প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে আইন বিভাগের এলএলএম ৪২তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের এলএলএম ৪২তম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির
নতুন স্বপ্ন, প্রত্যাশা আর আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের এলএলএম ৪২তম ব্যাচের যাত্রা শুরু। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারী লেইনস্থ ভবনে নবাগত শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
আজ শনিবার আইন বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক অনুপ কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইন অনুষদের অ্যাডজাঙ্কট ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ মোরশেদ মাহমুদ খান এবং সহকারী ডিন তানজিনা আলম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিযোগ কমিটির আহ্বায়ক ড. মেহের নিগার এবং সহকারী অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এলএলএম ৪২তম ব্যাচের পরামর্শক ও আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিল্লোল সাহা।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিযোগ কমিটির আহ্বায়ক ড. মেহের নিগার এবং সহকারী অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এলএলএম ৪২তম ব্যাচের পরামর্শক ও আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিল্লোল সাহা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন,‘আইন বিভাগে অভিজ্ঞ, জ্ঞানসমৃদ্ধ ও প্রতিষ্ঠিত শিক্ষকদের উপস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গর্বের বিষয়। তাদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও অবদানের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছেছে।’
উপাচার্য বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের সময় আইন বিভাগের ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের অনুরোধ ও চাপের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে শিক্ষার গুণগত মানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস না করে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি। এ প্রক্রিয়ায় আইন বিভাগের শিক্ষকরা গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা করেছে।’
অনুষ্ঠানে আইন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির এলএলএম প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া নবাগত শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।



