Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
৫ হাজার ব্যাগ রক্ত জোগাড় করে দিয়েছেন তৌফিক
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় অর্থনীতি

সাক্ষাৎকার

এটি প্রতিযোগিতার ধরন পরিবর্তন করবে

অর্থনৈতিক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৫১
এটি প্রতিযোগিতার ধরন পরিবর্তন করবে

মতিউল হাসান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মার্কেন্টাইল ব্যাংক

প্রশ্ন: বাংলা কিউআর চালুর প্রয়োজন হলো কেন, ব্যাংক ও এমএফএসের পৃথক কিউআর ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা কী ছিল?

উত্তর: বাংলাদেশে ডিজিটাল পেমেন্ট দ্রুত সম্প্রসারিত হলেও ব্যাংক, এমএফএস ও অন্যান্য পেমেন্ট সেবাদাতার পৃথক কিউআর ব্যবস্থার কারণে একটি বিচ্ছিন্ন ইকোসিস্টেম তৈরি হয়েছিল। একজন মার্চেন্টকে অনেক ক্ষেত্রে একাধিক কিউআর প্রদর্শন করতে হতো এবং গ্রাহকদেরও নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভর করতে হতো। বাংলা কিউআর এই সীমাবদ্ধতা দূর করে একটি একক ও আন্তঃকার্যক্ষম প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। এর ফলে একটি কিউআরের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক, এমএফএস ও পেমেন্ট সেবাদাতার গ্রাহক লেনদেন করতে পারবেন। এটি ডিজিটাল পেমেন্টকে আরও সহজ, গ্রহণযোগ্য এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলবে।

প্রশ্ন: একটি জাতীয় কিউআর চালুর ফলে গ্রাহক, মার্চেন্ট ও ব্যাংক— এই তিন পক্ষের সবচেয়ে বড় লাভ কী হবে?

উত্তর: গ্রাহকদের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সহজতা ও স্বাধীনতা। তারা যেকোনো অংশগ্রহণকারী ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ ব্যবহার করে একই কিউআরে পেমেন্ট করতে পারবেন। মার্চেন্টদের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, একটি কিউআর দিয়েই বৃহত্তর গ্রাহকগোষ্ঠীকে সেবা দেওয়ার সুযোগ। এতে পরিচালনাগত জটিলতা কমবে এবং ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ বৃদ্ধি পাবে। ব্যাংকগুলোর জন্য এটি ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণ, নতুন গ্রাহক অর্জন এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার পরিধি বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করবে।

প্রশ্ন: বাংলা কিউআর কি বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় একটি ‘গেম চেঞ্জার’ হতে পারবে? কেন?

উত্তর: আমার বিশ্বাস, বাংলা কিউআর দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ গেম চেঞ্জার হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতীয় ও আন্তঃকার্যক্ষম পেমেন্ট অবকাঠামো ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

ভারতের ইউপিআই, থাইল্যান্ডের প্রম্পটপে, কম্বোডিয়ার বাকং এবং ব্রাজিলের পিক্স দেখিয়েছে একটি একক জাতীয় পেমেন্ট অবকাঠামো কীভাবে দ্রুত ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার ঘটাতে পারে। বাংলা কিউআরও বাংলাদেশের জন্য একই ধরনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এর সফলতা নির্ভর করবে ব্যাপক মার্চেন্ট গ্রহণযোগ্যতা, গ্রাহকের আস্থা এবং ব্যবহারিক সুবিধার ওপর।

প্রশ্ন: বাংলা কিউআর চালুর ফলে ব্যাংকগুলোর ব্যবসায়িক মডেল ও প্রতিযোগিতার ধরন কীভাবে বদলাবে?

উত্তর: আগে প্রতিযোগিতা অনেকাংশে নিজস্ব পেমেন্ট অবকাঠামো ও নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। বাংলা কিউআর চালুর ফলে অবকাঠামোগত প্রতিযোগিতার পরিবর্তে সেবার মান, গ্রাহক অভিজ্ঞতা, উদ্ভাবন এবং মূল্য সংযোজনভিত্তিক সেবার ওপর গুরুত্ব বাড়বে। ব্যাংকগুলোকে এখন আরও বেশি মনোযোগ দিতে হবে ডিজিটাল সেবা, মার্চেন্ট সহায়তা, লয়্যালটি প্রোগ্রাম, ঋণ সুবিধা এবং গ্রাহককেন্দ্রিক উদ্ভাবনের দিকে।

প্রশ্ন: একটি কিউআর দিয়েই কি সব ব্যাংক, এমএফএস ও পেমেন্ট সেবাদাতার মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করা সম্ভব হবে? এর বাস্তবায়নে কোনো সীমাবদ্ধতা আছে কি?

