বেক্সিমকোর তিন কোম্পানিতে বিশেষ নিরীক্ষা
- মূল্যায়ন কমিটি পুনর্গঠন

সংগৃহীত ছবি
আলোচিত শিল্পগোষ্ঠী বেক্সিমকো গ্রুপের তিন কোম্পানির পাঁচ আর্থিক হিসাবের (২০২০ থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন) বিশেষ নিরীক্ষা কার্যক্রমে নতুন মোড় নিয়েছে। কোম্পানিগুলোর বিশেষ নিরীক্ষার জন্য কনসালটিং ফার্ম (অডিটর) নিয়োগের জন্য গঠিত মূল্যায়ন কমিটি পুনর্গঠন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এই নিরীক্ষার মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে কোনো অসংগতি, অনিয়ম বা তথ্য গোপনের ঘটনা রয়েছে কি না খতিয়ে দেখা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় পুরনো কমিটি ভেঙে গঠন করা হয়েছে নতুন কমিটি।
সম্প্রতি বিএসইসি এসংক্রান্ত একটি সংশোধিত আদেশ জারি করেছে বলে জানা গেছে সংশ্লিষ্ট সূত্রে। এর আগে কমিশন বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ও শাইনপুকুর সিরামিকসের গত পাঁচ বছরের আর্থিক বিবরণীর ওপর বিশেষ নিরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই নিরীক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে গুণগত মান ও ব্যয়ভিত্তিক নির্বাচন পদ্ধতিতে অডিটর প্রতিষ্ঠান (কনসালটিং ফার্ম) নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, বিশেষ নিরীক্ষার জন্য অডিটর প্রতিষ্ঠান নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রস্তাব মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। বিশেষ নিরীক্ষার জন্য উপযুক্ত কনসালটিং ফার্ম নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বিধিবিধান এবং গুণগত মান ও ব্যয়ভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।
আদেশে উল্লেখ রয়েছে, গুণগত মান ও ব্যয়ভিত্তিক নির্বাচন পদ্ধতিতে বেক্সিমকোর তিন কোম্পানির ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত পাঁচ অর্থবছরের আর্থিক বিবরণীর ওপর বিশেষ নিরীক্ষা পরিচালনার জন্য কনসালটিং প্রতিষ্ঠান নিয়োগের উদ্দেশ্যে জমা পড়া প্রস্তাব মূল্যায়নের জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মো. আবুল কালামকে। এ ছাড়া, সদস্য হিসেবে রয়েছেন ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. গোলাম সরোয়ার সাগর এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিএসইসির সহকারী পরিচালক রানা দাশ।
এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোম্পানি তিনটির বিশেষ নিরীক্ষার জন্য নিরীক্ষক নির্বাচনের লক্ষ্যে একটি প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটি গঠন করা হয়। সে সময় বেশ কিছু কনসালটিং ফার্মের পক্ষ থেকে আগ্রহপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে বেক্সিমকোর জন্য তিনটি, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের জন্য ১০টি এবং শাইনপুকুর সিরামিকসের জন্য একটি অডিট কনসালটিং ফার্মকে প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানায় কমিশন।




