নিট ফেব্রিক আমদানি নিষেধাজ্ঞা বাতিল চায় বিজিএমইএ-বিকেএমইএ

নতুন আমদানি নীতিতে নিট ফেব্রিক বা কাপড় আমদানির ক্ষেত্রে আরোপিত বিধান বাতিল বা স্থগিত করার দাবি জানিয়েছে তৈরি পোশাকশিল্পের দুই সংগঠন।
বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) এ দাবি জানিয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো পৃথক চিঠিতে সংগঠন দুটি বলেছে, আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯-এর অনুচ্ছেদ ২৫-এর উপ-অনুচ্ছেদ ১২-এ ‘নিট ফেব্রিক আমদানিযোগ্য হবে না’— এমন বিধান রাখা হয়েছে। রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বিবেচনায় এ বিধান স্থগিত বা প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছে তারা।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ১ সেপ্টেম্বর বাণিজ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে বলেছেন, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের চাহিদা প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। এ কারণে পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হয়। নির্ধারিত মান, ডিজাইন বজায় রাখা ও দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রয়োজন হয়। এসব কারণে অনেক ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে নির্দিষ্ট ধরনের কাপড় সংগ্রহ করতে হয়। এ ধরনের আমদানির সুযোগ সীমিত হলে রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা আছে।
বিকেএমইএ বলেছে, নতুন নীতির কারণে এসব ফেব্রিকের ছাড় করানো ও সংশ্লিষ্ট পণ্য রপ্তানিতে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এতে রপ্তানি কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে।
বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এ বিধান স্থগিত বা প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেছেন, বিদেশি ক্রেতাদের নির্দিষ্ট চাহিদা, নির্ধারিত মান ও ডিজাইনের পণ্য উৎপাদনের জন্য অনেক ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে ফেব্রিক আমদানির প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে গ্যাস সংকটসহ বিভিন্ন কারণে দেশের অনেক রপ্তানিমুখী কারখানা উৎপাদনে সমস্যার মুখে আছে।





