Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়ের ভরসা খান এ রউফ
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সাহিত্য

মানুষের প্রতি যেন আমাদের বিশ্বাস না যায় : যতীন সরকার

শিমুল সালাহ্‌উদ্দিন
শিমুল সালাহ্‌উদ্দিন
agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২১:১৭
মানুষের প্রতি যেন আমাদের বিশ্বাস না যায় : যতীন সরকার

যতীন সরকার (১৮ আগস্ট ১৯৩৬ – ১৩ আগস্ট ২০২৫), প্রতিকৃতি গৌতম কুমার দেবনাথ

শিক্ষাবিদ ও গণবুদ্ধিজীবী যতীন সরকার তার প্রায় নয় দশকের জীবনের বেশিরভাগটাই কাটিয়েছেন দেশ ও মানুষের মুক্তিসংগ্রামের লড়াইয়ের কাতারে থেকে। সারাজীবন তিনি তার সমস্ত বৌদ্ধিক শক্তি ও চেতনা দিয়ে গণমানুষের মুক্তির জন্যই লড়াইয়ের খোরাক জুগিয়ে গেছেন। নিজের বিশ্বাস, আদর্শ আর ধ্যানের জগৎ থেকে কেউ তাকে কোনোদিন একবিন্দু সরাতে পারেননি।

যতীন সরকার ১৯৩৬ সালের ১৮ আগস্ট নেত্রকোনার কেন্দুয়ার চন্দপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজের বাংলা বিভাগের সাবেক এই শিক্ষক সুদীর্ঘকাল ধরে মননশীল সাহিত্যচর্চা, বাম রাজনীতি ও প্রগতিশীল আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি দুই মেয়াদে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অসামান্য ভূমিকা ছিল। লেখক হিসেবে যতীন সরকার ২০১০ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার, ২০০৭ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পদক, ২০০৫ সালে পাকিস্তানের জন্ম-মৃত্যু দর্শন গ্রন্থের জন্য প্রথম আলো বর্ষসেরা গ্রন্থ পুরস্কার পান। এ ছাড়া তিনি ড. এনামুল হক স্বর্ণপদক, খালেকদাদ চৌধুরী সাহিত্য পুরস্কার, মনিরুদ্দীন ইউসুফ সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন। ৪২ বছরের বেশি সময় শিক্ষকতা পেশায় থেকে ২০০২ সালে অবসরগ্রহণের পর যতীন সরকার স্ত্রী কানন সরকারকে নিয়ে শিকড়ের টানে চলে যান নিজ জেলা নেত্রকোনায়। তিনি সেখানে শহরের সাতপাই এলাকার নিজ বাড়িতেই থাকতেন। ছেলে সুমন সরকার, মেয়ে সুদীপ্তা সরকারসহ অসংখ্য স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন যতীন সরকার।

ছাত্রজীবনে লেখালেখি শুরু হলেও যতীন সরকারের প্রথম বই ‘সাহিত্যের কাছে প্রত্যাশা’ প্রকাশিত হয় ১৯৮৫ সালে, ৫০ বছর বয়সে। এরপর একে একে প্রকাশিত হয় বাংলাদেশের কবি গান, বাঙালির সমাজতান্ত্রিক ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সংগ্রাম, গল্পে গল্পে ব্যাকরণ, মানবমন মানব ধর্ম ও সমাজ বিপ্লব, পাকিস্তানের জন্ম-মৃত্যু দর্শন, পাকিস্তানের ভূত দর্শন, দ্বিজাতিতত্ত্ব নিয়তিবাদ ও বিজ্ঞান চেতনা, ধর্মতন্ত্রী মৌলবাদের ভূতভবিষ্যৎ, বিনষ্ট রাজনীতি ও সংস্কৃতি, প্রাকৃতজনের জীবনদর্শন, ভাবনার মুক্তবাতায়নসহ অর্ধশত বই। সেই সঙ্গে তিনি সম্পাদনা করেছেন বহু গ্রন্থ। সমাজ অর্থনীতি ও রাষ্ট্র নামে তত্ত্বমূলক ত্রৈমাসিক একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন তিনি। এই সাক্ষাৎকারটি নেওয়া হয়েছিল তার বাড়ির উঠোনে ২০১৬ সালে, তার জন্মদিনে, বানপ্রস্থে— যেখান থেকেই ১৩ আগস্ট ২০২৫ তিনি চির-অজানার পথে যাত্রা করেন। আগামীর সময়ের পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো।

