এক্সিমে অনিশ্চয়তা গ্লোবালে শূন্য
ঝুঁকিতে এসইএমএল আইবিবিএল ফান্ডের সম্পদ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
তালিকাভুক্ত এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ডের সম্পদে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এক্সিম ব্যাংকে থাকা প্রায় ১১ কোটি টাকার আমানত ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে ফান্ডটির প্রায় দেড় কোটি টাকার বিনিয়োগের বাজারমূল্য নেমে এসেছে শূন্যে। ফান্ডটির আর্থিক হিসাব পর্যালোচনা করে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে এসব তথ্য।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক্সিম ব্যাংকে ফান্ডটির এমটিডিআর ছিল ১১ কোটি ৩ লাখ ৫৫ হাজার ১২২ টাকা। এই অর্থ ফান্ডটির মোট সম্পদের প্রায় ১০ দশমিক ৯১ শতাংশ। এক্সিম ব্যাংক একীভূতকরণ ও রেজল্যুশন প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকায় ওই এমটিডিআরের মূল অর্থ কতটা ও কখন ফেরত পাওয়া যাবে, তা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এক্সিম ব্যাংকে ফান্ডটির দুটি হিসাবে যথাক্রমে ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৩ হাজার ২৫৪ এবং ৬ কোটি ৭১ লাখ ২৯ হাজার ৪১৯ টাকা ছিল। দুই হিসাব মিলিয়ে মোট স্থিতির পরিমাণ প্রায় ১২ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এসব হিসাবের বিপরীতে ফান্ডটি ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সুদ আয় হিসাবভুক্ত করেছে। এরপর থেকে অর্জিত সুদ আর্থিক বিবরণীতে আয় হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।
এদিকে, ফান্ডটির শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের একটি অংশের মূল্যও ব্যাপকভাবে কমে গেছে। ফান্ডটির মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৬৪ কোটি ৯৯ লাখ ১৪৫ টাকা। গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে এর ক্রয়মূল্য ছিল ১ কোটি ৪৯ লাখ ৯২ হাজার ৪৯০ টাকা। কিন্তু গত ৩০ জুন ওই বিনিয়োগের বাজারমূল্য শূন্য টাকা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ফলে বিনিয়োগের পুরো অর্থের বিপরীতে সঞ্চিতি রাখা হয়েছে।
নিরীক্ষকদের পর্যবেক্ষণে ফান্ডটির সম্পদের একটি অংশের পুনরুদ্ধারযোগ্যতা ও বিনিয়োগমূল্য নিয়ে উদ্বেগের বিষয় উঠে এসেছে। বিশেষ করে মোট সম্পদের প্রায় ১০ দশমিক ৯১ শতাংশ অর্থ এক্সিম ব্যাংকে আমানত হিসেবে থাকা এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে করা প্রায় দেড় কোটি টাকার বিনিয়োগের মূল্য শূন্যে নেমে আসার বিষয়টি ফান্ডটির আর্থিক অবস্থার ওপর চাপ তৈরি করেছে।





