নোয়াখালীতে দুই হত্যা মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর আলোচিত ফয়েজ আহমেদ হত্যা ও ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গ্রেপ্তার অপর ব্যক্তি দুটি সাজা পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি। আজ বুধবার দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন, ফয়েজ আহমেদ হত্যা মামলার ৬ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি ওসমান (২৩), ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম হত্যা মামলার ৪ নম্বর আসামি শহিদুল ইসলাম শাওন (২৫) এবং দুটি সাজা পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. মোস্তাফা কামাল। গতকাল মঙ্গলবার পৃথক অভিযানে ঢাকা, গাজীপুর ও ভোলা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর সঙ্গে র্যাব-২, র্যাব-১ ও র্যাব-৮-এর পৃথক যৌথ অভিযানিক দল অভিযান চালায়। মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে ঢাকার হাজারীবাগ থানার গজমহল রোড এলাকা থেকে ওসমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া এলাকা থেকে মোস্তাফা কামালকে এবং বুধবার রাত ১২টা ৫ মিনিটে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকা থেকে শহিদুল ইসলাম শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে, ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম (৫৭) সোনাইমুড়ীর আমিশাপাড়া বাজারে দীর্ঘদিন ধরে মিতালী বেকারি পরিচালনা করতেন। টাকা-পয়সার লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০২৫ সালের ২৬ নভেম্বর তাকে বেকারি থেকে বের করে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে মারধর করা হয়। পরে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৭ নভেম্বর ভোরে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় তার স্ত্রী বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তার মো. মোস্তাফা কামালের বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানার দুটি মামলায় আদালত ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং মোট ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। রায়ের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।
র্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু বললেন, ‘গ্রেপ্তার ওসমানকে ঢাকার হাজারীবাগ থানায়, শহিদুল ইসলাম শাওনকে সোনাইমুড়ী থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে এবং মোস্তাফা কামালকে ভোলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’





