বিনা খরচে যাবেন ১০ হাজার শ্রমিক
- সাংবাদিকদের মীর শাহে আলম

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
আগামী মাসের (সেপ্টেম্বর) শেষের দিক থেকে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানো শুরু হচ্ছে। তালিকার মাধ্যমে মোট দুই লাখ শ্রমিক নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে ১০ হাজার জনকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাঠানো হবে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে শ্রমিক পাঠানোর এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
গতকাল রবিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুহাদা বিন ওসমানের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী জানালেন, সড়ক টেকসই করার জন্য পলিমার মডিফাইড বা ‘রাবারাইজড বিটুমিন’ ব্যবহারে বাংলাদেশকে কারিগরি সহযোগিতা দেবে মালয়েশিয়া। ২০০৫ সালে বগুড়া সদরে এ প্রযুক্তিতে নির্মিত ২ কিলোমিটার রাস্তা এখনো ভালো অবস্থায় রয়েছে। বর্ষায় সড়ক যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে উদ্দেশ্যে দেশের অন্তত ২০ শতাংশ রাস্তা রাবারাইজড বিটুমিন দিয়ে কার্পেটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে গ্রামীণ ও নতুন সড়ক দীর্ঘস্থায়ী হবে। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের বরাতে প্রতিমন্ত্রী জানালেন, বাংলাদেশে ইলেকট্রিক ভেহিকল (ইভি), সোলার প্যানেল, নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ, হালাল ফুডসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে মালয়েশিয়া প্রায় ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) ডলার বিনিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা খুব দ্রুতই শুরু হবে।
অন্যদিকে ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে চলতি সপ্তাহেই ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে নতুন নীতিমালা। বুয়েট বা জেলা পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল শাখার প্রত্যয়ন এবং ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস সনদ ছাড়া ই-রিকশা কোনো নিবন্ধন পাবে না। প্রস্তুতকারক কারখানাগুলোকেও নিবন্ধিত হতে হবে এবং সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা থেকে লাইসেন্স নিতে হবে।







