গাংনী সীমান্তে পুশইনে ব্যর্থ হয়ে ৬ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

ছবি: আগামীর সময়
মেহেরপুরের গাংনী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশইনে ব্যর্থ হয়ে নারী ও শিশুসহ ছয়জনকে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ। বিজিবি ও স্থানীয় গ্রামবাসীর প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করেছে বিজিবি।
গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে তাদের ফিরিয়ে নেয় বিএসএফ। এর আগে শনিবার ভোরে উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া সীমান্তের ১৪০/৫-এস আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলারের কাছে দিয়ে ওই ছয়জনকে পুশইনের চেষ্টা করে।
আগামীর সময়কে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন তেঁতুলবাড়িয়া বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার হাবিবুর রহমান।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ভারতের নদীয়া জেলার মুরুটিয়া থানার বেতা রামচন্দ্রপুর এলাকা দিয়ে নারী, শিশুসহ ছয়জনকে গাংনী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া সীমান্তে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারা বাধা দিলে বিএসএফ তাদের সীমান্তের ওপারে ফিরিয়ে নেয়।
বিজিবির দাবি, এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সীমান্তে অবস্থানরত ছয় জনের বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
বিজিবি জানায়, ওই ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে ভারতের গুজরাটে বসবাস করছিলেন। ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে এক মাস কারাভোগের পর সীমান্ত এলাকায় নিয়ে আসে। পরে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়।
ওই ছয়জন হলেন— আমিন মোল্লা (৮০), আব্দুল্লাহ (৫০), জামরিল নড়াইল (৪৫), রিফুজান (৬৫), রেকায়া (৪০) ও ইব্রাহিম (৭)। তাদের সবার বাড়ি নড়াইলের কালিয়া উপজেলার জামরিলডাঙ্গা গ্রামে। প্রায় ৪০ বছর আগে তারা ভারতে চলে যান। পরবর্তী সময়ে গুজরাটে বসবাস শুরু করেন।
এ ঘটনায় অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে কাথুলী বিওপির কোম্পানি কমান্ডার ওসিকুর রহমান, তেঁতুলবাড়িয়া ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার হাবিবুর রহমান এবং ভারতের মুরুটিয়া থানার বেতা রামচন্দ্রপুর ক্যাম্পের এসআই রাজেন্দ্রকুমার পোয়ালি উপস্থিত ছিলেন।




