মাত্র দুই কিলোমিটার সড়কে অসংখ্য গর্ত

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
মাত্র দুই কিলোমিটারের সড়ক। সেই সড়কে রয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। একটু বৃষ্টি হলেই গর্ত ভরে যায় পানিতে। বাড়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। সেই ঝুঁকি মাথায় নিয়েই প্রতিদিন যাতায়াত করছেন মেঘনা, হোমনা ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলার লাখো মানুষ। এ চিত্র মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভাটেরচর-মেঘনা সদর সড়কের।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) আওতাধীন ভাটেরচর থেকে মেঘনা সদর হয়ে হোমনা পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার সড়কটি এ অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। বিশেষ করে মেঘনা, হোমনা ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলার একাংশের মানুষ এ সড়কের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। ভাটেরচর থেকে দড়ি লুটেরচর পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার অংশের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। সড়কের পিচ উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। বৃষ্টির পানি জমে থাকায় এসব গর্ত আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। দিনের আলোয় কিছুটা সতর্কভাবে চলাচল করা গেলেও রাতে এ পথে চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ। টানা বৃষ্টির পাশাপাশি ভারী যানবাহন চলাচলেও সড়কটি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
মেঘনাগামী বাসচালক আবুল হোসেন বলেন, ‘বৃষ্টির সময় সড়কের অধিকাংশ গর্তে পানি জমে থাকে। নতুন চালকরা সহজে বুঝতে পারেন না, কোথায় সড়ক ঠিক আছে আর কোথায় বড় গর্ত। গাড়ির চাকা গর্তে পড়লে সেটি একদিকে হেলে পড়ে এবং নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে যায়।’
দুর্ঘটনার আশঙ্কার পাশাপাশি বেড়েছে ভোগান্তিও। স্থানীয় বাসিন্দা রূপক বলেন, ‘সড়কের ওই অংশ দিয়ে চলাচলে কোনো স্বস্তি নেই। খানাখন্দের কারণে যানবাহনে প্রতিনিয়ত ঝাঁকুনি খেতে হয়।’ তার মতে, ব্যস্ততম এ সড়ক দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। দুর্ভোগ আরও বাড়ার আগেই কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
সড়কটির ওপর মানুষের নির্ভরতা কতটা, তা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্যেও উঠে এসেছে। লুটেরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘এটি মেঘনা উপজেলার প্রধান এবং একমাত্র সড়ক। এ পথ দিয়ে মেঘনাসহ হোমনা ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলার লাখো মানুষ চলাচল করেন। মেঘনা অংশে সাত কিলোমিটার সড়কে পিচঢালাই থাকলেও প্রায় দুই কিলোমিটার খানাখন্দে ভরা।’