ভূমিকা ও সাক্ষাৎকার : শিমুল সালাহ্উদ্দিন

ময়মনসিংহ শহরে যতীন সরকারের সঙ্গে আড্ডায় শক্তি চট্টোপাধ্যায়, তসলিমা নাসরীন এবং সৈয়দ শামসুল হক
শিমুল সালাহ্উদ্দিন : স্যার, আমাদের এই সময়ের চিন্তাবিদ, প্রগতিসাধক, শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, সুবক্তা, মার্কসবাদে দীক্ষিত একজন মানুষ যতীন সরকার। আমাদের সংস্কৃতির বড় শিক্ষক, আমরা বাঙালিয়ানা নিয়ে কথা বলতে গেলে যতীন সরকারের কাছে যাই, আমরা কীভাবে বাঙালি হব জানতে যতীন সরকারের কাছে যাই, আমরা আমাদের সংস্কৃতির অনুষঙ্গগুলো চিনতে যতীন সরকারের কাছে যাই। স্যার, আপনি যদি একটু ছোট্ট করে বলেন, আপনার ৮৫ হলো জীবনের, এই যে ভালোবাসা পাচ্ছেন সেটা তো তৃপ্তি; স্যার আপনি এখন সারা দিন কীভাবে কাটান। নতুন কী লিখছেন।

যতীন সরকার : এখন কথা হচ্ছে কী কালের কাছে পরাভূত হতে হয়। আমিও কালের কাছে পরাভূত হয়ে গেছি। ৮৫ বছর বয়সে এসে আমি এখন সমস্ত কাজের বাইরে চলে গেছি। গত এক বছরের মধ্যে আমি একটি অক্ষরও লিখতে পারি নাই। বই পড়তে গেলে বইয়ের অক্ষরগুলি যেন আমার কাছ থেকে দূরে চলে যায়। আমার অবস্থা এখন এমন। তারপরও মানুষের ভালোবাসা যে পেয়েছি, এখনো, এই অবস্থাতে আমাকে সবাই যে ভালোবাসে তার কারণ হচ্ছে আমি মানুষকে ভালোবেসেছি। এই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নাই। আমার ‘পাকিস্তানের জন্ম মৃত্যু দর্শন’, ‘পাকিস্তানের ভূতদর্শন’ এই দুইটি বইয়ের মধ্য দিয়ে আমি মানুষকে ভালোবাসার কথাই বলেছি এবং সেই মানুষ সাধারণ মানুষ। অতি সাধারণ মানুষের মধ্যে আমি বড় হয়েছি, আমি বাংলার কৃষককে দেখেছি।

কৃষক মনস্তত্ত্ব আমি বুঝতে চেষ্টা করেছি। কৃষকের মধ্যে আমি থেকেছি, যদিও আমি নিজে কৃষক নই, কাজেই কৃষকের কাছ থেকে আমি যে বাংলাদেশকে পেয়েছি সেই বাংলাদেশ বাইরে কোথাও পাওয়া যায় না। কারণ নগরে যারা বাস করেন তারা নগরের কথা বলতে পারেন; কিন্তু বৃহত্তর যে দেশ, দেশ বলতে কী বুঝি, দেশ বলতে গ্রাম বুঝি এখনো। যদি বলা হয় আপনার দেশের বাড়ি কোথায়, যদি বলা হয় আপনার গ্রামের বাড়ি কোথায়, গ্রামের সাথে যার সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয়ে গেছে তারা প্রকৃতপ্রস্তাবে দেশটাকে ঠিক বুঝতে পারেন না। কাজেই দেশটাকে বুঝতে হলে গ্রামের ভেতর থাকতে হবে। আমি ভাগ্যবান, কারণ ঢাকা শহরে আমার জীবনে এক মাসের বেশি কখনো থাকি নাই। ঢাকা শহরেও পড়াশোনা করি নাই। আমি মফস্বলে পড়াশোনা করেছি, রাজশাহীর মতো মফস্বলে যে বিশ্ববিদ্যালয় সেখানে আমি এমএ পাস করেছি। আমি মফস্বলেই মাস্টারি করেছি। আমি জীবনে আর কিছু হতে চাই নাই। আমি মাস্টার হতে চেয়েছিলাম, মাস্টার হয়েছি। আমার মনে আছে ক্লাস সিক্সে যখন আমি পড়ি তখন চন্দ্রনাথ হাই স্কুলে একজন প্রফেসর বক্তৃতা করতে আসছিলেন ময়মনসিংহ থেকে, সুরেন্দ্র চক্রবর্তী। তার অনেকগুলো কথা আমার এখনো মনে আছে। মাত্র সিক্সে ভর্তি হব, সেদিন আমি প্রথম জানতে পারি কলেজে যারা মাস্টারি করেন তাদের প্রফেসর বলে। বিশ্বাস করবেন কি না জানি না, সেদিনই আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল যে এই রকম মাস্টারি করা ছাড়া আর কিছু হব না আমি। কাজেই আমি যা করতে চেয়েছি তা হয়েছি, অনেক দুঃখ-দৈন্যের মধ্যে আমি বড় হয়েছি, অত্যন্ত বিত্তহীন একটি পরিবার, যে পরিবারে একটি চর্চা ছিল, সেটি হলো বিদ্যার চর্চা। আমার ঠাকুরদাদা অর্থাৎ আমার পিতামহ অত্যন্ত বিদ্বান মানুষ ছিলেন। তার কাছ থেকেই আমি বিদ্যার প্রথম দীক্ষাটা নিয়েছি এবং আমার বাবার কাছ থেকেও নিয়েছি। এভাবেই আমি ছেলেবেলা থেকে খেলার দিকে মনোনিবেশ করতে পারি নাই। খেলাধুলা আমার মোটেও ভালো লাগত না।

