নতুন রূপে যাত্রা ‘স্টেডফাস্ট’

সংগৃহীত ছবি
দেশের ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের উন্নত ও বিশ্বস্ত কুরিয়ার সেবা দিতে এবং সেবার পরিধি আরও সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে নতুন ব্র্যান্ড পরিচিতি প্রকাশ করেছে কুরিয়ার সার্ভিস ‘স্টেডফাস্ট’। সম্প্রতি রাজধানীর ধানমন্ডিতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে নতুন এই লোগো উন্মোচিত হয়।
স্টেডফাস্টের চেয়ারম্যান জোয়াইরিয়া মোস্তারি ই-কমার্স উদ্যোক্তা, মার্চেন্ট ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নতুন লোগোর উন্মোচন করেন। এর আগে অনুষ্ঠানের সূচনায় প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এম রিদওয়ানুল বারী জিয়ন স্টেডফাস্টের নতুন রূপ ও আধুনিক পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। ব্র্যান্ডের নতুন রূপের সাথে সঙ্গতি রেখে ওয়েবসাইট, মার্চেন্ট অ্যাপ ও কাস্টমার অ্যাপের নতুন সংস্করণও উন্মুক্ত করা হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটির নতুন লোগোর মূল প্রতিপাদ্য করা হয়েছে ‘ঘুড়ি’। আকাশে ঘুড়ি উড়লেও তার সুতো যেভাবে হাতের মুঠোয় থাকে, ঠিক একইভাবে মার্চেন্টের পণ্য দেশের যে প্রান্তেই ডেলিভারি হোক না কেন, তার যাবতীয় নিয়ন্ত্রণ ও ট্র্যাকিং তথ্য মার্চেন্টের কাছেই থাকবে। এই ভাবনা থেকে তাদের নতুন ব্র্যান্ড ট্যাগলাইন নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘আস্থার ঘুড়ি, আপনার হাতে’। তবে প্রতিষ্ঠানটির পূর্বের জনপ্রিয় স্লোগান ‘সবার আগে, সবখানে’ বহাল থাকছে।
নতুন রূপান্তরের সাথে সাথে ই-কমার্স খাতের জন্য ডিজিটাল অটোমেশন, উন্নত পার্সেল ট্র্যাকিং, দ্রুত ও নিরাপদ ডেলিভারি, সারা দেশে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক এবং ক্যাশলেস পেমেন্ট ব্যবস্থার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে স্টেডফাস্ট। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি সারা দেশের প্রতিটি ইউনিয়নসহ দুর্গম এলাকাগুলোতে সফলভাবে হোম ডেলিভারি সেবা দিচ্ছে। ফলে প্রান্তিক পর্যায়ের উদ্যোক্তারাও সহজে সারা দেশে পণ্য পাঠাতে পারছেন। বর্তমানে ৩ লক্ষাধিক উদ্যোক্তা এবং হাজার হাজার ডেলিভারি রাইডার এই প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত আছেন। এ ছাড়া দেশীয় বাজারের পাশাপাশি ক্রস-বর্ডার ই-কমার্সের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও পণ্য পাঠানোর সুযোগ তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এম রিদওয়ানুল বারী জিয়ন বলেন, এক দশক আগে ক্ষুদ্র পরিসরে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল। আজ দেশের প্রতিটি কোণে আমাদের সার্ভিস পৌঁছে গেছে। আমাদের কাজের ধরন একই থাকলেও প্রযুক্তির সহায়তায় সক্ষমতা বহুগুণ বেড়েছে। নতুন এই পরিচিতি মূলত আমাদের প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক রূপেরই বহিঃপ্রকাশ।
সংস্থার চেয়ারম্যান জোয়াইরিয়া মোস্তারি বলেন, ঘুড়ি যদি আমাদের মাধ্যম হয়, তবে তার নিয়ন্ত্রণ ও বিশ্বাস মার্চেন্টদের হাতে। আগামী দিনে অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদে আরও বিনিয়োগের মাধ্যমে এই আস্থার জায়গাটিকে আমরা আরও মজবুত করতে চাই।



