যুবদল নেতাকে ‘গালাগালি’র পর পদ হারালেন ছাত্রদল নেতা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
যুবদলের আহ্বায়ককে গালাগালির অভিযোগে ছাত্রদলের আহ্বায়ককে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ককে নতুন ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি জামালপুর সদর উপজেলার। অব্যাহতি পাওয়া নেতা হলেন সদর উপজেলা পূর্ব শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক অনিক। অভিযোগ, তিনি উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম শফিককে গালাগালি করেছেন। তাকে অব্যাহতি দিয়ে একই পদে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মো. কাওসার আলম নামের আরেক নেতাকে।
আজ শনিবার রাতে এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়। জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মীর সোহান আহমেদের সই করা বিবৃতিতে জানানো হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অনিককে আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সাংগঠনিক কার্যক্রমের গতিশীলতা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে একই কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কাওসার আলমকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আতিকুর রহমান সুমিল ও সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম শফিক এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দুজনেই অব্যাহতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অব্যাহতির বিষয়ে অনিক জানান, গত ২ নভেম্বর উপজেলার ইটাইল ইউনিয়নের একটি বিদ্যালয়ের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তাকে দাওয়াত দেওয়া হয়। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলেও তাকে মঞ্চে ডাকা হয়নি। ওই অনুষ্ঠানের দায়িত্বে ছিলেন যুবদল নেতা শফিক।
পরে ওই দিন বিকালে শফিকের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি রাগ করে বলেছেন, ‘তুমি কীভাবে রাজনীতি কর, তা দেখব।’ এ ঘটনার পাঁচ দিন পর তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ওই অনুষ্ঠানে যথাযথ সম্মান না পাওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করায় দুজনের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয় বলে দাবি করেন অনিক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে যুবদলের আহ্বায়ক শফিক বলেন, ‘আমি তার রাজনীতি নিয়ে কথা বলব কেন? তিনি কি আমার সমকক্ষ? একটি বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তিনি রাস্তায় আমার সঙ্গে বেয়াদবি করেছেন। আমাকে গালাগালি করেছেন। আমি মাফ করে দিয়েছি। কিন্তু দল বিষয়টিকে হয়তো সহজভাবে নেয়নি। আমিও শুনলাম, তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’



