সাদেকা হালিমের স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনালে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সাদেকা হালিম। ছবি: সংগৃহীত
হিজাব ও নিকাব পরা নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিতর্কিত ভূমিকার অভিযোগসহ বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সাদেকা হালিমের স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য।
সিন্ডিকেটের একাধিক সদস্য জানান, হিজাব ও নিকাব পরার কারণে নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াসহ বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত তদন্ত কমিটি এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর তাদের প্রতিবেদন সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করে।
প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর অধ্যাপক সাদেকা হালিমের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত হয়। পরে বিষয়টি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়েছে।
এক সিন্ডিকেট সদস্য আগামীর সময়কে বলেন, ‘অধ্যাপক সাদেকা হালিম স্থায়ী বহিষ্কার হবেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। তার স্থায়ী বহিষ্কারের বিষয়ে সবাই একমত।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী লীগপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন নীল দলের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন অধ্যাপক সাদেকা হালিম। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হন। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ওই পদ থেকে সরে যান তিনি।
এর আগে অধ্যাপক সাদেকা হালিমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে একাধিকবার দাবি জানিয়েছিলেন ডাকসু নেতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একাংশ।