উত্তর: বাংলা কিউআরের মূল লক্ষ্যই হলো একটি কিউআরের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী সব ব্যাংক, এমএফএস ও পেমেন্ট সেবাদাতার গ্রাহকদের লেনদেনের সুযোগ তৈরি করা। তবে এর সফল বাস্তবায়নের জন্য প্রযুক্তিগত সংযোগ, সিস্টেমের নিরবচ্ছিন্ন কার্যকারিতা, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রস্তুতি এবং ব্যবহারকারীদের সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ। প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু বাস্তবায়নগত চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

প্রশ্ন: বাংলা কিউআর নগদ লেনদেন কমাতে এবং ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়তে কতটা কার্যকর হবে বলে মনে করেন?

উত্তর: বাংলা কিউআর নগদনির্ভর অর্থনীতি থেকে ডিজিটাল অর্থনীতিতে উত্তরণের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে। তবে শুধু প্রযুক্তি নয়, এর জন্য প্রয়োজন ব্যাপক মার্চেন্ট গ্রহণযোগ্যতা, গ্রাহকের আস্থা এবং সহজ ব্যবহারযোগ্যতা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দেখা গেছে যে, ডিজিটাল পেমেন্ট তখনই জনপ্রিয় হয়, যখন তা নগদের তুলনায় বেশি সুবিধাজনক হয়। বাংলা কিউআর সেই সুযোগ তৈরি করেছে। যথাযথ সচেতনতা ও প্রণোদনার মাধ্যমে এটি নগদ লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সক্ষম হবে।

লেনদেনের সহজ মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই লক্ষ্য
মতিউল হাসান
ব্যবস্থাপনা পরিচালক
মার্কেন্টাইল ব্যাংক

প্রশ্ন: আপনার ব্যাংকের কতজন মার্চেন্টকে বাংলা কিউআরের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে? এ বিষয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্য কী?

উত্তর: মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি এরই মধ্যে ডিজিটাল মার্চেন্ট ইকোসিস্টেম সম্প্রসারণে কাজ করছে। আমরা ধাপে ধাপে বিদ্যমান মার্চেন্টদের বাংলা কিউআরের আওতায় আনতে এবং নতুন মার্চেন্ট যুক্ত করতে আগ্রহী। আমাদের লক্ষ্য শুধু সংখ্যাগত সম্প্রসারণ নয়; বরং সক্রিয় ব্যবহার নিশ্চিত করা। আমরা এমন একটি টেকসই মার্চেন্ট নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ডিজিটাল পেমেন্ট হবে দৈনন্দিন ব্যবসার একটি স্বাভাবিক অংশ।

প্রশ্ন: গ্রাহকদের বাংলা কিউআর ব্যবহারে উৎসাহিত করতে আপনার ব্যাংক কি কোনো ধরনের প্রণোদনা বা ক্যাম্পেইন চালাবে?

উত্তর: ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ বাড়ানোর জন্য গ্রাহক সচেতনতা ও প্রণোদনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রম, ক্যাশব্যাক, ডিসকাউন্ট, মার্চেন্ট অফার এবং সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করছে। আমাদের লক্ষ্য হলো গ্রাহকদের জন্য বাংলা কিউআর ব্যবহারের বাস্তব সুবিধাগুলো তুলে ধরা এবং এটিকে দৈনন্দিন লেনদেনের একটি সহজ ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

প্রশ্ন: বাংলা কিউআরের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, গ্রামীণ দোকানি ও অনানুষ্ঠানিক খাতের ব্যবসায়ীদের কীভাবে যুক্ত করা হবে?

উত্তর: বাংলা কিউআরের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনাগুলোর একটি হলো ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করা। সহজ অনবোর্ডিং, স্বল্প ব্যয়, দ্রুত কিউআর প্রদান এবং মাঠপর্যায়ের সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে এসব ব্যবসায়ীকে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব। ডিজিটাল লেনদেনের ইতিহাস ভবিষ্যতে তাদের ব্যাংকিং সেবা ও ঋণ সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রেও সহায়ক হবে।

প্রশ্ন: বাংলা কিউআর চালুর ফলে ব্যাংকের ফি-ভিত্তিক আয় ও ডিজিটাল লেনদেনের রাজস্বে কী প্রভাব পড়বে?

উত্তর: স্বল্পমেয়াদে এটি আয় বৃদ্ধির চেয়ে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি, নতুন গ্রাহক অর্জন এবং মূল্য সংযোজনভিত্তিক আর্থিক সেবার মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে। ডিজিটাল ইকোসিস্টেম যত বিস্তৃত হবে, ব্যাংকগুলোর জন্য নতুন ব্যবসায়িক সুযোগও তত বৃদ্ধি পাবে।

প্রশ্ন: আগে নিজস্ব কিউআর তৈরিতে ব্যাংকগুলোর যে বিনিয়োগ হয়েছে, সেটির ভবিষ্যৎ কী?