শিমুল সালহ্উদ্দিন : স্যার, আপনি নিজেই লিখেছেন অতি আদরে ইঁচড়ে পাকা হয়েছেন।

যতীন সরকার : ইঁচড়ে পাকা হয়েছিলাম বলে দশ-এগারো বয়সে আমি যা দেখেছিলাম অন্যরা সেভাবে দেখে নাই। আমি ইংরেজ রাজত্ব দেখেছি। সেই ইংরেজ রাজত্ব ভেঙে যখন পাকিস্তান হলো সেই পাকিস্থান ভেঙে বাংলাদেশ হলো। সেই বাংলাদেশ হওয়ার মধ্য দিয়ে আমাদের অনেক আশা-ভরসা ইত্যাদি ছিল। চার মূলনীতিতে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে, সেটি আমরা কামনা করেছিলাম। ৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পরে যে ঘটনা ঘটল; সে ঘটনার ফলে যা হলো, এখন তো পাকিস্তানের ভূত আমাদের ঘাড়ে চেপে বসেছে। যদিও বাংলাদেশে যারা নেতৃত্ব দান করেছিলেন, স্বাধীনতার পর তারা ক্ষমতায় আছেন, তারা নিশ্চয়ই পাকিস্তানের ভূতকে তাড়াবেন, আমরা এই আশাই করি।

প্রিয় মানুষদের পেলেই যতীন সরকার প্রাণখুলে হাসতেন

শিমুল সালাহ্উদ্দিন : স্যার, আপনি সবসময় আপনার বক্তৃতায় বলেন, আপনি যখন উদীচীর সভাপতি ছিলেন তখনো আপনি আপনার নানা বক্তৃতায় বলেছেন, সংস্কৃতি হলো রাজনীতির চূড়ায় বসিয়ে সবকিছুর মধ্যে যে অনুশীলনগত মননগত উৎকর্ষ ও মূল্যচেতনা আছে ....

যতীন সরকার : Culture is the aim, politics only the means. এটি হাঙ্গরীয় দার্শনিক লুকাসের কথা। সেই লুকাসের কথাটি আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি। মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি বলে আমি সংস্কৃতির সাথে নিজেকে যেভাবে হোক যুক্ত রেখেছি। আমি বইপত্র লিখেছি। আমার যদিও সেই যোগ্যতা নাই, তবুও আমি লিখে গেছি, কারণ আমি মাস্টারি করেছি, মাস্টারি করতে গিয়ে যে সমস্ত অভিজ্ঞতা লাভ করেছি সে সমস্ত অভিজ্ঞতা বইয়ের মধ্যে লিখতে চেষ্টা করেছি। যদিও আমি জানি, আমি যথার্থ লেখক হতে পারি নাই, আমার প্রতিভার বিন্দুমাত্র নাই, তবে..

শিমুল সালাহ্উদ্দিন : স্যার, এটা আপনার বিনয় স্যার।

যতীন সরকার : প্রতিভার বিন্দুমাত্র আমার মধ্যে নাই। তবে আমার মধ্যে যেটা আছে তা হলো পরিশ্রম। আমি পরিশ্রমের বদৌলতে যা কিছু করেছি। আমি জেলখানায় গিয়ে দেড় বছর (১৮ মাস) জেলখানায় কাটিয়েছি। ...

