Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
নিঃস্বার্থ ধাত্রীসেবায় খায়রুন নেছা
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

নিষেধাজ্ঞার সময় নিয়োগ, গেজেটেও নেই পদ—তবু কলেজ থেকে নেন অর্থ!

মাদারীপুর প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫০
নিষেধাজ্ঞার সময় নিয়োগ, গেজেটেও নেই পদ—তবু কলেজ থেকে নেন অর্থ!

অভিযুক্ত হুমায়ুন কবির

পদ নেই সরকারি গেজেটে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অনুমোদনও নেই—এরপরও ওই পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ। তার ওপর নিয়োগের সময় প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণ প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকায় নতুন নিয়োগে বিধিনিষেধ থাকার কথাও উঠে এসেছে।

এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে মাদারীপুরের ডাসার সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়ে ‘ইন্সট্রাক্টর, প্রকৌশল অঙ্কন ও প্র্যাকটিস’ পদে হুমায়ুন কবির নামে এক ব্যক্তির নিয়োগ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর হুমায়ুন কবিরকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। অথচ সংশ্লিষ্ট সময়ে কলেজটি জাতীয়করণের প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিল এবং ‘প্রকৌশল অঙ্কন ও প্র্যাকটিস’ বিষয়েরও অনুমোদন ছিল না বলে দাবি করেছেন কলেজের একাধিক শিক্ষক।

শুধু নিয়োগই নয়, ওই ব্যক্তিকে বর্তমানে কলেজের বিভিন্ন কাজে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি কলেজের তহবিল থেকে পারিশ্রমিক দেওয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে। ফলে নিয়োগের বৈধতা, পদটির অনুমোদন, জনবল কাঠামো এবং কলেজের অর্থ ব্যয়ের নিয়মনীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

জাতীয়করণের প্রক্রিয়ার মধ্যেই নিয়োগের অভিযোগ

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য মতে, তৎকালীন শেখ হাসিনা একাডেমি অ্যান্ড উইমেন্স কলেজ জাতীয়করণের লক্ষ্যে ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি পরিপত্র জারি করা হয়। জাতীয়করণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে পরিপত্রে প্রতিষ্ঠানটির নিয়োগ, পদোন্নতি এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। এসব বিধিনিষেধ কার্যকর থাকার সময়ই ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর হুমায়ুন কবিরকে ‘ইন্সট্রাক্টর, প্রকৌশল অঙ্কন ও প্র্যাকটিস’ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

লিটারে ৫ টাকা বাড়ল সয়াবিন তেলের দাম

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কলেজের একাধিক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়ে ‘প্রকৌশল অঙ্কন ও প্র্যাকটিস’ বিষয়ের অনুমোদনই ছিল না। ফলে অনুমোদনহীন একটি বিষয়ের জন্য ইন্সট্রাক্টর পদে নিয়োগ কীভাবে হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে নিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অনুমোদন, পদটি জনবল কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত কি না এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছিল কি না—এসব বিষয় যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি।

হুমায়ুন কবিরের পদটি নিয়েও রয়েছে বড় প্রশ্ন। স্থানীয়দের দাবি, ‘ইন্সট্রাক্টর, প্রকৌশল অঙ্কন ও প্র্যাকটিস’ পদটি সরকারি গেজেটভুক্ত অনুমোদিত জনবল কাঠামোর মধ্যে নেই। এরপরও তাকে কলেজ থেকে অর্থ দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ইন্সট্রাক্টর হিসেবে নিয়মিত পাঠদান না করলেও তাকে কলেজের ডাইনিংয়ের কাজ দেখা, পরীক্ষার খাতা দেখা, পরীক্ষার হলে দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রাজু মিয়া বলেন, যদি পদটি অনুমোদিত জনবল কাঠামোর বাইরে হয়, তাহলে কোন বিধি বা কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে তাকে কলেজের তহবিল থেকে অর্থ দেওয়া হচ্ছে—তা পরিষ্কার করা দরকার। জাতীয়করণের পর তার চাকরির অবস্থান কী এবং দেওয়া অর্থ কোন খাতে দেখানো হচ্ছে, সেটিও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।”

একাধিক জায়গা থেকে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার অভিযোগ, হুমায়ুন কবির কলেজের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। পাশাপাশি তিনি সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী আলহাজ্ব সৈয়দ আবুল হোসেনের গ্রামের বাড়ির সম্পত্তি দেখাশোনার কাজও করেন বলে দাবি তাদের।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, তিনি দুটি কলেজ থেকে বেতন নেন এবং বাইরে সম্পত্তি দেখাশোনার জন্যও সৈয়দ আবুল হোসেনের স্ত্রীর কাছ থেকে পারিশ্রমিক পান।অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এসব নথি পর্যালোচনা করা হলে হুমায়ুন কবিরের নিয়োগ কোন প্রক্রিয়ায় এবং কোন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে হয়েছিল, তা স্পষ্ট হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

