মিলেমিশে সার পাচার

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে বিএডিসির চার ডিলারের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের সার নির্ধারিত এলাকার বাইরে সরিয়ে নেওয়া ও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী কৃষকদের দাবি, চার ডিলারের পারস্পরিক আত্মীয়তার সুযোগে গড়ে উঠেছে একটি সিন্ডিকেট। এ বিষয়ে ১৫০ কৃষকের স্বাক্ষরসংবলিত লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসকসহ ছয় দপ্তরে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।
অভিযোগে বলা হয়েছে, চার ডিলারের মধ্যে পারিবারিক ও আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। চুনারুঘাটের সাদ্দাম বাজার এলাকার ডিলার সিরাজুল ইসলামের ভগ্নিপতি রহমান মিয়া। তিনি পৌর এলাকার ডিলার। এ ছাড়া সিরাজুলের ভাগ্নে মাসুদ মিয়া মিরশী বটতলা এলাকার ডিলার এবং তার চাচাতো ভাই জালাল মিয়া পৌরসভার আরেক অংশের ডিলার।
তবে কৃষকদের অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সিরাজুল ইসলামের ভগ্নিপতি রহমান মিয়া। তার দাবি, বিএডিসির ডিলারশিপ টিকিয়ে রাখতে বছরে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকার বীজ বাধ্যতামূলক নিতে হয়। এসব বীজ বিক্রি করা কঠিন হওয়ায় তারা সমস্যায় পড়ছেন। তার ভাষ্য, তাদের ইউরিয়া সার দেওয়া হয় না; অন্য তিন ধরনের সার নিয়ম অনুযায়ী বিতরণ করার পরও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হচ্ছে।
হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক দ্বীপ কুমার পাল বললেন, ‘কৃষকদের অভিযোগটিও খতিয়ে দেখা হবে। বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হলে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।’



