বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে অক্ষয় কুমারের ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’

২ দিনেই ৫০ কোটির ক্লাবে অক্ষয় কুমারের ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’
সাপ্তাহিক ছুটির দিন আসতেই বক্স অফিসে রীতিমতো রাজত্ব শুরু করেছে বলিউড খিলাড়ি অক্ষয় কুমারের নতুন কমেডি সিনেমা ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’। মুক্তির প্রথম দিনে দারুণ ব্যবসার পর, দ্বিতীয় দিনে ছবিটির আয় বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ। ফলে মাত্র দুই দিনেই ভারতের পাশাপাশি বিশ্ব বাজারেও শক্ত অবস্থানে পৌঁছে গেছে এই বিগ বাজেট ছবি।
বক্স অফিস ট্র্যাকার স্যাকনিল্কের রিপোর্ট অনুযায়ী, মুক্তির দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ শনিবার ভারতে ছবিটির নেট কালেকশন হয়েছে ২০ কোটি রুপি। যেখানে প্রথম দিন শুক্রবার এটি আয় করেছিল ১৫.২৫ কোটি রুপি। এ ছাড়া মুক্তির আগের দিন ‘পেইড প্রিভিউ’ শোগুলো থেকে ছবিটির পকেটে এসেছিল ৩.৭৫ কোটি রুপি।
সব মিলিয়ে মাত্র দুই দিনে ভারতের বাজারে ‘ওয়েলকাম ৩’ খ্যাত এই সিনেমার মোট নেট কালেকশন দাঁড়িয়েছে ৩৯ কোটি রুপি। আর দুই দিনে ভারতে এর গ্রস কালেকশন ছুঁয়েছে ৪৬.৮০ কোটি রুপি। শুধু দেশেই নয়, ওভারসিজ বা বিদেশের আয় মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী সিনেমাটি এরই মধ্যে ৫৭.৫০ কোটি রুপি আয় করে মাত্র ২ দিনেই হাফ সেঞ্চুরি পার করে ফেলেছে।
আহমেদ খান পরিচালিত এই ছবিটি ২০২৬ সালের বলিউডের তৃতীয় বৃহত্তম ওপেনিং পাওয়া সিনেমার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে সানি দেওলের ‘বর্ডার ২’ (৪৩.৫০ কোটি রুপি) এবং রণবীরের ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ (২৩৮.৬০ কোটি রুপি)।
২০০৭ সালের ব্লকবাস্টার ‘ওয়েলকাম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির এটি তৃতীয় কিস্তি। সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে একদল গ্যাংস্টার, অপরাধী এবং অদ্ভুত কিছু চরিত্রকে কেন্দ্র করে, যাদের জীবন সীমান্তের কাছের একটি জঙ্গলে এসে ওলটপালট হয়ে যায়। একটি সিনেমার শুটিং মনে করে শুরু হওয়া মিশনটি কীভাবে অ্যাকশন ও হাসির এক জগাখিচুড়ি অ্যাডভেঞ্চারে রূপ নেয়, তা-ই দেখা গেছে এই ছবিতে।
অক্ষয় কুমারের পাশাপাশি এই ছবিতে রয়েছে বলিউডের অন্যতম বিশাল কাস্ট বা তারকার মেলা। ছবিটিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুনীল শেঠি, জনি লিভার, রাজপাল যাদব, শ্রেয়াস তালপড়ে, কৃষ্ণা অভিষেক, কিকু শারদা, আফতাব শিবদাসানি, দালের মেহেন্দি, দিশা পাটানি, ফরিদা জালাল এবং কিরণ কুমারসহ আরও অনেকে।
বলিউডে তিন দশকেরও বেশি সময় কাটানোর পরও সিনেমা মুক্তির দিনগুলোয় এক ধরণের ভয় কাজ করে বলে জানিয়েছেন অভিনেতা সুনীল শেঠি। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে সবকিছুই বক্স অফিস পারফরম্যান্সের সঙ্গে যুক্ত। এক শুক্রবারে আপনি হয়তো একদম শীর্ষে থাকবেন, আর পরের শুক্রবারে হয়তো তার উল্টো। তাই প্রতি সপ্তাহেই উত্তেজনা, ভয়, দুশ্চিন্তা আর কৌতূহল কাজ করে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা শুটিংয়ের সময় সিনেমাটি ভীষণ উপভোগ করেছি। তবে সিনেমাটি ভালো নাকি খারাপ, তা শেষ পর্যন্ত দর্শকই ঠিক করবেন; কারণ একেক জনের দেখার দৃষ্টিভঙ্গি একেক রকম।’