শিমুল সালাহ্উদ্দিন : আপনি বলছিলেন, পাকিস্তানের ভূত যে এই দেশের কাঁধে আছে, এটা সরানোর উপায় কী তা যদি একটু বলেন।

যতীন সরকার : পাকিস্তানের ভূত সরানোর জন্য, পাকিস্তানকে নষ্ট পাকিস্তানের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য আমরা যে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম সে মুক্তিযুদ্ধ সম্পূর্ণ হয় নাই। সে মুক্তিযুদ্ধকে সম্পূর্ণ করার জন্য আরেকটা মুক্তিযুদ্ধ রূপে আমাদের অবতীর্ণ হতে হবে। পাকিস্তানের ভূত যেখানে-যেখানে আছে সেগুলো খুঁজে বের করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সকলকে একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে এবং আমাদের চার মূলনীতির সবকিছু জানতে হবে। দেশের মধ্যে একটা রাষ্ট্রধর্ম থাকবে, আবার ধর্মনিরপেক্ষতা থাকবে, এই যে গোঁজামিল— এটা থাকতে পারে না। এটা ছাড়া পাকিস্তানের ভূত সরানোর আর কোনো পথ আছে বলে আমি মনে করি না।

শিমুল সালাহ্উদ্দিন : একদম ঠিক বলেছেন। এজন্য আমাদের লড়াই করতে হবে। স্যার, আপনি খুব ইন্সপায়ারিং, বিখ্যাত শিক্ষক। সারা দেশে প্রচুর শিক্ষক আছেন, যারা আপনাকে ভালোবাসেন, আপনাকে ফলো করেন। আপনি অনেকদিন হলো অবসরে গেছেন, কিন্তু আমি জানতে চাই আপনি শিক্ষকদের কী বলবেন, তাদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত।

যতীন সরকার : শিক্ষকদের আমি বলব শিক্ষা ক্লাসে দেওয়ার বিষয় নয়। আমি নিজে শিক্ষকতা করেছি, ক্লাসে তেমন শিক্ষা দিতে পারি নাই। সেটা জানতাম বলে ক্লাসে ব্যাকরণের বাইরে কথা বলি নাই কিন্তু আমি পাঠচক্র করেছি। বলতে গেলে সারা দেশেই শিক্ষকতা করেছি এবং আমি যে রাজনীতি করেছি সেগুলো আর কিছু না, মাস্টারি করেছি। সারা জীবনভর আমি মাস্টারি করেছি। মাস্টারিটা করতে গেলে জনগণের কাছে আসতে হবে। ক্লাসের ছাত্রদের বাইরে যাইতে হবে। ক্লাসের ছাত্রদের ব্যাকরণ পড়ালে বা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের দুইটা ফর্মুলা পড়ালে সেটি যথেষ্ট নয়। ছাত্রদের মধ্যে এই ভাবনা জাগরিত করতে হবে যে যথার্থ শিক্ষিত হতে হবে এবং যথার্থ শিক্ষিত হতে গেলে স্বশিক্ষিত হতে হবে। স্বশিক্ষিত হতে গেলে সুশিক্ষিত হতে হয়। এই কথাটা বারবার মনে রাখতে হবে, স্বশিক্ষা ছাড়া সুশিক্ষা কখনো পূর্ণ হয় না। কাজেই শিক্ষকের কাজ কী? শিক্ষকের কাজ শিক্ষা দেওয়া নয়। শিক্ষকের কাজ একজন মানুষকে স্বশিক্ষিত হওয়ার পথটা দেখিয়ে দেওয়া। সেই পথটা সকলকে দেখিয়ে দিতে হবে। স্বশিক্ষত যাতে হতে পারে সবাই এবং সেই জায়গাটা ক্লাসের মধ্যে নয়, ক্লাসের বাইরে ছড়িয়ে দিতে হবে। আমি সেই চেষ্টাই সারা জীবন করে এসেছি।

শিমুল সালাহ্উদ্দিন : অসাধারণ। স্যার, একটা ছোট্ট প্রশ্ন করব। আপনি ছেলেবেলায় পিতা-মাতা যে সমস্ত বই আপনাকে পড়তে দিয়েছে, আপনি আপনার লেখায় বলেছেন সেগুলো অপাঠ্য। এগুলোর বাইরে অনেক কিছু পড়ে আপনি ইঁচড়ে পাকা হয়েছেন। আমি জানতে চাই, পাঠের মজা পাওয়া, শিক্ষার্থীরা যেন পড়তে মজা পায়, পড়তে আনন্দ পায়, পড়ার আনন্দ আবিষ্কার করতে পারে, এই জন্য আপনি কী বুদ্ধি দিয়েছেন তাদের, বা আপনি কীভাবে মজাটা আবিষ্কার করেছেন?

