মির্জা সালমান ইস্পাহানি
কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু হলে শেয়ারবাজার লাভবান হবে

মঙ্গলবার সিএসই কার্যালয়ে আয়োজিত এওয়ারনেস ও নলেজ শেয়ারিং প্রোগ্রামে বক্তব্য দেন অতিথিরা
দেশের শেয়ারবাজারে নতুন পণ্য সংযোজন ও বাজারের বৈচিত্র্য আনতে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু করা অত্যন্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাবেক প্রেসিডেন্ট ও ইস্পাহানি গ্রুপের চেয়ারম্যান মির্জা সালমান ইস্পাহানি। তিনি বলেছেন, ‘আমরা এ মার্কেট নিয়ে খুব আশাবাদী। কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু হলে শেয়ারবাজার লাভবান হবে।’
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামে সিএসইর প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত ‘ডাইভারসিফিকেশন অব বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট: প্রসপেক্ট অব কমোডিটি এক্সচেঞ্জ’ শীর্ষক এওয়ারনেস ও নলেজ শেয়ারিং প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সিএসই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মির্জা সালমান ইস্পাহানি বলেন, কমোডিটি মার্কেট চালু হলে পণ্য উৎপাদনকারী, ভোক্তা এবং এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষই উপকৃত হবে। একই সঙ্গে এর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। সিএসই সবসময় নতুন নতুন প্রোডাক্ট আনার ক্ষেত্রে অগ্রগামী। কমোডিটি মার্কেট স্থাপনের কার্যক্রমও এখন প্রায় শেষ প্রান্তে। বাজার প্রস্তুতের পাশাপাশি এর প্রয়োজনীয় ইকোসিস্টেম তৈরির কাজও করছে সিএসই।
অনুষ্ঠানে সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার বলেছেন, শেয়ারবাজারকে আরও প্রাণবন্ত করতে কমোডিটি মার্কেট স্থাপন জরুরি। এ বাজার চালুর জন্য প্রয়োজনীয় রেগুলেটরি, টেকনোলজিক্যাল ও ইকোসিস্টেম—তিন ধরনের কাঠামো তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কমোডিটি মার্কেটের প্রযুক্তিগত অবকাঠামো তৈরির পাশাপাশি সিএসই তাদের পুরো ট্রেডিং সিস্টেমও আপডেট করেছে। নতুন কাঠামোতে বর্তমান ইকুইটি মার্কেটের সঙ্গে ডেরিভেটিভস মার্কেট এবং ইকুইটি ডেরিভেটিভস মার্কেটও যুক্ত করা হয়েছে। তবে কমোডিটি মার্কেটের ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
সিএসইর পরিচালক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম জানিয়েছেন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে। দেশের কমোডিটি মার্কেট এখনো অসম্পূর্ণ। পণ্যের মূল্যঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও উপযুক্ত মূল্য নির্ধারণ নিশ্চিত করা গেলে এ বাজার একটি সুগঠিত বাজারে রূপ নিতে পারে।
অনুষ্ঠানে সিএসইর চিফ রেগুলেটরি অফিসার মোহাম্মদ মেহেদি হাসান, জিএম ও হেড অব আইসিটি ডিভিশন মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রকল্পের কনভেনার মো. মর্তুজা আলম, জিএম ও হেড অব বিজনেস অ্যান্ড মার্কেট ডেভেলপমেন্ট মোহাম্মদ মনিরুল হক এবং ডিজিএম ও হেড অব লিস্টিং অ্যাফেয়ার্স একেএম শাহরোজ আলমসহ সিএসইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






