পাঁচ দিন পর খুলছে হিলি স্থলবন্দর
- শনিবার থেকে ফের শুরু বাংলাদেশ-ভারত পণ্য বাণিজ্য

ছবি: আগামীর সময়
টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর আবারও সচল হচ্ছে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর। ব্যবসায়িক জটিলতার কারণে গত ৩০ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে আগামীকাল শনিবার থেকে বাণিজ্য কার্যক্রম চালুর কথা রয়েছে।
ভারতের হিলি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র মণ্ডল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে শুক্রবার বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ব্যবসাসংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতার কারণে ৩০ আগস্ট থেকে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রাখা হয়েছিল। প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস পাওয়ার পর শনিবার থেকে বাণিজ্য কার্যক্রম পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ধর্মঘটের কারণে দুদেশের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকায় স্থলবন্দরের কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। এতে আমদানি-রপ্তানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, পরিবহনশ্রমিকসহ বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।
ভারতের হিলি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র মণ্ডল বললেন, প্রশাসনের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির বিষয়ে আলোচনা শেষে ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় শনিবার থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে।
তবে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন। হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল বললেন, ভারতীয় ব্যবসায়ীদের সিদ্ধান্তের কথা জানা গেলেও বৈঠকের সিদ্ধান্তসংক্রান্ত কোনো লিখিত তথ্য এখনো বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছায়নি।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, টানা পাঁচ দিন বাণিজ্য বন্ধ থাকায় হিলি স্থলবন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হলে সেই পরিস্থিতির অবসান হবে। একই সঙ্গে বন্দরে কর্মচাঞ্চল্য ফিরবে এবং স্বাভাবিক ধারায় ফিরবে বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্ত বাণিজ্য।