যতীন সরকার :

‘অপাঠ্য সব পাঠ্য কেতাব
সামনে আছে খোলা,
কর্তৃজনের ভয়ে কাব্য
কুলুঙ্গিতে তোলা’

এটা অনেকের কাছে সত্য। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে এটা এ কারণে সত্য হয় নাই, কারণ আমার বাবা চাইতেন সকালে এবং সন্ধ্যায় আমি পাঠ্যপুস্তক পড়ি। মানে ইস্কুলের পাঠ্যপুস্তক। কিন্তু এর বাইরে যে সমস্ত বই— সারা দিন সেগুলো আমি পড়েছি এবং কোনো বই পড়ার ওপর আমার কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না। এমনকি আমি ক্লাস টেনে পড়ার সময়ই যৌনবিজ্ঞান পড়েছি। আমার টেবিলে যৌনবিজ্ঞান থাকত। বাবা কোনোদিন বলেন নাই এটা নিষিদ্ধ গল্পের বই। কাজেই আমি তথাকথিত অপাঠ্যপুস্তক বই পড়ে বড় হয়েছি। পাঠ্যপুস্তক দেখলে আমার বমি আসত। তবে হ্যাঁ, পাঠ্যপুস্তক পড়ে আমি কোনোরকমে পাস করেছি, আবার মাস্টারিও করেছি। কিন্তু সবসময় আমি কৃতজ্ঞ থাকব অপাঠ্যপুস্তকগুলোর ওপরে। পাঠ্যপুস্তকগুলোর ওপরে নয়।

শিমুল সালাহ্উদ্দিন : অসাধারণ। স্যার, আপনাদের সময়ে আপনি যখন প্রেমে পড়েছেন, ১৯৩৪ সালে আপনার জন্ম, পাকিস্তান আমলে হয়তো প্রেমে পড়েছেন, বিয়ে করেছেন। আমি মিনতি মাসিকে এর মধ্য দিয়ে নমস্কার জানাচ্ছি। স্যার, আপনি যৌনবিজ্ঞানের কথা বললেন। এর মধ্য দিয়ে আমার মনে হলো, তখন নারীরা অনেক বেশি ঘরে ছিলেন, অবরুদ্ধ ছিলেন। এখন নারীরা পুরুষের মতোই সকল কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। জ্ঞান-বিজ্ঞানে তাদের অবদান রাখছেন, বিমান চালাচ্ছেন। নারীর যেই প্রথাগত অর্থাৎ মান্ধাতা আমলের কর্মকাণ্ডের বাইরে গিয়ে পুরুষের সমকক্ষ হয়ে কাজ করছেন। নারীকে যখন এমন কিছু করতে দেখেন তখন আপনার কেমন লাগে?

যতীন সরকার : আমার কাছে তখন ইতিহাসটা মনে হয়। বর্তমানে টিভিতে একটা নাটক চলছে। সে নাটকটা হলো কাদম্বিনী। সে নাটকটা হলো ভারতবর্ষের মধ্যে কাদম্বিনী প্রথম মহিলা ডাক্তার। সে জন্য তাকে যে সংগ্রাম করতে হয়েছে; শুধু তাকে নয়, তার মতো আরও কয়েকজনকে মিলে একজন শিক্ষক তাকে সামনে বাহির করে নিয়ে এসেছেন। এটা খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। ১৮৬১ সালে কাদম্বিনীর জন্ম এবং ১৮৭৬ সালেও দেখা গেছে মেয়েরা লেখাপড়া শিখতে পারবে না। মেয়েদের ডাক্তার দেখানোও নিষেধ ছিল। এগুলোর বিরুদ্ধে সংগ্রাম না করলে আজকের এই অবস্থা চলে আসতে পারত না। তারা সংগ্রাম করেছে, তারও ৫০ বছর পর মুসলমানদের মধ্যে বেগম রোকেয়া জন্মগ্রহণ করেছেন। সেই বেগম রোকেয়ার সংগ্রামের মধ্য দিয়ে মুসলমান সমাজের অগ্রসরতা দেখা গিয়েছে। কাজেই দেখা গেছে মুসলমান সমাজ হয়েছে, কিন্তু হিন্দু সমাজ আগেই অগ্রসর ছিল। এটা হিন্দু সমাজের একটা অংশ, কিন্তু সমাজের সব অংশ নয়। সেই অগ্রসর হওয়াটার মধ্য দিয়ে ফিরে এসেছি। কিন্তু তারপরও ঘরে ঘরে নারীত্বের যে অবমাননা করা হয়েছে— আমরা দেখাতে পারি যে, আমাদের প্রধানমন্ত্রী নারী, বিরোধীদলীয় নেত্রী নারী, অমুক নারী, তমুক নারী। একটু উপরের দিকে আছে ঠিকই কিন্তু এখন পর্যন্ত নারীর প্রতি যে অসম্মান, নারীর যে ঘরে ঘরে নানা রকম নিবৃত্তির স্বীকার হওয়া, সেটা কিন্তু এখন পর্যন্ত যায় নাই। কাজেই এই যে নারী আন্দোলন যেটাকে বলা হয়— এটা আলাদা করে নারী দেখলে চলবে না। এটা মানবিকতার আন্দোলন হিসেবে দেখতে হবে। মানুষ হতে গেলে নারী-পুরুষ মিলেই মানুষ হতে হবে। সেই অবস্থাটা আমাদের মধ্যে এখনো প্রকৃত প্রস্তাবে সৃষ্টি হয়ে ওঠে নাই। এই আন্দোলন যেটা ১৮৭৬ সালে শুরু হয়েছিল সেটা এই পরিপ্রেক্ষিতে চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