উত্তর: সেসব বিনিয়োগ অকার্যকর হয়ে যাবে না। বরং বাংলা কিউআর একটি অভিন্ন অবকাঠামো তৈরি করলেও ব্যাংকগুলোর নিজস্ব প্রযুক্তি, মোবাইল অ্যাপ, মার্চেন্ট ব্যবস্থাপনা এবং গ্রাহকসেবা প্ল্যাটফর্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রতিযোগিতা এখন অবকাঠামো থেকে সরে এসে সেবার গুণগত মানের দিকে যাবে।

প্রশ্ন: বাংলা কিউআরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী ধরনের প্রযুক্তিগত ও সাইবার সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে?

উত্তর: বাংলা কিউআর বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর অংশ। এতে এনক্রিপ্টেড ডেটা ট্রান্সমিশন, গ্রাহক প্রমাণীকরণ, রিয়েল-টাইম মনিটরিং, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং জালিয়াতি শনাক্তকরণ ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিতভাবে সাইবার নিরাপত্তা অবকাঠামো উন্নত করছে, যাতে গ্রাহকদের নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করা যায়।

প্রশ্ন: জাল কিউআর, প্রতারণা বা ভুল লেনদেন হলে দায় কার হবে এবং গ্রাহক কীভাবে ক্ষতিপূরণ পাবেন?

উত্তর: এ ধরনের পরিস্থিতিতে দায় নির্ধারণ করা হবে ঘটনার প্রকৃতি, সংশ্লিষ্ট পক্ষের ভূমিকা এবং প্রযোজ্য নীতিমালার ভিত্তিতে। গ্রাহক অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, এমএফএস বা সেবা প্রদানকারীর নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে পারবেন। একটি শক্তিশালী বিরোধ নিষ্পত্তি ও গ্রাহক সুরক্ষাব্যবস্থা ডিজিটাল পেমেন্টের প্রতি আস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক কী? আবার কোথায় আরও উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন?

উত্তর: সবচেয়ে বড় শক্তি হলো আন্তঃকার্যক্ষমতা। এটি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে একটি অভিন্ন ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম তৈরি করেছে। অন্যদিকে, মার্চেন্ট অনবোর্ডিং, গ্রাহক সচেতনতা, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং গ্রামীণ অঞ্চলে ডিজিটাল অবকাঠামো আরও শক্তিশালী করার সুযোগ রয়েছে।

প্রশ্ন: মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (MDR) বা অন্যান্য চার্জ কেমন হলে বাংলা কিউআর দ্রুত জনপ্রিয় হবে বলে আপনি মনে করেন?

উত্তর: একটি টেকসই ইকোসিস্টেম গঠনের জন্য যুক্তিসংগত MDR প্রয়োজন। বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত ১ শতাংশ MDR এই ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করেছে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও অতি-ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক প্রণোদনা, প্রচারণামূলক সুবিধা বা সাময়িক ভর্তুকি বিবেচনা করা যেতে পারে। আন্তর্জাতিকভাবে অনেক দেশ ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ বাড়াতে এ ধরনের সহায়ক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রশ্ন: বাংলা কিউআর কি এমএফএস ও ব্যাংকের মধ্যে প্রতিযোগিতা কমাবে, নাকি নতুন ধরনের প্রতিযোগিতা তৈরি করবে?

উত্তর: এটি প্রতিযোগিতা কমাবে না; বরং প্রতিযোগিতার ধরন পরিবর্তন করবে। অবকাঠামোগত প্রতিযোগিতার পরিবর্তে এখন প্রতিযোগিতা হবে গ্রাহক অভিজ্ঞতা, সেবার মান, উদ্ভাবন এবং মূল্য সংযোজনভিত্তিক পণ্যের ওপর। এটি গ্রাহকদের জন্য ইতিবাচক, কারণ তারা আরও উন্নত সেবা পাবেন।

প্রশ্ন: বাংলা কিউআর চালুর ফলে ভিসা, মাস্টার কার্ডসহ আন্তর্জাতিক পেমেন্ট নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভরতা কতটা কমবে?

উত্তর: দেশীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি মূল্যের লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলা কিউআর আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমাতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট, ক্রস-বর্ডার লেনদেন এবং বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে ভিসা ও মাস্টার কার্ডের গুরুত্ব বহাল থাকবে। অতএব, এটি প্রতিস্থাপন নয়; বরং একটি পরিপূরক জাতীয় পেমেন্ট অবকাঠামো হিসেবে কাজ করবে।

প্রশ্ন: এই প্রকল্প সফল না হওয়ার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি কী— প্রযুক্তি, গ্রাহকের অভ্যাস, নাকি ব্যবসায়িক স্বার্থের দ্বন্দ্ব?

