স্কালোনির কি মনে আছে পোজ্জোর রেকর্ড!

রেকর্ডটি প্রায় এক শতাব্দী পুরনো। তবে প্রতি বিশ্বকাপে তা হুমকির মুখে পড়ে নিশ্চিত। আগের বিশ্বকাপজয়ী কোচের টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতার সুযোগ থাকেই। এবার লিওনেল স্কালোনিকে ওই রেকর্ডের একটু কাছেই মনে হচ্ছে !
রেকর্ডটি হলো কোনো ফুটবল কোচের টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব। তিনি হলেন ভিত্তোরিও পোজ্জো। এই ইতালিয়ান কোচ ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন ইতালিকে। ১৯৩৪ সালের ফাইনালে পোজ্জোর ইতালি ২-১ গোলে হারিয়েছে চেকোশ্লোভাকিয়াকে, চার বছর পরের ফাইনালে হাঙ্গেরিকে হারায় ৪-২ গোলে। তার এই কীর্তি ফুটবল ইতাহাসে আজও অটুট।
এর আগে সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন দুই কোচ। একজন আর্জেন্টাইন কার্লোস বিলার্দো, ১৯৮৬ সালে ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনাকে শিরোপার মুকুট পরিয়েছিলেন ফাইনালে পশ্চিম জার্মানিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে। চার বছর বাদে আবারও তিনি আর্জেন্টিনাকে ফাইনালের মঞ্চে তুলে ১-০ গোলে হেরে যান সেই জার্মানির কাছেই।
আরেকজন মারিও জাগালো, কাছাকাছি গিয়েও পারেননি পোজ্জোর রেকর্ড ছুঁতে। এই ব্রাজিলিয়ান সহকারী কোচ হিসেবে ১৯৯৪ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করিয়েছেন ব্রাজিলকে। কিন্তু ১৯৯৮ সালে প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়ে তিনি দলকে ফাইনালে নিয়ে হেরে গেছেন ফ্রান্সের কাছে।
লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনাও এবার হাঁটছে একই পথে। আর্জেন্টিনার কাতার বিশ্বকাপ জয়ে তিনি হয়েছেন ইতিহাসের কনিষ্ঠ বিশ্বকাপজয়ী কোচ। এবারও লিওনেল মেসির কাঁধে চেপে একের পর এক বাধা অতিক্রম করছে তার দল। শেষ ষোলোয় মিসরের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকে ঘোর বিপদে পড়লেও উদ্ধার করেন মেসি। মহাতারকার জাদুকরীতে উতরে যাওয়া আর্জেন্টিনা রবিবার কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে সুইজারল্যান্ডের।
এটা পার করলে বাকি থাকে দুটো ম্যাচ। এই দুটো ম্যাচ স্বাভাবিকভাবে আরও কঠিন হবে, মুখোমুখি হতে হবে দুই পরাশক্তির। স্কালোনির ভরসা ওই আর্জেন্টাইন জাদুকরে। তার জাদুতে কত অসম্ভব হতে পারে সম্ভব। সেটা হলেই লিওনেল স্কালোনি পৌঁছে যাবেন ভিত্তোরিও পোজ্জোর কাতারে।




