নওগাঁ
স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ কেন? প্রশ্ন করায় সাংবাদিককে হুমকি

জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক গোলাম আজম
নওগাঁয় দুই বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র। এতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রত্যন্ত ইউনিয়নের অন্তত ৪০ হাজার মানুষ।
স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বন্ধের কারণ এবং কবে নাগাদ এটি চালু হতে পারে এমন প্রশ্ন করায় সাংবাদিকের ওপর চটেছেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক গোলাম আজম।
পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ায় ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন।
পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালকের এমন আচরণ সরকারি কর্মচারী বিধিমালার লঙ্ঘন কি না, তা ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থানীয় সাংবাদিকদের।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বৈশাখী টেলিভিশনের সাংবাদিক আরমান হোসেন রুমন জানালেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় সৃষ্ট জনদুর্ভোগের দায় এড়াতে পারে না পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ।
এ সংক্রান্ত তথ্য জানতে গতকাল রবিবার দুপুরে তার কার্যালয়ে যান কয়েকজন সাংবাদিক। প্রশ্ন করতেই উপপরিচালক গোলাম আজম সাংবাদিকদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন। খবর পেয়ে অন্য সাংবাদিকরা সেখানে গেলে সবার সামনেই মামলার হুমকি দেন।
নওগাঁ জেলা টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শফিক ছোটন বললেন, প্রত্যন্ত জনপদের কয়েক হাজার পরিবারের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হলে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। সেই প্রশ্ন করলে উপপরিচালক গোলাম আজম আকস্মিক মারমুখী আচরণ করেন। তিনি মামলারও হুমকি দিয়েছেন।
নওগাঁ জেলা টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফরিদুল করিম জানালেন, আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নওগাঁ জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক গোলাম আজম জানালেন, অনুমতি ছাড়াই ক্যামেরা বের করেছিলেন সাংবাদিকরা। সে সময় একটু উচ্চৈঃস্বরে কথা বলেছি। তবে মারমুখী আচরণ করা হয়নি।




