বাজার মূলধন কমল

সংগৃহীত ছবি
গত সপ্তাহে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ও লেনদেনের গতি বাড়লেও সামগ্রিক বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ১ হাজার ৮০২ কোটি টাকা। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার দিনই মূল্যসূচক নিম্নমুখী থাকলেও সপ্তাহ শেষে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে।
সপ্তাহ জুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২৫২টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১০৫টির এবং ২৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৫৭১ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের ৬ লাখ ৯২ হাজার ৩৭৩ কোটি টাকার তুলনায় ১ হাজার ৮০২ কোটি টাকা কম।
বাজার মূলধন কমলেও গত সপ্তাহে ডিএসইর সব কটি সূচকেই উত্থান দেখা গেছে। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৪৬.১৮ পয়েন্ট বা ০.৮৩ শতাংশ বেড়ে দিন শেষ করেছে। এ ছাড়া ইসলামি শরিয়াহভিত্তিক ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৮.৯৯ পয়েন্ট বা ০.৮১ শতাংশ এবং বাছাই করা কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১০.৯৭ পয়েন্ট বা ০.৫২ শতাংশ বেড়েছে।
অন্যদিকে বাজারটিতে লেনদেনের গতিও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে গড়ে প্রতিদিন ৭৮৫ কোটি ৭১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫৫৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন ২৩০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা বা ৪১.৬০ শতাংশ বেড়েছে।
সপ্তাহ জুড়ে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া তিনটি প্রতিষ্ঠান হলো ইস্টার্ন ব্যাংক (দৈনিক গড় ২১.৯৩ কোটি টাকা), শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ (২০.৮০ কোটি টাকা) এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস (২০.২৪ কোটি টাকা)। এ ছাড়া লেনদেনের শীর্ষ তালিকার অন্য কোম্পানিগুলো হলো আইপিডিসি ফাইন্যান্স, সায়হাম টেক্সটাইল, এনভয় টেক্সটাইল, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, ওরিয়ন ইনফিউশন এবং জিকিউ বলপেন।



