জাপানে দুই বছর পড়ার সুযোগ পাবেন রাবির শিক্ষার্থীরা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের স্নাতক পর্যায়ে দুই বছর জাপানে পড়াশোনার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত ‘২+২’ একাডেমিক প্রোগ্রামের আওতায় শিক্ষার্থীরা স্নাতকের প্রথম দুই বছর রাবিতে এবং পরবর্তী দুই বছর জাপানের অংশীদার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ পাবেন। প্রোগ্রামটি সফলভাবে সম্পন্ন করলে সংশ্লিষ্ট জাপানি প্রতিষ্ঠান থেকে আনুষ্ঠানিক সনদ পাওয়ার সুযোগও থাকবে।
রোববার (১৬ আগস্ট) ঢাকার বনানীর হোটেল আমারি ঢাকায় রাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলামের সঙ্গে জাপানের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। সোমবার (১৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাপানের ওকায়ামা শোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের ভাইস-চেয়ারম্যান ড. হিরোইউকি ইজিরির নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। একই দিন রাতে প্রিফেকচারাল ইউনিভার্সিটি অব হিরোশিমার লাইফ সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. শিনজিরো ওগিতাও উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।
সাক্ষাৎকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও জাপানের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা, শিক্ষার্থী বিনিময় এবং যৌথ শিক্ষা কার্যক্রম জোরদারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এর অংশ হিসেবে একাডেমিক এক্সচেঞ্জ এবং ‘২+২’ একাডেমিক প্রোগ্রাম চালুর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়।
এসময় আরও বলা হয়, প্রস্তাবিত ‘২+২’ প্রোগ্রামের আওতায় নির্ধারিত একাডেমিক যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত পূরণকারী শিক্ষার্থীরা প্রথম দুই বছর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করবেন। পরবর্তী দুই বছর নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা জাপানের অংশীদার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করবেন। প্রোগ্রামটি সফলভাবে সম্পন্ন করার পর সংশ্লিষ্ট জাপানি প্রতিষ্ঠান থেকে আনুষ্ঠানিক সনদ পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
রাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, প্রস্তাবিত একাডেমিক সহযোগিতা রাবি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একাডেমিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত করবে। পাশাপাশি এটি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, গবেষণা সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থী আদান-প্রদানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।






