প্রশিক্ষণের আগেই পদায়ন চান প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষক

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থী প্রশিক্ষণের আগেই পদায়ন ও যোগদানের দাবি জানিয়েছেন। আজ রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা এ দাবি জানান।
এতে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণ শুরুর আগে বিদ্যালয়ভিত্তিক পদায়ন সম্পন্ন করা হোক। নিয়োগপত্রে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের নামও উল্লেখ করার দাবি জানান তারা।
তাদের ভাষ্য, পদায়ন না হলে বেতন-ভাতা পেতে দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি হবে। প্রশাসনিক জটিলতাও বাড়বে। প্রশিক্ষণ আগে হলে বেতন চালু হতে আরও কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।
তারা জানান, তারা প্রশিক্ষণের বিরোধী নন। দক্ষ ও মানসম্মত শিক্ষক হতে প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তারা স্বীকার করেন। তবে প্রশিক্ষণের আগে পদায়ন করলে শিক্ষক সংকটও দ্রুত কমানো সম্ভব হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট রয়েছে। দ্রুত পদায়ন হলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পাঠদান পাবে। দীর্ঘদিন ধরে তারা নিয়োগের অপেক্ষায় আছেন। অনেকেই আগের চাকরি ছেড়েছেন। অনেক পরিবার এখন আর্থিক সংকটে রয়েছে। তাই মানবিক দিক বিবেচনায় দ্রুত পদায়নের দাবি জানান তারা।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সনদ যাচাই শেষ হয়। এরপরও যোগদান প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। গত এপ্রিলের শেষ দিকে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা আন্দোলনে নামেন। পরে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, প্রশিক্ষণসহ কিছু শর্ত পূরণের পর তাদের যোগদান করানো হবে।