শিমুল সালাহ্উদ্দিন : স্যার, আপনি একটা অনুষ্ঠানের মধ্যে, আমরা বেশি সময় নেব না। আপনাকে একটু জানাই— আমাদের পেজে অনেকে অনুষ্ঠানটা দেখছেন এবং তারা আপনার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, আপনাকে ভালোবাসা জানিয়েছেন। তার মধ্যে আমি যদি নাম বলি মাহমুদ হাফিজ ভাই থেকে শুরু করে আরও অনেকেই আপনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। স্যার, আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করি। আপনার শরীরের খবর যদি বলেন আপনার গুণগ্রাহীদের জন্য।

যতীন সরকার : আমার শরীরের খবর বলতে গেলে খুবই খারাপ। শরীর না শুধু, আমার এখন সবকিছু, মাথা পর্যন্ত খারাপ। মাথা খারাপ বলতে পাগল হয়ে গেছি তা না। এর মধ্যে একটা বছর হয়ে গেল লিখতে পারি না, পড়াশোনা করতে পারি না। হয়তো এটা বয়সের দোষ, এটা একটা রোগ। এ রোগে আমি ভুগছি। কাজেই আমি কাউকে কিছু দেব এটা এখন আর নাই। আমি এখন জীবন মঞ্চ থেকে বিদায় নিতে পারলেই বাঁচি। এই হলো আমার বর্তমানের অবস্থা।

শিমুল সালাহ্উদ্দিন : জীবন মঞ্চ থেকে বিদায়ের এখনো দেরি আছে স্যার। আপনি কি স্যার ডিকটেশন দিয়ে লেখাতে পারেন এখন? ধরেন স্যার, আপনি পড়লেন আমি লিখলাম।

যতীন সরকার : না, না। আমি এরকম না। আমি বলি, আমি কষ্ট লেখক। একটা সেনটেন্স লিখতে অনেক সময় এক ঘণ্টা চলে যায়। একটা ছোট্ট প্রবন্ধ লিখতেও আমার ছয় মাস লেগে যায়। আমার লেখার কাটাকুটি দেখলে অবাক হয়ে যাবে, বলবে এ কী করে লেখে। আমি এভাবেই লিখেছি। কষ্ট লেখক হয়ে বড় হয়েছি। ডিকটেশনে লেখার মতো ক্ষমতা, বুদ্ধি বিদ্যা আমার নাই।

বানপ্রস্থে অধ্যাপক যতীন সরকারের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন কবি শিমুল সালাহ্উদ্দিন
শিমুল সালাহ্উদ্দিন : আমাকে যদি আর পাঁচ মিনিট সময় দিতেন স্যার। আপনার ছাত্র কবি নির্মলেন্দু গ‍ুণ। আমি জানি আপনার ভালো বন্ধু কবি মোহাম্মদ রফিক, আহমদ রফিক স্যার কিংবা এরকম অনেকে; যাদের সাথে আপনি উদীচীর হয়ে সারা দেশে বক্তৃতা করেছেন।

