দাঁড়িয়ে থাকা অটোরিকশার পেছনে ধাক্কা, নিহত ২

ছবি: আগামীর সময়
শেরপুরে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে দ্রুতগতির আরেকটি অটোরিকশা ধাক্কা দেয়ায় দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় চালকসহ গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন। গতকাল শুক্রবার দুপুরের দিকে মির্জাপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় তারা মারা যান।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন বগুড়ার ধুনট উপজেলার বিলকাজুলী এলাকার হনেন্দ্রনাথের ছেলে প্রশান্ত মন্ডল (৪০) এবং নজরুল (৬০)। আহতরা হলেন বিশালপুর ইউনিয়নের শিমলা গ্রামের আবু হানিফ (৪০), ইউনুছ আলী (৬০), তার স্ত্রী (৫৬) এবং অটোচালক। তার পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শেরপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক দিয়ে একটি অটোরিকশা জামাইলহাটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথে কৃষ্ণপুর এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বৃষ্টি থেকে বাঁচতে চালক অটোরিকশাটি রাস্তার পাশে থামিয়ে মহাসড়কের পাশের একটি জায়গায় আশ্রয় নেন। ঠিক তখনই জামাইলহাটগামী আরেকটি দ্রুতগতির অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ওই অটোরিকশাটিকে প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশায় থাকা পাঁচজন গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় প্রশান্ত ও নজরুল মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আইয়ুব আলী উল্লেখ করেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই দুর্ঘটনাকবলিত যানগুলো সরিয়ে নেওয়ায় ঘটনাস্থলে কোনো যানবাহন পাওয়া যায়নি। হাইওয়ে ইনচার্জ জানান, আইনি প্রক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।




