজকর্মে। মূলত প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ থেকেই সাইবার সিকিউরিটি পেশায় আসা। বর্তমানে ডিজিটাল সেবা, বড় প্রযুক্তি ও মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোয় সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের চাহিদা তুলনামূলকভাবে বেশি। এসব প্রতিষ্ঠানে বিপুল পরিমাণ গ্রাহক ও আর্থিক তথ্য থাকে। ফলে সাইবার হামলার ঝুঁকিও বেশি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দক্ষ জনবলের প্রয়োজন বাড়ছে।
সাত বছরের অভিজ্ঞতায় সাইবার সিকিউরিটির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় যে পরিবর্তন দেখেছি, তা হলো আক্রমণের পরিধি বেড়ে যাওয়া। আগে ওয়েবসাইট বা সিস্টেম হ্যাকিং নিয়েই বেশি আলোচনা হতো। এখন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, ডেটা ও বিভিন্ন ধরনের অ্যাকসেসও বড় লক্ষ্য।
এআই শক্তিশালী হওয়ার কারনে একজন সাইবার অপরাধী একই সময়ে একাধিক জায়গায় হানা দিতে পারছেন। তাই ভবিষ্যতে এআইকে কাজে লাগিয়ে সাইবার ঝুঁকি শনাক্ত ও প্রতিরোধ করতে পারে; এমন দক্ষতার চাহিদা বাড়বে।
দেশে বসে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ এখন অনেক। রিমোট সিকিউরিটি অ্যানালিস্ট, এসওসি অ্যানালিস্ট, পেনিট্রেশন টেস্টার, থ্রেট ইন্টেলিজেন্স ও সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি ইংরেজিতে যোগাযোগে সক্ষমতা থাকা জরুরি।সাইবার সিকিউরিটিতে শুধু প্রযুক্তিগত জ্ঞান যথেষ্ট নয়; সংকটের মুহূর্তে ঠান্ডা মাথায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাও থাকতে হয়।
আমি বহুবার এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি, যেখানে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।