উত্তর: আমার মতে, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ব্যবহারকারীর আচরণগত পরিবর্তন। প্রযুক্তি তৈরি করা তুলনামূলক সহজ, কিন্তু মানুষকে অভ্যাস পরিবর্তনে উৎসাহিত করা সময়সাপেক্ষ। তবে সঠিক সচেতনতা, নিরবচ্ছিন্ন সেবা, মার্চেন্ট গ্রহণযোগ্যতা এবং প্রণোদনামূলক উদ্যোগের মাধ্যমে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।

প্রশ্ন: আগামী এক বছরে বাংলা কিউআরের সফলতা মূল্যায়নের জন্য কোন তিনটি সূচককে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন?

উত্তর: প্রথমত, সক্রিয় মার্চেন্টের সংখ্যা। দ্বিতীয়ত, মোট লেনদেনের সংখ্যা ও পরিমাণ। তৃতীয়ত, নিয়মিত সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা। এই তিনটি সূচকই প্রকৃত গ্রহণযোগ্যতা এবং ইকোসিস্টেমের কার্যকারিতা মূল্যায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হবে।

প্রশ্ন: আপনার দৃষ্টিতে পাঁচ বছর পর বাংলা কিউআর বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে কোথায় নিয়ে যাবে এবং এই যাত্রায় আপনার ব্যাংকের ভূমিকা কী হবে?

উত্তর: আমরা বিশ্বাস করি, আগামী পাঁচ বছরে বাংলা কিউআর দেশের অন্যতম প্রধান ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এটি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বৃহৎ খুচরা বাজার পর্যন্ত ডিজিটাল লেনদেনের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে আরও শক্তিশালী করবে। মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি এ যাত্রায় মার্চেন্ট নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, উদ্ভাবনী ডিজিটাল সেবা প্রদান, গ্রাহক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ পেমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার মাধ্যমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। আমাদের লক্ষ্য, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, আন্তঃকার্যক্ষম এবং ক্যাশ-লাইট বাংলাদেশের নির্মাণে অবদান রাখা।

মার্কেন্টাইল ব্যাংকবাংলা কিউআরডিজিটালআন্তঃকার্যক্ষমসাক্ষাৎকার
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    দিল্লির আন্দোলনে জামায়াতের সংহতিপত্রের দাবিটি সত্য নয়

    দিল্লির আন্দোলনে জামায়াতের সংহতিপত্রের দাবিটি সত্য নয়

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০০:০০

    জাপানের প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা

    জাপানের প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০০:০৯

    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ১০ কি.মি. যানজট, চরম ভোগান্তি

    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ১০ কি.মি. যানজট, চরম ভোগান্তি

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০০:২৭

    প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদী ছাত্রনেতা ধর্মেন্দ্রই আজ প্রশ্নফাঁসের নায়ক

    প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদী ছাত্রনেতা ধর্মেন্দ্রই আজ প্রশ্নফাঁসের নায়ক

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৫

    প্রথম সপ্তাহেই বাস ভাড়া কমানোর বার্তা বার্নহ্যামের

    প্রথম সপ্তাহেই বাস ভাড়া কমানোর বার্তা বার্নহ্যামের

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৮

    ৫ হাজার ব্যাগ রক্ত জোগাড় করে দিয়েছেন তৌফিক

    ৫ হাজার ব্যাগ রক্ত জোগাড় করে দিয়েছেন তৌফিক

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৮

    মর্নিং স্টার

    মর্নিং স্টার

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪২

    ‘ভুতুড়ে’ সিরিজ খেলে ফিরল বাংলাদেশ

    ‘ভুতুড়ে’ সিরিজ খেলে ফিরল বাংলাদেশ

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৫

    নেই সিমন-ইয়ামাল

    নেই সিমন-ইয়ামাল

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৫

    রাত বাড়তেই উত্তপ্ত দিল্লির যন্তর-মন্তর

    রাত বাড়তেই উত্তপ্ত দিল্লির যন্তর-মন্তর

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৫১

    ওফেলিয়া: মঞ্চনাটক, চিত্রকলা ও চলচ্চিত্রে

    ওফেলিয়া: মঞ্চনাটক, চিত্রকলা ও চলচ্চিত্রে

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:১৪

    জগন্নাথ জিউ ঠাকুর মন্দিরের উল্টো রথযাত্রা আগামীকাল

    জগন্নাথ জিউ ঠাকুর মন্দিরের উল্টো রথযাত্রা আগামীকাল

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:১৩

    আমার ওডিসি

    আমার ওডিসি

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:১১

    আগে বিল, পরে কাজ!

    আগে বিল, পরে কাজ!

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৮

    সবকিছুই আমার কাছে নাচ মনে হয়

    সবকিছুই আমার কাছে নাচ মনে হয়

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৯

    advertiseadvertise