কম গুরুত্ব পেয়েও জন নায়গনে কেন অভিনয় করলেন পূজা?

পূজা হেগড়ে ও থালপতি বিজয়
সুপারস্টার থালপতি বিজয় ও পূজা হেগড়ের রসায়ন বিস্ট সিনেমায় দর্শকরা দারুণ পছন্দ করেছিলেন। পরিচালক এইচ বিনোথের আসন্ন রাজনৈতিক থ্রিলার ‘জন নায়গন’-এ আবারও দেখা যাবে এই জুটিকে।
তবে সম্প্রতি পরিচালক জানান, এই সিনেমায় পূজার স্ক্রিনটাইম বেশ কম। এরপরই প্রশ্ন ওঠে, কেন তবে ছোট চরিত্রে অভিনয় করতে রাজি হলেন এই তারকা অভিনেত্রী? অবশেষে সেই গোপন কারণ প্রকাশ্যে আনলেন পূজার ঘনিষ্ঠ এক সূত্র।
অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রটি জানিয়েছে, কেবল স্ক্রিনটাইমের হিসাব কষে পূজা এই ছবিতে যোগ দেননি। থালপতি বিজয় অভিনয় জীবন ছেড়ে পুরোপুরি রাজনীতিতে মনোনিবেশ করতে যাচ্ছেন, আর জন নায়গনই হলো রূপালি পর্দায় তার শেষ ছবি।
বিজয়ের এই ঐতিহাসিক শেষযাত্রার অংশ হতে এবং সিনেমাটিকে স্মৃতিমধুর করে তুলতেই এতে অভিনয় করতে রাজি হয়েছেন পূজা। বিজয়ের সাথে তার চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থেকেই স্ক্রিনটাইম ছোট হওয়া সত্ত্বেও তিনি সানন্দে সম্মতি জানান।
বিজয় ও পূজা হেগড়ে ছাড়াও এই ছবিতে বড় দুটি চরিত্রে দেখা যাবে বলিউড তারকা ববি দেওল ও তরুণ অভিনেত্রী মমিথা বাইজুকে।
ছবির গল্প নিয়ে চরম গোপনীয়তা রক্ষা করা হলেও অফিশিয়াল সারসংক্ষেপ থেকে জানা গেছে, এটি এক সাধারণ মানুষের গল্প। স্থানীয় এক অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে কীভাবে এক অতি সাধারণ মানুষ সাধারণ জনগণের চোখে প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে অনিচ্ছাসত্ত্বেও জনতার নেতায় পরিণত হয়—তা নিয়েই এগিয়েছে জন নায়গনের মূল কাহিনি।
এইচ বিনোথ পরিচালিত এই মেগা প্রজেক্টটি চলতি বছরের ৯ই জানুয়ারি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেন্সর বোর্ডের আপত্তির কারণে তা আটকে যায়।
সেনাবাহিনী ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ ওঠায় ছবিটি পুনর্মূল্যায়ন কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছিল। সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে চলতি মাসের শুরুতেই সিনেমাটি এ সার্টিফিকেট লাভ করে।
আজ বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বিজয়ের শেষ এই সিনেমাটি, যা দেখতে প্রেক্ষাগৃহে ভক্তদের ঢল নেমেছে।