যতীন সরকার : বক্তৃতা নয়, মাস্টারি।

শিমুল সালাহ্উদ্দিন : হা হা। যাদের সাথে আপনি উদীচীর হয়ে সারা দেশে মাস্টারি করেছেন। ... আপনি কখনো কবিতা লেখেন নাই, ছোটবেলা ছাড়া। কিন্তু আপনি বলছেন যে, আপনি কষ্ট করে পরিশ্রম করে লিখেছেন। কিন্তু স্যার আপনি তো কবিতা পড়েছেন। কবিতা পাঠ করেছেন প্রচুর। রবীন্দ্রনাথ প্রায় সব আপনার মুখস্ত। শরৎ, বঙ্কিম আপনি পড়িয়েছেন শিক্ষার্থীদের। সেগুলোও আপনার মুখস্ত। আমি ছোট্ট করে জানতে চাই যে আপনি সাম্প্রতিক সময়ের কবিতাও পড়েন, পত্রপত্রিকার মাধ্যমে। আমাদের কবিতা নিয়ে আপনার কী ধারণা? কেমন হচ্ছে?

যতীন সরকার : কবিতা নিয়ে ধারণা করার মতো ক্ষমতা আমার নাই। এ কারণে অনেক কবি আমার ওপর ক্ষেপে উঠবে। কাজেই কবিদের ক্ষেপানোর ইচ্ছা আমার একটুও নাই। নির্মলেন্দু গ‍ুণ আমার ছাত্র ছিল। সেই নির্মলেন্দু গ‍ুণ কবি না। নির্মলেন্দু গ‍ুণ কবি হয়েছে আমি গৌরব করি। কিন্তু এই গৌরবের ভেতর এটুকু আমি বলতে পারি না নির্মলেন্দুকে আমি কবি বানিয়েছি। কবি কাউকে বানানো যায় না। তবে এটুক আমি বলতে পারি নির্মলেন্দু যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে, কবিতায় সেই জনপ্রিয়তা সর্বত্র নিশ্চিত হওয়া দরকার। এমনকি আমি মনে করি কবি শামসুর রাহমানও আগে যে ধরনের কবিতা লিখতেন, নির্মলেন্দু গ‍ুণের ‘হুলিয়া’র অনেক পরে যে কবিতাগুলো লিখেছেন— সেই কবিতাগুলো অন্যরকম হয়ে গিয়েছে। সকলের কাছে বোধগম্য হয়েছে। পাঠ্য হয়েছে। সকলের কাছে পাঠ্য হতে হবে এবং কবিতা হতে হবে।

এক কবিতে কাব্য লেখেন, আরেক কবি বোঝেন
বাদবাকিরা খাটিয়ে মাথা মর্মবাণী খোঁজেন
মর্মবাণী খুঁজতে গিয়ে একটু বেদিক (!) হন
কবি বলেন, কাব্য বোঝার যোগ্য সবাই নন।

কাজেই কবি বলেন, কাব্য বোঝার যোগ্য সবাই নন। এরকম কবি আমরা চাই না। আমাদের জন্য ওই ধরনের কবি দরকার, যার কবিতা পড়লে আমাদের অন্তর সায় দেয়, আমাদের অন্তর ভরে যায়। সোজা কথা এটা।

শিমুল সালাহ্উদ্দিন : তার মানে কি স্যার আপনার প্রিয় কবি নির্মলেন্দু গ‍ুণ? সবাই বুঝতে পারে।

যতীন সরকার : নির্মলেন্দু গ‍ুণ, শামসুর রাহমান এমনকি আল মাহমুদ। এরা আমার প্রিয় কবি। এরকম আরও প্রিয় কবি আছেন, যাদের নাম বলে আমি অন্যদের কষ্ট দিতে চাই না। অনেক কবিই আছেন, যেগুলো কেবল কবি বোঝেন— এই ধরনের কবিতা আমি পড়ি না।

শিমুল সালাহ্উদ্দিন : শেষ প্রশ্ন স্যার। এই যে একটা বর্ণাঢ্য জীবন কাটালেন। ৮৫ বছরে আপনার অর্জন, পুরস্কার, কোনো কিছুই কম নয়। জীবনে কোনো আক্ষেপ আছে স্যার?