তবে নিয়োগের বৈধতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথিপত্র যাচাই এবং নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজনও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

‘আমার সাবজেক্ট নেই’—বলছেন হুমায়ুন কবির

নিজের নিয়োগের বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, আমাকে প্রিন্সিপাল স্যার রেখেছেন। তিনি আমার কাজের জন্য টাকা দেন। আমার সাবজেক্ট নেই। আমাকে কেন নিয়োগ দেওয়া হলো—এ কারণে আমি হাইকোর্টে আপিল করেছি। এখন হাইকোর্টের রায়ের অপেক্ষায় আছি।

‘কনস্ট্রাকশন সাইট দেখি, তাই পারিশ্রমিক দিই’

অভিযোগের বিষয়ে ডাসার সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানা বলেন, তার তো কোনো ক্লাস নেই। সে আমাদের কলেজের কনস্ট্রাকশন সাইটগুলো দেখে। এজন্য তাকে কিছু পারিশ্রমিক দিই।

অধ্যক্ষের এই বক্তব্যের পরও প্রশ্ন উঠেছে—যদি তার কোনো ক্লাস না থাকে এবং তিনি মূলত নির্মাণকাজের সাইট দেখাশোনা করেন, তাহলে ‘ইন্সট্রাক্টর, প্রকৌশল অঙ্কন ও প্র্যাকটিস’ পদে তার নিয়োগের ভিত্তি কী এবং কলেজের তহবিল থেকে তাকে কোন খাতে পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে?

তৎকালীন কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন

হুমায়ুন কবিরের নিয়োগের ক্ষেত্রে তৎকালীন অধ্যক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির প্রভাব ছিল বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দা।

মাদারীপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসাইন বলেন, ওই কলেজে কোনো বিষয়ে যদি সাবজেক্ট না থেকে থাকে, তাহলে নতুন করে ওই সাবজেক্টের পদ সৃষ্টি করে, তারপরে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। আর যদি তা না হয়, তাহলে তার থাকার কোনো সুযোগ নেই। এরকম কেউ হয়ে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

মাদারীপুরশিক্ষকডাসার সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement placeholder
    Advertisement placeholder
    কিছুতেই মন গলছে না জামায়াতের

    কিছুতেই মন গলছে না জামায়াতের

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:৫১

    ফ্রিল্যান্সিং প্রকল্প : একেকজনের পেছনে ১৩৩০০০ টাকা ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন

    ফ্রিল্যান্সিং প্রকল্প : একেকজনের পেছনে ১৩৩০০০ টাকা ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:০৬

    এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও পে-স্কেলের আওতায় আসছেন

    এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও পে-স্কেলের আওতায় আসছেন

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:১৯

    সংকটে পাশে নেই বেসরকারি  বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকরা

    সংকটে পাশে নেই বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকরা

    ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩১

    বিএনপি নেতা, সাবেক বিচারপতি-সেনা কর্মকর্তাসহ জামায়াতে যোগ দিলেন ৬০৫ জন

    বিএনপি নেতা, সাবেক বিচারপতি-সেনা কর্মকর্তাসহ জামায়াতে যোগ দিলেন ৬০৫ জন

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:২৭

    আগস্টেই আক্রান্ত ৫০ হাজার, প্রাণ গেল ১৮২ জনের

    আগস্টেই আক্রান্ত ৫০ হাজার, প্রাণ গেল ১৮২ জনের

    ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১০

    ১০৩৯৪ কোটি টাকার মূলধন উধাও

    ১০৩৯৪ কোটি টাকার মূলধন উধাও

    ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৭

    ইরানের বিয়ে বাড়িতে মার্কিন হামলা, শিশুসহ নিহত ৫

    ইরানের বিয়ে বাড়িতে মার্কিন হামলা, শিশুসহ নিহত ৫

    ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৮

    খেলাপিরা হবেন আরও বড় খেলাপি

    খেলাপিরা হবেন আরও বড় খেলাপি

    ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৭

    চার দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

    চার দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

    ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৭

    নিঃস্বার্থ ধাত্রীসেবায় খায়রুন নেছা

    নিঃস্বার্থ ধাত্রীসেবায় খায়রুন নেছা

    ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৮

    এমপিওভুক্তদের জন্য লাগবে বাড়তি সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা

    এমপিওভুক্তদের জন্য লাগবে বাড়তি সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা

    ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৬

    ১৫০০ কোটি টাকার ধাক্কায় পেছাল এক গ্রেড এক পেনশন

    ১৫০০ কোটি টাকার ধাক্কায় পেছাল এক গ্রেড এক পেনশন

    ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩২

    তুরাগ নদীতে এক্সপ্রেসওয়ের দুই সেতু খুলছে বুধবার

    তুরাগ নদীতে এক্সপ্রেসওয়ের দুই সেতু খুলছে বুধবার

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৪১

    স্বয়ংক্রিয় নিরীক্ষার নামে হয়রানি

    স্বয়ংক্রিয় নিরীক্ষার নামে হয়রানি

    ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৬

    advertiseadvertise