ফুডিতে পাওয়া যাচ্ছে ফ্রেশ সুপার মার্টের পণ্য

ফুডির প্রধান কার্যালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান
মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) রিটেইল চেইন ফ্রেশ সুপার মার্টের পণ্য এখন জনপ্রিয় খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহকারী প্ল্যাটফর্ম ফুডিতে পাওয়া যাচ্ছে। ফলে গ্রাহকরা ঘরে বসেই ফ্রেশ সুপার মার্টের বিভিন্ন পণ্য অর্ডার করতে পারবেন।
সম্প্রতি ফুডির প্রধান কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ফুডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. শাহনেওয়াজ মান্নান এবং ফ্রেশ সুপার মার্ট লিমিটেডের সাপ্লাই চেইন অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের এজিএম মীর আবদুল হাফিজ।
এই অংশীদারত্বের আওতায় ফুডির প্রযুক্তি ও ডেলিভারি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ফ্রেশ সুপার মার্টের নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য গ্রাহকদের কাছে আরও সহজে এবং দ্রুত পৌঁছে দেওয়া হবে।
ঢাকার ফ্রেশ সুপার মার্টের ১০টি আউটলেটের পণ্য ফুডি অ্যাপের মাধ্যমে অর্ডার করা যাবে। আউটলেটগুলো রয়েছে মতিঝিল, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, পল্লবী, উত্তরা সেন্টার, উত্তরা নর্থ সি গেট, উত্তরা নর্থ ডি গেট এবং গুলশান-১ এলাকায়।
ফুডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহনেওয়াজ মান্নান বললেন, ‘গ্রাহকদের কাছে দ্রুত ও সুবিধাজনক উপায়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দেওয়া ফুডির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ফ্রেশ সুপার মার্টের সঙ্গে এই অংশীদারত্বের ফলে গ্রাহকরা আরও বেশি ধরনের পণ্য সহজে এবং দ্রুত ডেলিভারির সুবিধা নিতে পারবেন। ফ্রেশ সুপার মার্টের পণ্য এখন ফুডিতে পাওয়া যাওয়ায় গ্রাহকরা সরাসরি অ্যাপের মাধ্যমে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্য অর্ডার করতে পারবেন। এতে শহরের ব্যস্ত গ্রাহকদের কেনাকাটা আরও সহজ এবং সময় সাশ্রয় হবে।’
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ফুডির ম্যানেজার হৃদিতা শাওন, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার এইচ এম নওরোজ মোর্শেদ ইভান, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার সৈয়দ আবদুল্লাহ আল বাকি, ফ্রেশ সুপার মার্টের অপারেশনস ম্যানেজার মোহাম্মদ আবদুস সালাম, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মো. আল আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শহরের গ্রাহকদের দৈনন্দিন কেনাকাটা সহজ ও দ্রুত করার লক্ষ্য নিয়ে চলতি বছরের জুনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে এমজিআইয়ের রিটেইল চেইন ফ্রেশ সুপার মার্ট। এর আউটলেটগুলোতে দুগ্ধজাত ও হিমায়িত খাবার, নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি পণ্য, গৃহস্থালি সামগ্রী, স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতাসামগ্রী, প্রসাধনী এবং প্রেসক্রিপশন ছাড়াই বিক্রয়যোগ্য ওষুধসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য পাওয়া যায়।