যতীন সরকার : না। কোনো আক্ষেপ নাই আমার। যা দেখেছি, যা পেয়েছি তুলনা তার নাই। আমি সবচেয়ে বেশি পেয়েছি মানুষের ভালোবাসা। সাধারণ মানুষের ভালোবাসা। গ্রামের মানুষের ভালোবাসা। কৃষকের ভালোবাসা। এর চেয়ে বড় পুরস্কার আর নাই। আমি অনেক বড় বড় পুরস্কার পেয়েছি। স্বাধীনতা পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, এগুলোর জন্য আমি অবশ্যই কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ। কিন্তু সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞ সাধারণ মানুষের কাছে। সাধারণ মানুষের ভালোবাসাই আমাকে এ পর্যন্ত এনেছে। আমি বলব, ‘মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ’— রবীন্দ্রনাথের এই কথাটা আমি বিশ্বাস করি এবং সকলেই এই কথা বিশ্বাস করুক। মানুষের প্রতি যেন আমাদের বিশ্বাস না যায়।

শিমুল সালাহ্উদ্দিন : এই জাতিকে আপনি কী বলবেন স্যার। আপনার দেশের মানুষ, আপনি যদি কালকে না থাকেন এই দেশকে নিয়ে আপনার স্বপ্নের জায়গাটা বলেন স্যার। আমরা শেষ করব।

যতীন সরকার : আমার স্বপ্ন বলতে কিছু নাই। দেশের মানুষ, মানুষ হোক। মানুষকে ভালোবাসুক। মানুষকে ভালোবাসার জন্য যা যা করা দরকার সবটাই করুক। এই হলো আমার কামনা। আর কিছু না।

শিমুল সালাহ্উদ্দিন : অনেক ধন্যবাদ স্যার, আমাদের সময় দেওয়ার জন্য। আপনাকে আবারও জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আপনাকে ভালোবাসি। আপনি সুস্থ থাকেন, সবল থাকেন। আপনি বলছিলেন যে আপনার মাথা পাগল না হোক। সবসময় এরকম রসিক থাকেন স্যার।

যতীন সরকার : ধন্যবাদ তোমাকে। তোমাদের কথা সত্য হবে না জানি, কিন্তু তোমাকে ধন্যবাদ। ভালো থেকো।

শিমুল সালাহ্উদ্দিন : আপনিও ভালো থাকবেন স্যার।

যতীন সরকারপ্রয়াণ দিনের স্মরণ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    অসহায়ের ভরসা খান এ রউফ

    অসহায়ের ভরসা খান এ রউফ

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪৯

    পাচারের অর্থে যুক্তরাজ্যে ১৬ বাড়ি!

    পাচারের অর্থে যুক্তরাজ্যে ১৬ বাড়ি!

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫০

    চা বাগান কি মঙ্গলগ্রহে

    চা বাগান কি মঙ্গলগ্রহে

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:০৬

    অবিশ্বাস্য এক দিন পার করল বাংলাদেশ

    অবিশ্বাস্য এক দিন পার করল বাংলাদেশ

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১৩

    জট খুলছে না পাকাচ্ছে

    জট খুলছে না পাকাচ্ছে

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩৪

    সামিটের টার্মিনাল বন্ধ, আরও বাড়ল এলএনজি সংকট

    সামিটের টার্মিনাল বন্ধ, আরও বাড়ল এলএনজি সংকট

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৩৯

    কক্সবাজারে বাসচাপায় লেগুনার ৪ আরোহী নিহত

    কক্সবাজারে বাসচাপায় লেগুনার ৪ আরোহী নিহত

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৪:২২

    সবকিছুর আগে জাতি নির্মাণ করা জরুরি

    সবকিছুর আগে জাতি নির্মাণ করা জরুরি

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪৫

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড বিজয়ীদের সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড বিজয়ীদের সাক্ষাৎ

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৩৯

    প্রধানমন্ত্রীর ভারত ও জাপান সফর চূড়ান্ত হয়নি : শামা ওবায়েদ

    প্রধানমন্ত্রীর ভারত ও জাপান সফর চূড়ান্ত হয়নি : শামা ওবায়েদ

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৩৮

    ডিয়ার ফিদেল : মাই লাইফ, মাই লাভ, মাই বিট্রেয়াল

    ডিয়ার ফিদেল : মাই লাইফ, মাই লাভ, মাই বিট্রেয়াল

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫৪

    রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলই বিএনপির প্রার্থী

    রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলই বিএনপির প্রার্থী

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৪

    দিন গোনা ছাড়া কিছু করার নেই : বিদ্যুৎমন্ত্রী

    দিন গোনা ছাড়া কিছু করার নেই : বিদ্যুৎমন্ত্রী

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৩৮

    ৩ পদ শূন্য করে ১ পদ পূর্ণ করতে চলেছেন মির্জা ফখরুল

    ৩ পদ শূন্য করে ১ পদ পূর্ণ করতে চলেছেন মির্জা ফখরুল

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৯:২৩

    ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে বিক্ষোভ-ভাঙচুর, ইউএনওকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

    ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে বিক্ষোভ-ভাঙচুর, ইউএনওকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

    ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫৯

    advertiseadvertise