কুমিল্লা পলিটেকনিকে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ, আহত ১৫

সংগৃহীত ছবি
‘গুপ্ত শিবির’ বলাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষে আহত হয়েছে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের দাবি, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে শিবিরকে ‘গুপ্ত’ বলায় নাফিস আব্দুল্লাহ নামে এক শিক্ষার্থীর ওপর চড়াও হয় কয়েকজন। এ ঘটনার বিচারের জন্যই সন্ধ্যায় অধ্যক্ষের কক্ষে যান ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। অধ্যক্ষ তখন বিষয়টি তদন্তের জন্য তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করলেও তাৎক্ষণিক বিচার দাবি করে ছাত্রশিবির। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়, পরে তা রূপ নেয় সংঘর্ষে। এ সময় লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঘটেছে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও। হামলায় দুপক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তারা।
কুমিল্লা পলিটেকনিকের ছাত্রদলের সভাপতি ইমন আহমেদ জানাচ্ছিলেন, একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে হলের দুই শিক্ষার্থীর কথা-কাটাকাটি হয়। তাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। কিন্তু ছাত্রদল কারও ওপর হামলা করেনি।
এদিকে কুমিল্লা মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাসান আহমেদের দাবি, কুমিল্লায় ছাত্রদলের ‘গুপ্ত’ লেখার কর্মসূচি চলার সময় ছাত্রশিবিরের কর্মী নাফিস আব্দুল্লাহকে মারধর করেছে ছাত্রদলের ছেলেরা। অধ্যক্ষের কাছে মারধরের ভিডিও চাইতে গেলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছাত্রশিবিরের ওপর হামলা করে। এ হামলায় আহত হয়েছেন পলিটেকনিক্যাল ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং সেক্রেটারি দুজনই।
কুমিল্লা পলিটেকনিকের অধ্যক্ষ মাজহারুল ইসলাম জানাচ্ছিলেন, এখানে কোনো ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের কোনো স্লোগান ছিল না। হঠাৎ করেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানা পুলিশের ইন্সপেক্টর আব্দুর রাজ্জাক বলছিলেন, দুপক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আহতের সঠিক সংখ্যা এখনো জানা যায়নি। তবে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি এখন শান্ত।

